ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলোনা সাবরাংয়ের আনিসের পেকুয়ায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে প্রতারণা, কক্সবাজারে গ্রেপ্তার ১ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সমুদ্র সৈকতে শৃঙ্খলা প্রাধান্য সমুদ্রে জনসমুদ্র, রুম নেই হোটেলে ইরান দূতাবাসের সামরিক কর্মকর্তাসহ ৪ কর্মীকে বহিষ্কার করল সৌদি ৮ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে সড়কে ঝরল ১৯ প্রাণ গণতন্ত্রের সৌন্দর্যের জন্য হলেও সংবিধান সংস্কার প্রয়োজন: জামায়াত আমির ঈদের পর নতুন সরকারের সামনে বড় তিন চ্যালেঞ্জ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানকে ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ‘সংসদে’ সমাধান না হলে রাজপথ বেছে নেবে এনসিপি বাসে ট্রেনের ধাক্কা, ১২ জন নিহত “ঈদে বার্মায় নামাজ” এটি আজ একটি প্রতীক, একটি স্বপ্ন লোহাগাড়ার আধুনগরে মোটরসাইকেল-কাভার্ড ভ্যান সংঘর্ষে নিহত ১ ঈদের পর ঈদ যায়, রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরা হয়না!

বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সাময়িক নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শনিবার (১০ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বৈঠক শেষে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

বিফ্রিংয়ে আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘সভায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনের সংশোধনী অনুমোদিত হয়েছে। সংশোধনী অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কোনও রাজনৈতিক দল, তার অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীকে শাস্তি দিতে পারবে।

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে সাইবার স্পেস-সহ আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরিপত্র পরবর্তী কর্মদিবসে জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া, আজকের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে জুলাই ঘোষণাপত্র আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত করে প্রকাশ করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে বলে জানান আসিফ নজরুল।

ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে বিভিন্ন দল ও মহল থেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি আসছিল। এর মধ্যে গত বুধবার মধ্যরাতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ থাইল্যান্ডে গেলে নতুন করে দলটির নিষিদ্ধের দাবিতে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তাদের কর্মসূচিতে বিভিন্ন দল ও প্ল্যাটফর্ম যোগ দেয়। তারইপ্রেক্ষিতে রাতে জরুরি বৈঠক ডাকেন প্রধান উপদেষ্টা এবং তাতে আওয়ামী লীগের বিষয়ে এমন সিদ্ধান্ত আসে।

ট্যাগ :

বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলোনা সাবরাংয়ের আনিসের

বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ১১:৪৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সাময়িক নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শনিবার (১০ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বৈঠক শেষে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

বিফ্রিংয়ে আসিফ নজরুল বলেছেন, ‘সভায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনের সংশোধনী অনুমোদিত হয়েছে। সংশোধনী অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কোনও রাজনৈতিক দল, তার অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীকে শাস্তি দিতে পারবে।

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে সাইবার স্পেস-সহ আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরিপত্র পরবর্তী কর্মদিবসে জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া, আজকের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে জুলাই ঘোষণাপত্র আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত করে প্রকাশ করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে বলে জানান আসিফ নজরুল।

ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে বিভিন্ন দল ও মহল থেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি আসছিল। এর মধ্যে গত বুধবার মধ্যরাতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ থাইল্যান্ডে গেলে নতুন করে দলটির নিষিদ্ধের দাবিতে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তাদের কর্মসূচিতে বিভিন্ন দল ও প্ল্যাটফর্ম যোগ দেয়। তারইপ্রেক্ষিতে রাতে জরুরি বৈঠক ডাকেন প্রধান উপদেষ্টা এবং তাতে আওয়ামী লীগের বিষয়ে এমন সিদ্ধান্ত আসে।