ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রেতা বিক্রেতা উভয়েই সচেতন হলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে ভোর রাতে সাংবাদিকের বাড়িতে ডাকাতি, বৃদ্ধ দম্পতিকে জিম্মি করে টাকা-স্বর্ণালংকার লুট রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা কারাগার তৈরীর প্রস্তাব। কক্সবাজারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি নাইক্ষ্যংছড়িতে বৃদ্ধার বোরকার ভিতরে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা ২০২৬ বিশ্বকাপের ৪৮ দলের স্কোয়াড দেখে নিন এক নজরে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মুক্ত রাখা হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী কক্সবাজার উপকূলে এগোচ্ছে মৌসুমীবায়ু, দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির আভাস ফুটবল রোমাঞ্চে ভরা রাত- মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও পর্তুগাল হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশনে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু

আর মাত্র ১০ দিন পর ফুটবলের জাদুতে থমকে যাবে বিশ্ব!

ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টাতে উল্টাতে সময়টা যখন জুনের কাছাকাছি চলে আসে, তখন বাতাসে যেন এক অদ্ভুত উন্মাদনার গন্ধ পাওয়া যায়। চায়ের কাপের আড্ডা থেকে শুরু করে পাড়ার মোড়, কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার দেয়াল, সবখানেই শুধু একটিই আলোচনা। আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা।

আগামী ১১ জুন বেজে উঠবে সেই মহেন্দ্রক্ষণের বাঁশি। শুরু হতে যাচ্ছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ বিশ্বকাপ ফুটবল। ফুটবল কি কেবল ২২ জন মানুষের একটি বলের পেছনে ছুটে চলা? মোটেও নয়। এটি এমন এক জাদুকরী মন্ত্র, যা মুহূর্তের মধ্যে পুরো বিশ্বকে এক সুতোয় গেঁথে ফেলতে পারে। ভাষা, বর্ণ, ধর্ম কিংবা ভৌগোলিক সীমানার সব দেয়াল ভুলে পুরো পৃথিবী যেন এই এক মাসের জন্য পরিণত হয় একটি বিশাল গ্যালারিতে। যেখানে প্রতিটি মানুষের হৃদস্পন্দন ওঠানামা করে মাঠের ওই গোলকটির প্রতিটি পাসের সঙ্গে।

বিশ্বকাপ মানেই তো আবেগের এক বিশাল ক্যানভাস। এই ক্যানভাসে কেউ আঁকেন বিজয়ের সোনালি হাসি, আবার কারও চোখে নেমে আসে বিদায়ের নোনতা জল। কোনো এক অখ্যাত শহরের ছাপোষা তরুণ হয়তো জাদুকরী এক গোলে রাতারাতি বনে যাবেন বিশ্বজয়ী মহাতারকা। আবার শেষবারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে নামা কোনো কিংবদন্তি হয়তো শিরোপার খুব কাছ থেকে চোখের জলে বিদায় নেবেন, রেখে যাবেন লাখো ভক্তের দীর্ঘশ্বাস। এই হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনার মহাকাব্যই তো বিশ্বকাপকে করে তুলেছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম ক্রীড়া আসর।

আমাদের এই বাংলাদেশের চিত্রটাও কিন্তু একদম ভিন্ন নয়। বিশ্বকাপ এলেই এই দেশের প্রতিটি ছাদ, প্রতিটি বারান্দা যেন হয়ে ওঠে এক একটা দেশের মিনি স্টেডিয়াম! প্রিয় দলের পতাকা ওড়ানোর সেই অঘোষিত প্রতিযোগিতা, রাত জেগে খেলা দেখার প্রস্তুতি, আর পরদিন সকালে কর্মব্যস্ত দিনের ফাঁকে চায়ের চুমুকে তর্কে মেতে ওঠা, এসব ছাড়া কি আমাদের বিশ্বকাপ পূর্ণতা পায়? ব্রাজিল না আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স না জার্মানি, এই মিষ্টি লড়াইয়ে মেতে ওঠে আট থেকে আশি, সবাই।

১১ জুনের পর থেকে আগামী এক মাস রাতের ঘুম হারাম হবে, চোখের নিচে কালি পড়বে, প্রিয় দলের হারে হয়তো বুকের ভেতরটা অজানা কষ্টে দুমড়েমুচড়ে যাবে। আবার সেই প্রিয় দল যখন দুর্দান্ত কোনো গোল করে এগিয়ে যাবে, তখন মাঝরাতেই হয়তো বাঁধভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়বে পুরো পাড়া। এটাই তো ফুটবল! এটাই তো বিশ্বকাপ! এই জাদুকরী উন্মাদনায় কয়দিন পর ফুটবল ভক্তেদের কথার তুবড়িতে কিন্তু টিকে থাকা দায় হয়ে যাবে! তাহলে, প্রস্তুত তো আপনার প্রিয় দলের জার্সি নিয়ে? কিক-অফের বাঁশি বাজতে কিন্তু আর খুব বেশি দেরি নেই

সূত্র:ডিবিসি

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রেতা বিক্রেতা উভয়েই সচেতন হলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে

আর মাত্র ১০ দিন পর ফুটবলের জাদুতে থমকে যাবে বিশ্ব!

