কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কক্সবাজার পৌর শহর এবং আশপাশের ইউনিয়নগুলো থেকে বিভিন্ন অ/প/রা/ধে জড়িত এসব ব্যক্তিকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মা/দ/ক/সে/ব/নকারী ১৮ জন হলেন দক্ষিণ টেকপাড়ার মো. আবু তালেব, দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ার একরামুল হক খোকন, খুরুশকুলের মাঝের ডেইলের জয়নাল আবেদীন, মনুপাড়ার কাদের হোসেন, কুলিয়াপাড়ার আবদুল্লাহ, কুলিয়াপাড়ার মো. আলী হোসেন, সমিতিপাড়ার সোহেল, সমিতিপাড়ার মো. সোহেল, লাইট হাউজের মো. ইমন, ভারুয়াখালীর শিবলু চৌধুরী সিফাত, পশ্চিম বাহারছড়ার মো. হেলাল উদ্দিন, মোহাজেরপাড়ার মো. ইউসুফ, সাতকানিয়ার মেম্বারঘাটার বর্তমানে কালুর দোকান এলাকার মো. নাসির ওরফে নাছির উদ্দিন, পূর্ব লাহারপাড়ার হামিদ হোসেন বাপ্পি, পূর্ব লাহারপাড়ার রনি, পেকুয়ার চৈরভাংগার কাইছার উদ্দিন বাবু, উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প-ওয়ান ইস্টের জান্নাত উল্লাহ এবং একই ক্যাম্পের মোস্তফা। এছাড়া ধর্তব্য অ/প/রা/ধে খুরুশকুল আশ্রয় প্রকল্পের আশরাফুল ইসলাম সাগর, টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন পল্লানপাড়ার বর্তমানে কালুর দোকান এলাকার জসিম উদ্দিন এবং উখিয়ার কুতুপালংয়ের বাবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ধর্তব্য অ/প/রা/ধে গ্রেপ্তার জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে এর আগে ৩০ অক্টোবর টেকনাফ থানায় পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় একটি সাধারণ ডায়েরি অন্তর্ভুক্ত ছিল। পাশাপাশি বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আরও ৬ জন আসামিকে আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন টেকপাড়ার ইকবাল হোসেন, মধ্যম বাহারছড়ার মো. সেলিম রেজা, খুরুশকুল তেতৈয়া সওদাগরপাড়ার মোহাম্মদ ওমর হাছান, খুরুশকুল পূর্ব হামজার ডেইলের আনছারুল করিম, ভারুয়াখালীর মিজানুর রহমান এবং নতুন বাহারছড়ার মোহাম্মদ হারুন মিয়া।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 


















