কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় শত শত মানুষের সাথে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে রামুর চিহ্নিত প্রতারক আব্দুল্লাহ মামুন (পিতা: কামাল উদ্দিন, সাং: রাজারকুল) এবং তার স্ত্রী-কে গ্রেফতার করেছে রামু থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নির্দেশে তাদের আদালতের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগে জানা যায়, প্রতারক আব্দুল্লাহ আল মামুন রামু ও কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলার সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ পরিবারগুলোকে নানা মিথ্যা আশ্বাস ও প্রকল্পের প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। কেবল ব্যক্তি পর্যায় নয়, তার প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পায়নি বিভিন্ন মাদ্রাসা, স্কুলসহ নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। সে মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন, ঘর নির্মাণ, টিউবওয়েল বসানো, কুয়েতে ইমাম মোয়াজ্জিন নিযোগ এবংবিভিন্ন দেশের ভিসা ও সরকারি চাকুরী দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে প্রায় ১৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নে
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অন্তত ১৬টি প্রতারণা মামলা ঝুলছে।
যেখানে থাকে ১৪ টি মামলার গ্রেফতার দেখিয়েছেন রামু থানা পুলিশ।
একই সাথে তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস কেউ ৩ টি প্রতারণা মামলা গ্রেফতার দেখিয়েছেন।
এদিকে, আব্দুল্লাহ মামুন ও তার স্ত্রী কারাগারে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। যাদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাদের নিজ নিজ কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট গুছিয়ে আগামী রবিবারের মধ্যে কক্সবাজার আদালতে মামলা ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























