ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবরে বড় ভাইয়ের মৃত্যু ‘ইয়াবা’ ছিনতাইকান্ডে কোটবাজারে তোলপাড়! ‘জুলাই চেতনাকে বাদ দিয়ে গণতন্ত্র, সুসংহত ও বৈষম্যহীন দেশ গঠন সম্ভব নয়’-হামিদুর রহমান আযাদ সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল বদরখালীতে আলমগীর ফরিদের বহরে থাকা গাড়ীর ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে ভারত: হাইকমিশনার মাতামুহুরী হচ্ছে কক্সবাজার জেলার দশম উপজেলা ১৮ মাস পর ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন মুহাম্মদ ইউনূস ১২ মার্চ সংসদ বসছে, নির্বাচন করা হবে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে কিছু পরিবর্তন আসবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ভিসি নিয়াজ আহমদ খান চকরিয়ার কাকারায় ডাকাতের হামলায় মুজিবের মৃত্যু দাবী স্থানীয়দের: আঘাতের চিহ্ন নেই বলছে পুলিশ বিশ্বের সব দেশের ওপর শুল্ক ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করলেন ট্রাম্প বাংলাদেশ-সৌদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে: প্রধানমন্ত্রী জানুয়ারিতে সড়কে ঝরল ৫৪৬ প্রাণ: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার

আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৪ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ব্রিটিশ এমপি রূপা হকের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় এই আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের আগামী সাধারণ নির্বাচন সম্পূর্ণ অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। গত তিনটি নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। বিগত সময়ে একটি ভুয়া সংসদ, এমপি ও স্পিকার ছিল।

তিনি বলেন, সারা দেশের মানুষ এখন তাদের কণ্ঠস্বর ফিরে পেয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।

এ সময় ব্রিটিশ এমপি রূপা হক আগামী সাধারণ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গৃহীত সংস্কার উদ্যোগ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চান। রূপা হক বলেন, ‘বাংলাদেশ ২.০ দেখে আমি সত্যিই উৎসাহিত হয়েছি।’

ড. ইউনূস জানান, পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের সম্ভাব্য দুটি সময়সীমা রয়েছে- ২০২৫ সালের ডিসেম্বর অথবা ২০২৬ সালের মাঝামাঝি। তবে জনগণ কতটুকু সংস্কার চায় তার ওপর নির্ভর করছে নির্বাচনের তারিখ। রূপা হক আগামী নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে আবার আসার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ সময় জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সূচনা এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে জনগণের ওপর নিপীড়নের ঘটনাগুলো তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। সাক্ষাৎকালে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বিডার চেয়ারম্যান আশিক মাহমুদ চৌধুরী এবং এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদের সঙ্গে বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে বৈঠক করেন।

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ব্যবসায়ী সংগঠন, ইউকে বাংলাদেশ কেটালিস্ট অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ইউকেবিসিসিআই) একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে অবস্থান করছে। সংগঠনটির চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ওবিই এবং ইউকেবিসিসিআই সভাপতি এম জি মওলা মিয়া প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

লুৎফে সিদ্দিকী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতসহ ব্রিটিশ ব্যবসায়ী ও নারীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সংস্কার করেছেন।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় : ০২:৩৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৪ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ব্রিটিশ এমপি রূপা হকের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় এই আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের আগামী সাধারণ নির্বাচন সম্পূর্ণ অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। গত তিনটি নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। বিগত সময়ে একটি ভুয়া সংসদ, এমপি ও স্পিকার ছিল।

তিনি বলেন, সারা দেশের মানুষ এখন তাদের কণ্ঠস্বর ফিরে পেয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।

এ সময় ব্রিটিশ এমপি রূপা হক আগামী সাধারণ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গৃহীত সংস্কার উদ্যোগ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চান। রূপা হক বলেন, ‘বাংলাদেশ ২.০ দেখে আমি সত্যিই উৎসাহিত হয়েছি।’

ড. ইউনূস জানান, পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের সম্ভাব্য দুটি সময়সীমা রয়েছে- ২০২৫ সালের ডিসেম্বর অথবা ২০২৬ সালের মাঝামাঝি। তবে জনগণ কতটুকু সংস্কার চায় তার ওপর নির্ভর করছে নির্বাচনের তারিখ। রূপা হক আগামী নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে আবার আসার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ সময় জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সূচনা এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে জনগণের ওপর নিপীড়নের ঘটনাগুলো তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। সাক্ষাৎকালে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বিডার চেয়ারম্যান আশিক মাহমুদ চৌধুরী এবং এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদের সঙ্গে বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে বৈঠক করেন।

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ব্যবসায়ী সংগঠন, ইউকে বাংলাদেশ কেটালিস্ট অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ইউকেবিসিসিআই) একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে অবস্থান করছে। সংগঠনটির চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ওবিই এবং ইউকেবিসিসিআই সভাপতি এম জি মওলা মিয়া প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

লুৎফে সিদ্দিকী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতসহ ব্রিটিশ ব্যবসায়ী ও নারীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সংস্কার করেছেন।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন