ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি আমিন সম্পাদক জাহাঙ্গীর কক্সবাজারে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন টেকনাফে অস্ত্রসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব বৈশাখী ঝড়ে বৈশাখ উদযাপন: স্বাধীন চেতনার উৎসব হোক আমাদের অহংকার শিগগিরই দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  শহরের নতুন বাহারছড়া এলাকায় দোকান ভাংচুরের অভিযোগ রেন্ট বাইকের সাথে জড়িয়ে আছে কক্সবাজারের হাজারো মানুষ: তাদের পেটে লাথি দিবেন না- নয়ন টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আজ পহেলা বৈশাখ পুলিশের ভুলের খেসারতে কারাগারে কাটানো রাতে নির্ঘুম ছিল শিশু মাইরা পিএমখালীতে সীমানা বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যা গর্জনিয়া ইউনিয়নের টোল-ট্যাক্স ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকায় ইজারা পেলেন লুৎফুর রহমান রেন্ট বাইকের সাথে জড়িয়ে আছে কক্সবাজারের হাজারো মানুষ: তাদের পেটে লাথি দিবেন না- নয়ন মানবপাচারের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দেলোয়ার ও আক্তারের সীমিত জনবলেও তৎপর উখিয়া রেঞ্জ, বনউজাড় করতে গিয়ে ধরা পড়ল ২৬ রোহিঙ্গা

কক্সবাজারে চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

কক্সবাজার শহরে চাঁদা না দেওয়ায় গণেশ পাল নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গণেশ পাল (৪০) ওই এলাকার বাসিন্দা বিশ্বনাথ পালের ছেলে।

নিহতের স্ত্রী নেপালী পাল জানান, তাদের বাসায় একটি সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলছিল। গতকাল রাতে জিদান নামে এক ব্যক্তি গণেশ পালের দোকানে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আজ দুপুরে জিদান ও তার এক সহযোগী তাদের বাড়িতে এসে হামলা চালায়।

তিনি আরও জানান, তার চোখের সামনেই জিদান ও তার সহযোগী গণেশ পালের ওপর ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযুক্ত জিদানের বাড়ি বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায়। তিনি রাজমিস্ত্রি জাকির হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

এদিকে নিহত গণেশের কাকাতো ভাই বাপ্পী পাল বলেন, “হঠাৎ করে খবর পাই, গণেশকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, আমার জেঠাতো ভাই গণেশ মারা গেছেন। তার বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমার ভাইকে যারা হত্যা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল মিন্টু বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের কঠোরভাবে দমন করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সনাতনী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

ঘটনার বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, “বাড়ির সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলাকালে টাকা দাবি করা নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে গণেশ পাল নিহত হন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি আমিন সম্পাদক জাহাঙ্গীর

কক্সবাজারে চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আপডেট সময় : ০৫:৪২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজার শহরে চাঁদা না দেওয়ায় গণেশ পাল নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গণেশ পাল (৪০) ওই এলাকার বাসিন্দা বিশ্বনাথ পালের ছেলে।

নিহতের স্ত্রী নেপালী পাল জানান, তাদের বাসায় একটি সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলছিল। গতকাল রাতে জিদান নামে এক ব্যক্তি গণেশ পালের দোকানে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আজ দুপুরে জিদান ও তার এক সহযোগী তাদের বাড়িতে এসে হামলা চালায়।

তিনি আরও জানান, তার চোখের সামনেই জিদান ও তার সহযোগী গণেশ পালের ওপর ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযুক্ত জিদানের বাড়ি বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায়। তিনি রাজমিস্ত্রি জাকির হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

এদিকে নিহত গণেশের কাকাতো ভাই বাপ্পী পাল বলেন, “হঠাৎ করে খবর পাই, গণেশকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, আমার জেঠাতো ভাই গণেশ মারা গেছেন। তার বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমার ভাইকে যারা হত্যা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল মিন্টু বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের কঠোরভাবে দমন করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সনাতনী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

ঘটনার বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, “বাড়ির সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলাকালে টাকা দাবি করা নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে গণেশ পাল নিহত হন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”