ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর বসছে শনিবার- লালদীঘিতে জমবে বৈশাখী মেলা সহকারী বন সংরক্ষক শাহীনুর ইসলামের বিবৃতি রামুতে সড়ক সংস্কারে ঠিকাদার-এলজিইডি কর্তার অনিয়ম, কাজ শেষ হওয়ার আগেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গলায় ফাঁস দিয়ে নারীর আত্মহত্যা কুতুবদিয়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন  মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বনভূমিতে নতুন করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান উচ্ছেদ উখিয়ায় পরিবেশ ও বন অপরাধ দমনে প্রশাসনের অভিযান: ৩ লাখ টাকা জরিমানা, ড্রেজার জব্দ টেকনাফের জেলেপল্লীতে অগ্নিদুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন শাহজাহান চৌধুরী হ্নীলায় সহায়তা প্রদানকালে জেলা জামায়াত আমীর আনোয়ারী -অবিলম্বে নাফ নদী খুলে দিন ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা মেরিন ড্রাইভে ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ গেল পর্যটকের টেকনাফে পিস্তলসহ সিএনজি চালক আটক কক্সবাজারে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল কক্সবাজারে পর্যাপ্ত বিমান শক্তি থাকলে রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টি হত না: সেনাপ্রধান আজ বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস

মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে

ছবি: রহিম উদ্দিন

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এবারে ৬৫ দিনের সময়সীমা কমিয়ে ৫৮ দিন নির্ধারণ করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার সময় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা হয়েছে।

মাছের বংশবিস্তার, বেড়ে ওঠা ও টেকসই আহরণের জন্য প্রতিবছর মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে। তবে নিষেধাজ্ঞা এক মাস এগিয়ে আনাতে বিপাকে পড়েছেন জেলে ও ট্রলার মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ বছর জলদস্যুদের উৎপাতে তেমন বেশি মাছ আহরণ করতে পারেননি জেলেরা। সব কিছু মিলে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। এছাড়া জেলেরা যে সরকারি সহায়তা পায়, তাও অপ্রতুল। এমনটাই জানান জেলেরা।

প্রতিবছর বাংলাদেশের জলসীমায় এই নিষেধাজ্ঞা থাকে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই অর্থাৎ ৬৫ দিন। আর ভারতের জলসীমায় তা থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন। ৬১ দিন। জেলেদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার মধ্যে প্রায় ৩৯ দিন ভারতীয় জেলেরা দেদারসে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ ধরে নিয়ে যান। এতে দেশের লাখ লাখ জেলেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

সরকার মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পুনর্বিন্যাস করে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, ভারতের নিষেধাজ্ঞো বলবৎ থাকার দুদিন আগেই বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়ে যাবে।

মাছ আহরনে নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় প্রকৃত জেলেদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনা ও নিষেধাজ্ঞা কমানোর দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর বসছে শনিবার- লালদীঘিতে জমবে বৈশাখী মেলা

মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এবারে ৬৫ দিনের সময়সীমা কমিয়ে ৫৮ দিন নির্ধারণ করার পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার সময় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা হয়েছে।

মাছের বংশবিস্তার, বেড়ে ওঠা ও টেকসই আহরণের জন্য প্রতিবছর মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকবে। তবে নিষেধাজ্ঞা এক মাস এগিয়ে আনাতে বিপাকে পড়েছেন জেলে ও ট্রলার মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ বছর জলদস্যুদের উৎপাতে তেমন বেশি মাছ আহরণ করতে পারেননি জেলেরা। সব কিছু মিলে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। এছাড়া জেলেরা যে সরকারি সহায়তা পায়, তাও অপ্রতুল। এমনটাই জানান জেলেরা।

প্রতিবছর বাংলাদেশের জলসীমায় এই নিষেধাজ্ঞা থাকে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই অর্থাৎ ৬৫ দিন। আর ভারতের জলসীমায় তা থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন। ৬১ দিন। জেলেদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার মধ্যে প্রায় ৩৯ দিন ভারতীয় জেলেরা দেদারসে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ ধরে নিয়ে যান। এতে দেশের লাখ লাখ জেলেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

সরকার মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা পুনর্বিন্যাস করে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, ভারতের নিষেধাজ্ঞো বলবৎ থাকার দুদিন আগেই বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়ে যাবে।

মাছ আহরনে নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় প্রকৃত জেলেদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনা ও নিষেধাজ্ঞা কমানোর দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।