ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টিটিএনে সংবাদ প্রকাশের পর লোহাগাড়ায় সড়ক দখলকরে ছাগলের বাজার বসানো ইজারাদারকে জরিমানা ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন এসএসসিতে পেকুয়ার সেরা মাহাথিরের পুলিশে রদবদল, বিদায় নিচ্ছেন কক্সবাজারের এসপি? রামু থেকে অটোরিকশা ভাড়া করে ছিনতাই : রক্তাক্ত অবস্থায় চালককে পেকুয়া থেকে উদ্ধার  লোহাগাড়ার পদুয়ায় সড়ক দখল করে ছাগলের বাজার, মহাসড়কে তীব্র যানজট কক্সবাজার আদালতে গোলাগুলি, আত্মসমর্পণ করে কারাগারে বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী এসএসসিতে কক্সবাজারে সেরা মুনতাকা সাইবা,বিজ্ঞান, ব্যবসা ও মানবিক বিভাগে সেরা যারা আবারও রিমান্ডে ডেভিড ইমন সার ছি’নতাইয়ে আলোচিত সেই কামাল মেম্বারের ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ হারালো দুই বন্ধু ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে : তথ্যমন্ত্রী আবাসস্থল ও করিডর হারিয়ে সংকটে বন্য হাতি রোনালদো এখন আর্জেন্টিনার জামাই!  কিছুক্ষণ পর পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, দিনেই নামবে রাতের অন্ধকার  আজ পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা : ইতিহাস, বাস্তবতা ও করণীয় লোহাগাড়া থেকে নাহিমা আক্তার লিলি নামের এক কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগ

ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও মুহিবুল্লা হত্যায় জড়িত ছিলো আরসা কমান্ডার লালু: অস্ত্রসহ গ্রেফতার

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-এর সক্রিয় কমান্ডার জাহিদ হোসেন প্রকাশ লালুকে (৪০) আটক করেছে সেনাবাহিনী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ (ওয়েস্ট) এলাকায় রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে আটককৃত লালুর কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

​গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, আটককৃত লালু দীর্ঘদিন ধরে আরসা প্রধান হাফেজ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আরসার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্যতম হোতা।

২০২১ সালে রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড, ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ান হত্যা এবং ক্যাম্প-১৮-এর মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে শিক্ষক-ছাত্রসহ ৬ জনকে হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও সে পরিচিত।

​সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ স্থানীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই গ্রেফতারি অভিযান দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। আটককৃত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টিটিএনে সংবাদ প্রকাশের পর লোহাগাড়ায় সড়ক দখলকরে ছাগলের বাজার বসানো ইজারাদারকে জরিমানা

ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও মুহিবুল্লা হত্যায় জড়িত ছিলো আরসা কমান্ডার লালু: অস্ত্রসহ গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-এর সক্রিয় কমান্ডার জাহিদ হোসেন প্রকাশ লালুকে (৪০) আটক করেছে সেনাবাহিনী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ (ওয়েস্ট) এলাকায় রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে আটককৃত লালুর কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

​গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, আটককৃত লালু দীর্ঘদিন ধরে আরসা প্রধান হাফেজ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আরসার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্যতম হোতা।

২০২১ সালে রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড, ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ান হত্যা এবং ক্যাম্প-১৮-এর মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে শিক্ষক-ছাত্রসহ ৬ জনকে হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও সে পরিচিত।

​সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ স্থানীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই গ্রেফতারি অভিযান দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। আটককৃত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।