নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দেশের অত্যন্ত আলোচিত ও সংবেদনশীল এই তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিচারিক আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগের রায় সম্পন্ন হলেও দীর্ঘদিন ধরে মামলাগুলো আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের চলমান অবকাশকালীন ছুটি শেষ হলেই আদালত খোলার পর মামলাগুলোর আপিল দ্রুত শুনানির প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৪ সালের এপ্রিলের নারায়গঞ্জের চাঞ্চল্যকর সাত খুন মামলায় ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া ২৬ জন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মধ্যে ১৫ জনের সর্বোচ্চ সাজা বহাল রাখা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এ রায়টির চূড়ান্ত আপিল নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
অন্যদিকে ২০২০ সালের ৩১ জুলাই কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলায় ২০২৫ সালের ২ জুন হাইকোর্ট চূড়ান্ত রায় দেন। হাইকোর্টের রায়ে টেকনাফ থানার তৎকালীন বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। সেই রায়টিও বর্তমানে আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এ ছাড়া ২০১৯ সালের অক্টোবরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। তাতে বিচারিক আদালতের দেওয়া ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। এ মামলাটিও আপিল বিভাগে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির প্রহর গুনছে। ছুটি শেষে আপিল বিভাগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই মামলাগুলোর চূড়ান্ত শুনানি শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে রাষ্ট্রপক্ষ।
টিটিএন ডেস্ক 





















