গত ২১ অক্টোবর বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত কক্সবাজারের চকরিয়ায় ডেকে এনে এক দোকান কর্মচারীকে মারধর ও প্রায় ৫ ঘন্টা আটকে রাখা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও মিথ্যা দাবি করেন।এবং প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে এবং পাওনা টাকা না দিতে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবী করেন।
এক প্রতিবাদ লিপিতে তিনি বলেছেন-২০১৩ সাল থেকে যুবক আরাফাতের সাথে মধুর সম্পর্ক ছিলো।সম্পর্কের কারনে বিশ্বাস করে তার সাথে ব্যবসা শুরু হয়।কিন্তু নানা ভাবে ব্যবসার নামে প্রতারণা ও মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আমার সম্মান ক্ষুন্ন
এবং তার কাছথেকে পাওনা টাকা না দিতে নাটক সাজাবে ভাবতে পারেনি।
যুবক আরাফাত লোক মারফতে আমার সাথে যোগাযোগ করতে চকরিয়া আসে এবং তার মামা ফয়েজ উল্লাহ, ভাই মোজাম্মেল ও সাজ্জাদের প্রতারণা মোকাবেলার জন্য ২০/১০/২০২৬ইং আমাকে স্বেচ্ছায় কিছু ডকুমেন্টস দেয় এবং সন্ধ্যা ৭ঃ৩০ মিনিট থেকে ৭ঃ৫০ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয় আলোচনা হয়। আমার কাছ থেকে তিনি হাসিমুখে বিদায় নেন। পরবর্তীতে তিনি কোথায়, কিভাবে আহত হয়, সেই ঘটনার সাথে আমার কোনো বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। অতএব সংবাদে উল্লেখিত আমি কর্তৃক তাকে ৫ ঘন্টা আটকে রেখে মারধরের ঘটনাটি সম্পূর্ণ হাস্যকর ও অবান্তর বটে। তাছাড়া মারধরের ঘটনাটি চকরিয়ার কোন স্থানে, কিভাবে সংঘটিত হয়েছে; তাও সুস্পষ্ট উল্লেখ নেই।বরংচ, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মারধরের মতো একটি নাটকীয় ঘটনা উপস্থাপন করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।যদি আমরা তার সাথে কোন প্রকার দূর্ব্যবহার কিংবা মারধর করে থাকি আপনারা পৌরসভার সিসি টিভি ক্যামেরা দেখতে পারেন।তার অভিযোগটি ভিত্তিহীন,বিভ্রান্ত মূলক।
অতএব বিষয়টি নিয়ে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ রইল।
প্রতিবাদকারী-
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
ফোন:0 1617-561091
ঈদগাঁও,কক্সবাজার।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 
























