ঢাকা ০২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
 অপ্রতিম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল, আসামি চারজন ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি কমেছে ১২% ইউরোপের ৩ দেশ থেকে ৩৫ বাংলাদেশিকে ফেরত চকরিয়া সড়কে প্রাণ হারালেন দুই শ্রমিক সৈকতে গান, জাদু ও কমেডিতে অনলাইন সহিংসতাবিরোধী প্রচারণা মেরিনড্রাইভে প্রাইভেট বিচ নাম দিয়ে সৈকত দখলে বেলাভূমি রিসোর্ট! পেকুয়ায় ক্যামব্রিয়ান স্কুলে মুক্ত আলোচনা সভা : মানসম্মত শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের উপর গুরুত্বারোপ ‎কুতুবদিয়ায় জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়ন শাহাব উদ্দিনকে সংবর্ধনা কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির ত্রাণ সহায়তা, পাশে থাকার আশ্বাস এটিএম নুরুল বশর চৌধুরীর গেল ১ যুগে সড়কে প্রাণ গেছে ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষের : দূর্ঘটনা ঘটেছে ৭২ হাজার সাগরে নিখোঁজ নিবিড়ের মরদেহ ভেসে এলো : এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাড়ালো ৫ ​‘বজ্রপাত’ বলতে গিয়ে ‘বীর্যপাত’! বললেন সাবরাংয়ের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মান্নান চট্টগ্রামে চালককে অচেতন করে চিনি ছিনতাই, লামায় উদ্ধার ১৪৪ বস্তা জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে সেন্ট্রাল ডাটাবেজ করার দাবি তরুণদের দেড় মিনিটে মন্ত্রীকে ৩৫ বার ‘স্যার’ বলে ভাইরাল ইউএনও
মা/দ/ক ও জু/য়া/র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে কু/পি/য়ে/ছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ভাইপো

কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সজিবুল ইসলাম সাঈদীকে চলন্ত মোটরসাইকেল থামিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরীর সন্তান ও ভাইপোরা। এমনটা অভিযোগ করেছেন সাঈদীর বড় ভাই মোরশেদ খান।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড় টায় উপজেলার হোয়ানকের কালালিয়া কাটা নামক এলাকার প্রধান সড়কে এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাঈদীকে প্রথমে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এবং সেখানে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে প্রেরণ করা হয়েছে।

সাঈদীর ভাই মোরশেদ খান টিটিএনকে বলেন ‘সাঈদীর আমার এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত থেকে ফিরছিলেন। এসময় স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেমের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল থামিয়ে চেয়ারম্যানের ভাই ভুট্টোর ছেলে নেহাল ও আরো কয়েকজন সাঈদীকে এলোপাতাড়ি কোপায়। এসময় কিছু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন মির কাশেম চেয়ারম্যানের ছেলে মিরাজ। তার নির্দেশে সাঈদীকে কোপানো হয়েছে বলে দাবি মোরশেদ খানের।’

সাঈদীর সাথে কোনো বিরোধ ছিলো কিনা জানতে চাইলে মোরশেদ খান বলেন ‘সাঈদী এলাকার তরুণদের সাথে নিয়ে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছিল। এ নিয়ে তারা বিভিন্ন সময় মানববন্ধন করেছে এবং জুয়া ও মাদকের আস্তানা প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিকে সাথে নিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে মাদক ও জুয়ার সাথে সম্পৃক্তরা তার উপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। গতরাতেও মাদক ও জুয়ার আখড়ায় কিছু তরুণ হানা দিলে তাদের সাথে সাঈদীও ছিলেন।’

এই বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নেহাল ও মিরাজের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে স্থানীয় চেয়ারম্যান মিরাজের পিতা ও নেহালের চাচা মির কাশেম চৌধুরী মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন ‘গতরাতে তার ভাইপো নেহালের সাথে সাঈদীর কথা কাটাকাটি হয়। আজ দুপুরে সাঈদীকে নেহাল ও কয়েকজন হামলা করেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তার সন্তান মিরাজ উপস্থিত ছিলেন না।

নেহালের সাথে সাঈদীর কি বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয় জানতে চাইলে তিনি জানেন না বলে এড়িয়ে যান।

