ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শাহাদাত হোসাইনের পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু পেকুয়ায় মাছের প্রজেক্ট দখলের চেষ্টা : অস্ত্রসহ দুজন আটক প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের আগেই দ্বিতীয় বিয়ে, সরকারি অফিসকে আবাস বানানোর অভিযোগ শাহাদাতের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে তাহসান- রোহিঙ্গা তরুণদের পাশে থাকা ও বৈশ্বিক সহায়তার আহ্বান কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান কক্সবাজারে বিজিবি’র অভিযানে ২ জন আটক, ৭২ হাজার ইয়াবা ও ১৫ লিটার মদ উদ্ধার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জার্মানির সমর্থক: জানালেন ছেলে বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহীম ​ উন্মাদনারও বাস্তবতা আছে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোর চায় চীন হেরোইন ম্যানেজ হয়ে আটা-ময়দা হয়ে যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালী, মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক হিন্দুরা মন্দিরে মূর্তি বানাবে, মুসলমানরা মসজিদ বানাবে—সমস্যা কোথায়?’ সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান

ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও মুহিবুল্লা হত্যায় জড়িত ছিলো আরসা কমান্ডার লালু: অস্ত্রসহ গ্রেফতার

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-এর সক্রিয় কমান্ডার জাহিদ হোসেন প্রকাশ লালুকে (৪০) আটক করেছে সেনাবাহিনী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ (ওয়েস্ট) এলাকায় রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে আটককৃত লালুর কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

​গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, আটককৃত লালু দীর্ঘদিন ধরে আরসা প্রধান হাফেজ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আরসার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্যতম হোতা।

২০২১ সালে রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড, ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ান হত্যা এবং ক্যাম্প-১৮-এর মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে শিক্ষক-ছাত্রসহ ৬ জনকে হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও সে পরিচিত।

​সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ স্থানীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই গ্রেফতারি অভিযান দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। আটককৃত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শাহাদাত হোসাইনের

ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও মুহিবুল্লা হত্যায় জড়িত ছিলো আরসা কমান্ডার লালু: অস্ত্রসহ গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-এর সক্রিয় কমান্ডার জাহিদ হোসেন প্রকাশ লালুকে (৪০) আটক করেছে সেনাবাহিনী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ (ওয়েস্ট) এলাকায় রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে আটককৃত লালুর কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

​গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, আটককৃত লালু দীর্ঘদিন ধরে আরসা প্রধান হাফেজ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আরসার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্যতম হোতা।

২০২১ সালে রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড, ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ান হত্যা এবং ক্যাম্প-১৮-এর মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে শিক্ষক-ছাত্রসহ ৬ জনকে হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও সে পরিচিত।

​সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ স্থানীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই গ্রেফতারি অভিযান দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। আটককৃত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।