ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অকটেন ও সার জব্দ হরমুজ পার হওয়ার অনুমতি মেলেনি, শারজায় ফিরে যাচ্ছে ‘বাংলার জয়যাত্রা’ সংরক্ষিত নারী আসনে কারা প্রাধান্য পাবেন, জানালেন রিজভী মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৩২ : রোড সেফটি ফাউন্ডেশন টেকনাফের সাবরাংয়ে জেটি হবে, পর্যটকেরা যেতে পারবেন সেন্ট মার্টিন হ্নীলা মডেল ফারিয়া’র সভাপতি নির্বাচিত হলেন মোকতার হোসাইন সোহেল নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ৫টি আইইডিসহ বিপুল বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার নাকফুল হারালেন পরীমনি! সিটের নিচে ৩০ হাজার ইয়াবা, সিএনজি চালক আটক রামুর বিজিবি কোয়ার্টারে এক নারীর আত্মহত্যা চকরিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সহায়তা টেকনাফের নিখোঁজ কিশোরীকে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার করলো র‍্যাব ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী কক্সবাজার আসছেন শনিবার টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, মালিক পলাতক শহরে কিস্তির টাকার বিরোধে প্রতিবেশীকে খুন, যুবক আটক

সি-ট্রাকে নেই ডাস্টবিন: যাত্রীরা যত্রতত্র ফেলছে প্লাস্টিক বর্জ্য

মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে চলাচল করা সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় যাত্রীরা সি–ট্রাকের মধ্যে যত্রতত্র ফেলছে বর্জ্য। এসব বর্জ্য আবার অনেক যাত্রীদের মধ্যে সৃষ্টি করছে অস্বস্তি।

ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, পলিথিন, বাদাম ও সিগারেটের খোসা এসব ময়লা আবর্জনা গিয়ে পড়ছে নদীতে। এতে নদী দুষণ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে বলে আশংকা করছেন পরিবেশবাদীরা।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) মহেশখালী শাখার সদস্য সচিব আবু বক্কর বলেন, প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, সিগারেটের খোসা এসব পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। যা নদীতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী, জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে।

মহেশখালী থেকে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার থেকে মহেশখালী সি–ট্রাকে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘন্টা। এই দীর্ঘ সময়ে যাত্রাপথে যাত্রীরা নিজেদের সাথে নেন পানীয় এবং শুকনো খাবার। এসব খাবারের প্যাকেট ও প্লাস্টিকের পানীয় বোতল ফেলার জন্য সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় অনেকে তা ফেলছেন নদীতে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে, বিআইডব্লিউটিএ’র কক্সবাজার নদীবন্দর (কস্তুরাঘাট) শাখার সহকারী পরিচালক মো. খায়রুজ্জামান টিটিএন বলেন, ডাস্টবিন না থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন না, যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা এবং নদী দুষণ রোধে শিগগিরই সি–ট্রাকে ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে।

গত ২৫ এপ্রিল মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে আনুষ্ঠানিকভাবে বিআইডব্লিউটিএ’র সি–ট্রাক সার্ভিস চালু হয়েছে। এই নৌপথে ২৫০ জন যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সি–ট্রাক প্রতিদিন তিনবার করে যাওয়া-আসা করছে। মহেশখালী দ্বীপের প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সি–ট্রাক হয়ে উঠেছে ভরসাস্থল।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সি-ট্রাকে নেই ডাস্টবিন: যাত্রীরা যত্রতত্র ফেলছে প্লাস্টিক বর্জ্য

আপডেট সময় : ০৬:৫১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে চলাচল করা সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় যাত্রীরা সি–ট্রাকের মধ্যে যত্রতত্র ফেলছে বর্জ্য। এসব বর্জ্য আবার অনেক যাত্রীদের মধ্যে সৃষ্টি করছে অস্বস্তি।

ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, পলিথিন, বাদাম ও সিগারেটের খোসা এসব ময়লা আবর্জনা গিয়ে পড়ছে নদীতে। এতে নদী দুষণ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে বলে আশংকা করছেন পরিবেশবাদীরা।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) মহেশখালী শাখার সদস্য সচিব আবু বক্কর বলেন, প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, সিগারেটের খোসা এসব পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। যা নদীতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী, জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে।

মহেশখালী থেকে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার থেকে মহেশখালী সি–ট্রাকে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘন্টা। এই দীর্ঘ সময়ে যাত্রাপথে যাত্রীরা নিজেদের সাথে নেন পানীয় এবং শুকনো খাবার। এসব খাবারের প্যাকেট ও প্লাস্টিকের পানীয় বোতল ফেলার জন্য সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় অনেকে তা ফেলছেন নদীতে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে, বিআইডব্লিউটিএ’র কক্সবাজার নদীবন্দর (কস্তুরাঘাট) শাখার সহকারী পরিচালক মো. খায়রুজ্জামান টিটিএন বলেন, ডাস্টবিন না থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন না, যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা এবং নদী দুষণ রোধে শিগগিরই সি–ট্রাকে ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে।

গত ২৫ এপ্রিল মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে আনুষ্ঠানিকভাবে বিআইডব্লিউটিএ’র সি–ট্রাক সার্ভিস চালু হয়েছে। এই নৌপথে ২৫০ জন যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সি–ট্রাক প্রতিদিন তিনবার করে যাওয়া-আসা করছে। মহেশখালী দ্বীপের প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সি–ট্রাক হয়ে উঠেছে ভরসাস্থল।