ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএসপিএ কক্সবাজারের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন: মাহবুবসভাপতি, সুমন সম্পাদক টিটিএনের প্রতিনিধি সম্মেলন: নব উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন কুতুবদিয়ার নুরুল বশর চৌধুরী উঠে গেলো সৈকতের বালিয়াড়ীর দোকান: পুনর্বাসনের আকুতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ​ ২ হাজার কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ নামমাত্র মূল্যে বিক্রির অভিযোগ: বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শুরু পর্যটক এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপে যাত্রী আহত, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার অভিযোগ মাতারবাড়ি থেকে অস্ত্রসহ যুবক আটক সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার বেঁচে থাকা নিয়ে সংশয় ট্রাম্পের ইরানের শীর্ষ ২ গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে হত্যার দাবি ইসরাইলের সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায় মন্ত্রিত্ব আমার চাকরি নয়, ইবাদত: শিক্ষামন্ত্রী ইউরোপ যদি ই’রা’ন আ/ক্র/ম/ণ করে, রাশিয়ার ইউরোপ আ/ক্র/ম/ণ সহজ হয়ে যাবে! কক্সবাজার আইন কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন রবিবার সকাল ১০ টার মধ্যে নিজ উদ্যোগে সৈকতের স্থাপনা না সরালে উচ্ছেদ অভিযান

টেকনাফে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে অপহৃত কিশোর উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবিতে অপহৃত এক কিশোরকে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাতে টেকনাফ মডেল থানার একটি বিশেষ দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে হ্নীলা ইউনিয়নের মোচনী রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে অপহৃত কিশোর মো. রিয়াজ উদ্দিনকে (১৫) উদ্ধার করে। তিনি টেকনাফের দক্ষিণ হ্নীলা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম লেদা এলাকার আবদুর রশিদের ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে। রিয়াজ প্রতিদিনের মতো টমটম গাড়ি চালানোর উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। সেদিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। দুপুর ১২টার দিকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি রিয়াজের বাবার মোবাইলে ফোন দিয়ে জানায়, রিয়াজ তাদের হেফাজতে রয়েছে এবং তাকে জীবিত ফেরত পেতে চাইলে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। মুক্তিপণ না দিলে রিয়াজকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার পর ভিকটিমের পিতা আবদুর রশিদ বিষয়টি টেকনাফ মডেল থানা পুলিশকে জানান। পরবর্তীতে এসআই নাজমুল হক সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অভিযান শুরু করেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে পুলিশ পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়। তবে কৌশলে কিশোর রিয়াজ উদ্দিনকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, পলাতক অপহরণকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূর বলেন, “অভিযানে কোনো ধরনের ক্ষতি ছাড়াই ভিকটিমকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অপহরণকারীরা চিহ্নিত৷ তাদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে।”

স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে হ্নীলা ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছিল। বৃহস্পতিবারের সফল এ অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

ট্যাগ :

বিএসপিএ কক্সবাজারের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন: মাহবুবসভাপতি, সুমন সম্পাদক

টেকনাফে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে অপহৃত কিশোর উদ্ধার

আপডেট সময় : ১২:২৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবিতে অপহৃত এক কিশোরকে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাতে টেকনাফ মডেল থানার একটি বিশেষ দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে হ্নীলা ইউনিয়নের মোচনী রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে অপহৃত কিশোর মো. রিয়াজ উদ্দিনকে (১৫) উদ্ধার করে। তিনি টেকনাফের দক্ষিণ হ্নীলা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম লেদা এলাকার আবদুর রশিদের ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে। রিয়াজ প্রতিদিনের মতো টমটম গাড়ি চালানোর উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। সেদিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। দুপুর ১২টার দিকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি রিয়াজের বাবার মোবাইলে ফোন দিয়ে জানায়, রিয়াজ তাদের হেফাজতে রয়েছে এবং তাকে জীবিত ফেরত পেতে চাইলে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। মুক্তিপণ না দিলে রিয়াজকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার পর ভিকটিমের পিতা আবদুর রশিদ বিষয়টি টেকনাফ মডেল থানা পুলিশকে জানান। পরবর্তীতে এসআই নাজমুল হক সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অভিযান শুরু করেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে পুলিশ পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়। তবে কৌশলে কিশোর রিয়াজ উদ্দিনকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, পলাতক অপহরণকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূর বলেন, “অভিযানে কোনো ধরনের ক্ষতি ছাড়াই ভিকটিমকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অপহরণকারীরা চিহ্নিত৷ তাদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে।”

স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে হ্নীলা ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছিল। বৃহস্পতিবারের সফল এ অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।