ইন্দোনেশিয়ার বালি, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার রিসোর্টের সঙ্গে তুলনা করে কক্সবাজারের উখিয়ার টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টের প্রচারণামূলক ভিডিও তৈরি করেছিলেন ভ্রমণবিষয়ক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর জান্নাত। শনিবার রিসোর্টটিতে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর পর পুরোনো ভিডিওগুলো সরিয়ে নিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
‘জান্নাত দ্য লুনাটিক ট্রাভেলার’ নামের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিওগুলো প্রকাশ করেছিলেন জান্নাত। তাঁর ফেসবুক পেজে প্রায় চার লাখ অনুসারী রয়েছেন।
নিজের ফেসবুক পোস্টে জান্নাত বলেন, ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা আর কোনো প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এক বিষয় নয়। রিসোর্টের অগ্নিনিরাপত্তা, ভবনের কাঠামো ও অনুমোদন সম্পর্কে কারিগরি তদন্ত করা কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের পক্ষে সম্ভব নয়।
তবে তাঁদের কনটেন্ট মানুষের ভ্রমণের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে—এ কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, দর্শকদের প্রতি নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকেই পুরোনো প্রচারণামূলক ভিডিওগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে ভ্রমণ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়েও আরও সচেতন থাকার চেষ্টা করবেন তাঁরা।
এদিকে ভিডিও তৈরি করে রিসোর্টটিকে উচ্চমানের হিসেবে তুলে ধরার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছেন জান্নাত। প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত ২৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে টুপটুপের প্রচারণায় লেখা ছিল, ‘মালয়েশিয়া-বালি-থাইল্যান্ড নয়, বাংলাদেশেই রয়েছে কমফি একটি রিসোর্ট।’
শনিবারের অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যু হয়। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জানিয়েছেন, রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তার ছাড়পত্র ছিল না। গত জুনে পরিদর্শনের পর স্থাপনাটিকে অনিরাপদ উল্লেখ করে সতর্কতামূলক নোটিশও দেওয়া হয়েছিল।
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক 


