আপডেট সময় : ০১:৩৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টাতে উল্টাতে সময়টা যখন জুনের কাছাকাছি চলে আসে, তখন বাতাসে যেন এক অদ্ভুত উন্মাদনার গন্ধ পাওয়া যায়। চায়ের কাপের আড্ডা থেকে শুরু করে পাড়ার মোড়, কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ার দেয়াল, সবখানেই শুধু একটিই আলোচনা। আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা।

আগামী ১১ জুন বেজে উঠবে সেই মহেন্দ্রক্ষণের বাঁশি। শুরু হতে যাচ্ছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ বিশ্বকাপ ফুটবল। ফুটবল কি কেবল ২২ জন মানুষের একটি বলের পেছনে ছুটে চলা? মোটেও নয়। এটি এমন এক জাদুকরী মন্ত্র, যা মুহূর্তের মধ্যে পুরো বিশ্বকে এক সুতোয় গেঁথে ফেলতে পারে। ভাষা, বর্ণ, ধর্ম কিংবা ভৌগোলিক সীমানার সব দেয়াল ভুলে পুরো পৃথিবী যেন এই এক মাসের জন্য পরিণত হয় একটি বিশাল গ্যালারিতে। যেখানে প্রতিটি মানুষের হৃদস্পন্দন ওঠানামা করে মাঠের ওই গোলকটির প্রতিটি পাসের সঙ্গে।

বিশ্বকাপ মানেই তো আবেগের এক বিশাল ক্যানভাস। এই ক্যানভাসে কেউ আঁকেন বিজয়ের সোনালি হাসি, আবার কারও চোখে নেমে আসে বিদায়ের নোনতা জল। কোনো এক অখ্যাত শহরের ছাপোষা তরুণ হয়তো জাদুকরী এক গোলে রাতারাতি বনে যাবেন বিশ্বজয়ী মহাতারকা। আবার শেষবারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে নামা কোনো কিংবদন্তি হয়তো শিরোপার খুব কাছ থেকে চোখের জলে বিদায় নেবেন, রেখে যাবেন লাখো ভক্তের দীর্ঘশ্বাস। এই হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনার মহাকাব্যই তো বিশ্বকাপকে করে তুলেছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম ক্রীড়া আসর।

আমাদের এই বাংলাদেশের চিত্রটাও কিন্তু একদম ভিন্ন নয়। বিশ্বকাপ এলেই এই দেশের প্রতিটি ছাদ, প্রতিটি বারান্দা যেন হয়ে ওঠে এক একটা দেশের মিনি স্টেডিয়াম! প্রিয় দলের পতাকা ওড়ানোর সেই অঘোষিত প্রতিযোগিতা, রাত জেগে খেলা দেখার প্রস্তুতি, আর পরদিন সকালে কর্মব্যস্ত দিনের ফাঁকে চায়ের চুমুকে তর্কে মেতে ওঠা, এসব ছাড়া কি আমাদের বিশ্বকাপ পূর্ণতা পায়? ব্রাজিল না আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স না জার্মানি, এই মিষ্টি লড়াইয়ে মেতে ওঠে আট থেকে আশি, সবাই।

১১ জুনের পর থেকে আগামী এক মাস রাতের ঘুম হারাম হবে, চোখের নিচে কালি পড়বে, প্রিয় দলের হারে হয়তো বুকের ভেতরটা অজানা কষ্টে দুমড়েমুচড়ে যাবে। আবার সেই প্রিয় দল যখন দুর্দান্ত কোনো গোল করে এগিয়ে যাবে, তখন মাঝরাতেই হয়তো বাঁধভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়বে পুরো পাড়া। এটাই তো ফুটবল! এটাই তো বিশ্বকাপ! এই জাদুকরী উন্মাদনায় কয়দিন পর ফুটবল ভক্তেদের কথার তুবড়িতে কিন্তু টিকে থাকা দায় হয়ে যাবে! তাহলে, প্রস্তুত তো আপনার প্রিয় দলের জার্সি নিয়ে? কিক-অফের বাঁশি বাজতে কিন্তু আর খুব বেশি দেরি নেই

সূত্র:ডিবিসি