গোলকিপার সাঈদী তার এলাকায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছে এই বিষয়টা সত্য কি না জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। ২০২৪ সালে আগস্টে হোয়ানকের মোহরাকাটা বাজারে সাঈদী ও স্থানীয় তরুণদের আয়োজনে মাদক ও জুয়া বিরোধী মানববন্ধনের প্রতিবেদক উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে মির কাশেম চৌধুরীকেও উপস্থিত দেখেছেন বলে জানালে চেয়ারম্যান মির কাশেম তার স্মরণে নেই বলে এড়িয়ে যান।

হোয়ানকের স্থানীয়রা জানান, সাঈদী তার গ্রামের বিভিন্ন অপকর্ম, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন।

এদিকে কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে হামলায় ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকে নিন্দা জানিয়ে দোষীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

 অপ্রতিম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল, আসামি চারজন

মা/দ/ক ও জু/য়া/র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে কু/পি/য়ে/ছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ভাইপো

আপডেট সময় : ১২:১৩:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সজিবুল ইসলাম সাঈদীকে চলন্ত মোটরসাইকেল থামিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরীর সন্তান ও ভাইপোরা। এমনটা অভিযোগ করেছেন সাঈদীর বড় ভাই মোরশেদ খান।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড় টায় উপজেলার হোয়ানকের কালালিয়া কাটা নামক এলাকার প্রধান সড়কে এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাঈদীকে প্রথমে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এবং সেখানে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে প্রেরণ করা হয়েছে।

সাঈদীর ভাই মোরশেদ খান টিটিএনকে বলেন ‘সাঈদীর আমার এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত থেকে ফিরছিলেন। এসময় স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেমের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল থামিয়ে চেয়ারম্যানের ভাই ভুট্টোর ছেলে নেহাল ও আরো কয়েকজন সাঈদীকে এলোপাতাড়ি কোপায়। এসময় কিছু দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন মির কাশেম চেয়ারম্যানের ছেলে মিরাজ। তার নির্দেশে সাঈদীকে কোপানো হয়েছে বলে দাবি মোরশেদ খানের।’

সাঈদীর সাথে কোনো বিরোধ ছিলো কিনা জানতে চাইলে মোরশেদ খান বলেন ‘সাঈদী এলাকার তরুণদের সাথে নিয়ে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছিল। এ নিয়ে তারা বিভিন্ন সময় মানববন্ধন করেছে এবং জুয়া ও মাদকের আস্তানা প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিকে সাথে নিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে মাদক ও জুয়ার সাথে সম্পৃক্তরা তার উপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। গতরাতেও মাদক ও জুয়ার আখড়ায় কিছু তরুণ হানা দিলে তাদের সাথে সাঈদীও ছিলেন।’

এই বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নেহাল ও মিরাজের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে স্থানীয় চেয়ারম্যান মিরাজের পিতা ও নেহালের চাচা মির কাশেম চৌধুরী মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন ‘গতরাতে তার ভাইপো নেহালের সাথে সাঈদীর কথা কাটাকাটি হয়। আজ দুপুরে সাঈদীকে নেহাল ও কয়েকজন হামলা করেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তার সন্তান মিরাজ উপস্থিত ছিলেন না।

নেহালের সাথে সাঈদীর কি বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয় জানতে চাইলে তিনি জানেন না বলে এড়িয়ে যান।

গোলকিপার সাঈদী তার এলাকায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছে এই বিষয়টা সত্য কি না জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। ২০২৪ সালে আগস্টে হোয়ানকের মোহরাকাটা বাজারে সাঈদী ও স্থানীয় তরুণদের আয়োজনে মাদক ও জুয়া বিরোধী মানববন্ধনের প্রতিবেদক উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে মির কাশেম চৌধুরীকেও উপস্থিত দেখেছেন বলে জানালে চেয়ারম্যান মির কাশেম তার স্মরণে নেই বলে এড়িয়ে যান।

হোয়ানকের স্থানীয়রা জানান, সাঈদী তার গ্রামের বিভিন্ন অপকর্ম, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন।

এদিকে কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে হামলায় ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকে নিন্দা জানিয়ে দোষীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।