ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে হুইল চেয়ার,ট্রলি সরবরাহ এবং দালালের দৌরাত্ম বন্ধের নির্দেশ রমজান মাসের অমূল্য রত্ন রোজাদারের দোয়া মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে? ওপেন হার্ট সার্জারি শেষে ঘরে ফিরলেন অভিনেতা ‘আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল’ হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ: জিনিয়া শারমিন রিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ রামুতে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন, দাম্পত্যকলহ নাকি পরকীয়া?  নিজেরসহ পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রকাশ করলেন আসিফ মাহমুদ ‘সুপ্রভাত কক্সবাজার’-এর ইফতার ও শুভেচ্ছা আড্ডা অনুষ্ঠিত পোকখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় ফরিদুল আলম ফরিদ উখিয়ায় অস্ত্রসহ ৫ রোহিঙ্গা ডাকাত আটক ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কলাতলী গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন খেজুর কেন ইফতারে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী?

আবারো বিধ্বস্ত রিয়াল, লিগ শিরোপার পথে বার্সা

ম্যাচের শুরুতেই কিলিয়ান এমবাপ্পে জোড়া গোল করে বার্সেলোনাকে স্তব্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু রাফিনিয়া-ইয়ামালদের দাপটে ৪-৩ গোলে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে হানসি ফ্লিকের দল। ইতিহাসে প্রথমবার এক মৌসুমে চার ক্লাসিকো জয়ের কীর্তি গড়েছে।

এই জয়ে লা লিগার শিরোপা একপ্রকার নিশ্চিত করে ফেলেছে কাতালানরা। লা লিগায় ৩৫ রাউন্ড শেষে ৭  পয়েন্টের লিড নিয়েছে বার্সা। বাকি তিন ম্যাচের একটিতে জিতলেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে তারা।

রিয়াল মাদ্রিদ মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোয় ঘরের মাঠে ৪-০ গোলে হারে। এরপর সুপার কাপ ও কোপা দেল রে’র ফাইনালে দাপটের সঙ্গে জয় তুলে নেয় ফ্লিকের দল। মৌসুমের শেষ ক্লাসিকোতেও হারল কার্লো আনচেলত্তির দল। এর আগে ২০০৮ থেকে ২০১০ মৌসুমে বার্সার পেপ গার্দিওলার অধীনে টানা চার এল ক্লাসিকোয় হেরেছিল রিয়াল মাদ্রিদ।

রোববার রাতের ম্যাচে ৫ মিনিট হতেই গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। বার্সার পোলিশ গোলরক্ষক ভয়চেক সেজনি পেনাল্টি উপহার দেন রিয়ালকে। ১৪ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করে ফেলেন এমবাপ্পে। পরেই বার্সা কামব্যাক করে। ম্যাচের ১৯ মিনিটে কর্ণার থেকে নেওয়া কিকে গোল করেন বার্সা ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া। ৩২ মিনিটে বাঁ পায়ের দারুণ শটে দলকে সমতায় ফেরান লামিনে ইয়ামাল।

দুই মিনিট পরেই লিড নেয় বার্সা। এবার রিয়ালের এমবাপ্পে ও সেবায়োসের ভুলে বল পেয়ে যান পেদ্রি। ফাঁকায় বল পেয়ে গোল করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফিনিয়া। ৪৫ মিনিটে ব্যবধান ৪-২ করে ফেলেন তিনি। ওই গোলে ফেরান তোরেসের চেয়ে লুকাস ভাসকেসের ভুলের অবদান বেশি।

দ্বিতীয়ার্ধেও দাপটের সঙ্গে শুরু করে বার্সা। রাফিনিয়া জালে বল পাঠিয়ে হ্যাটট্রিক উদযাপন করলেও তা বাতিল হয়ে যায়। পরেই এমবাপ্পে করেন ওই হ্যাটট্রিক উদযাপন। তিনি ৭০ মিনিটে গোল করে ম্যাচ জমিয়ে দেন। এমনকি শেষ দিকে দলকে সমতায় ফেরানোর মতো দারুণ একটা সুযোগ পেয়েও তা হারান তিনি। শেষ বাঁশির ঠিক আগে বার্সাও গোল উদযাপন করে। তবে তা বাতিল হয়ে যায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আবারো বিধ্বস্ত রিয়াল, লিগ শিরোপার পথে বার্সা

আপডেট সময় : ১১:০০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

ম্যাচের শুরুতেই কিলিয়ান এমবাপ্পে জোড়া গোল করে বার্সেলোনাকে স্তব্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু রাফিনিয়া-ইয়ামালদের দাপটে ৪-৩ গোলে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে হানসি ফ্লিকের দল। ইতিহাসে প্রথমবার এক মৌসুমে চার ক্লাসিকো জয়ের কীর্তি গড়েছে।

এই জয়ে লা লিগার শিরোপা একপ্রকার নিশ্চিত করে ফেলেছে কাতালানরা। লা লিগায় ৩৫ রাউন্ড শেষে ৭  পয়েন্টের লিড নিয়েছে বার্সা। বাকি তিন ম্যাচের একটিতে জিতলেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে তারা।

রিয়াল মাদ্রিদ মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোয় ঘরের মাঠে ৪-০ গোলে হারে। এরপর সুপার কাপ ও কোপা দেল রে’র ফাইনালে দাপটের সঙ্গে জয় তুলে নেয় ফ্লিকের দল। মৌসুমের শেষ ক্লাসিকোতেও হারল কার্লো আনচেলত্তির দল। এর আগে ২০০৮ থেকে ২০১০ মৌসুমে বার্সার পেপ গার্দিওলার অধীনে টানা চার এল ক্লাসিকোয় হেরেছিল রিয়াল মাদ্রিদ।

রোববার রাতের ম্যাচে ৫ মিনিট হতেই গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। বার্সার পোলিশ গোলরক্ষক ভয়চেক সেজনি পেনাল্টি উপহার দেন রিয়ালকে। ১৪ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করে ফেলেন এমবাপ্পে। পরেই বার্সা কামব্যাক করে। ম্যাচের ১৯ মিনিটে কর্ণার থেকে নেওয়া কিকে গোল করেন বার্সা ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া। ৩২ মিনিটে বাঁ পায়ের দারুণ শটে দলকে সমতায় ফেরান লামিনে ইয়ামাল।

দুই মিনিট পরেই লিড নেয় বার্সা। এবার রিয়ালের এমবাপ্পে ও সেবায়োসের ভুলে বল পেয়ে যান পেদ্রি। ফাঁকায় বল পেয়ে গোল করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফিনিয়া। ৪৫ মিনিটে ব্যবধান ৪-২ করে ফেলেন তিনি। ওই গোলে ফেরান তোরেসের চেয়ে লুকাস ভাসকেসের ভুলের অবদান বেশি।

দ্বিতীয়ার্ধেও দাপটের সঙ্গে শুরু করে বার্সা। রাফিনিয়া জালে বল পাঠিয়ে হ্যাটট্রিক উদযাপন করলেও তা বাতিল হয়ে যায়। পরেই এমবাপ্পে করেন ওই হ্যাটট্রিক উদযাপন। তিনি ৭০ মিনিটে গোল করে ম্যাচ জমিয়ে দেন। এমনকি শেষ দিকে দলকে সমতায় ফেরানোর মতো দারুণ একটা সুযোগ পেয়েও তা হারান তিনি। শেষ বাঁশির ঠিক আগে বার্সাও গোল উদযাপন করে। তবে তা বাতিল হয়ে যায়।