ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় কঠোর সেনাবাহিনী, মোড়ে মোড়ে তল্লাশি ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং হলে ফলাফল না মানার হুঁশিয়ারি মির্জা আব্বাসের একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন শাহজাহান ও আনোয়ারী ভোট দিলেন সেনাপ্রধান আজকের দিনটিকে আমরা জাতির জন্মদিন হিসেবে পালন করতে পারি : প্রধান উপদেষ্টা রামুতে ভোট কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে বিএনপি নেতা আটক ভোট প্রদান শেষে লুৎফুর রহমান কাজল- জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী কেন্দ্রে জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু আমরা সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে: নাহিদ ইসলাম ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে সৌহার্দ্য, জামায়াত আমির-বিএনপি প্রার্থীর আলিঙ্গন ভোট দিলেন তারেক রহমান ‘ ইতিহাসের বাঁক বদলানো শুরু’ – সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার -০৪: উখিয়া-টেকনাফের ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার -০৩: সদর-রামু-ঈদগাঁওর ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার-০২: মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি

উখিয়ায় হাটবাজারের ইজারা মূল্য দশবছরে বেড়েছে ২০৪৫ গুণ! বেশির ভাগই চলে সাব-লিজে

ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা উখিয়ার ৫ ইউনিয়নে সরকারি হাটবাজার রয়েছে ১০টি। এসব হাটবাজারের ১৪৩২ বাংলা সনের ইজারা দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন।

১৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ঐ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, এবার সর্বোচ্চ ইজারা দর ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৫ শত ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে রাজাপালং ইউপির কুতুপালং হাটবাজারের।

অথচ ২০১৫ সালে অর্থাৎ ১৪২২ বঙ্গাব্দে এই বাজারের ইজারা দর ছিলো মাত্র ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩ শত ৩৪ টাকা, সে হিসেবে এবার প্রায় ৪৮ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া বাজারটির মূল্য।

শুধু কুতুপালংই নয়, উপজেলার অন্যান্য বাজারগুলোর মূল্য বেড়েছে আনুপাতিক হারে।

এবার রাজাপালংয়ের ইউপিস্থ উখিয়া সদরের দারোগাবাজারের সরকারি মূল্য ১ কোটি ৪৪ লাখ ৫১ হাজার ৬ শত ৮৯ লাখ টাকা, ২০১৫ সালে এই মূল্য ছিলো ২২ লাখ ৪৮ হাজার ৬ শত ৬৭ টাকা।

পালংখালী ইউপির বালুখালী বাজার, চট্টগ্রাম বিভাগের সব সরকারি বাজারের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধিতে করেছে রেকর্ড। আদালতের নিষেধাজ্ঞায় ১৪৩১ বঙ্গাব্দে এই বাজারটির ইজারা বন্ধ থাকলেও এবার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৫৬ হাজার ৩ শত ৭৩ টাকা।

২০১৫ সালে মাত্র ৮ হাজার ৭ শত ৩৪ টাকা দর থাকা বালুখালী বাজারের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে ২ হাজার ৪৫ গুণ।

প্রতিবারই ইজারার শর্তাবলীতে উল্লেখ থাকে কোনভাবেই বাজারগুলোতে সাব-লিজ দেওয়া যাবে না, বাস্তবে এই চিত্র ভিন্ন।

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইজারা নিয়ে প্রভাবশালীরা কাঁচাবাজার,মাছবাজার সহ নানা অংশে ভাগ করে চড়া মূল্যে বিক্রি করেন ইজারাদাররা।

এই অনিয়মের কারণে নির্ধারিত ইজারার চেয়ে বেশি টাকা আদায় করা হয় বাজারের ব্যবসায়ীদের থেকে , ঘুরেফিরে যার ভুক্তভোগী হতে হয় সাধারণ ভোক্তাদেরই।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ” দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত শর্তাবলি মানতে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এবার প্রথমধাপে দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে শিডিউল বিক্রির শেষ সময় নির্ধারণ করা দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ ২০২৫ এর বেলা ৩ টা ৩০ পর্যন্ত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় কঠোর সেনাবাহিনী, মোড়ে মোড়ে তল্লাশি

This will close in 6 seconds

উখিয়ায় হাটবাজারের ইজারা মূল্য দশবছরে বেড়েছে ২০৪৫ গুণ! বেশির ভাগই চলে সাব-লিজে

আপডেট সময় : ১১:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা উখিয়ার ৫ ইউনিয়নে সরকারি হাটবাজার রয়েছে ১০টি। এসব হাটবাজারের ১৪৩২ বাংলা সনের ইজারা দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন।

১৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ঐ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, এবার সর্বোচ্চ ইজারা দর ২ কোটি ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৫ শত ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে রাজাপালং ইউপির কুতুপালং হাটবাজারের।

অথচ ২০১৫ সালে অর্থাৎ ১৪২২ বঙ্গাব্দে এই বাজারের ইজারা দর ছিলো মাত্র ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩ শত ৩৪ টাকা, সে হিসেবে এবার প্রায় ৪৮ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া বাজারটির মূল্য।

শুধু কুতুপালংই নয়, উপজেলার অন্যান্য বাজারগুলোর মূল্য বেড়েছে আনুপাতিক হারে।

এবার রাজাপালংয়ের ইউপিস্থ উখিয়া সদরের দারোগাবাজারের সরকারি মূল্য ১ কোটি ৪৪ লাখ ৫১ হাজার ৬ শত ৮৯ লাখ টাকা, ২০১৫ সালে এই মূল্য ছিলো ২২ লাখ ৪৮ হাজার ৬ শত ৬৭ টাকা।

পালংখালী ইউপির বালুখালী বাজার, চট্টগ্রাম বিভাগের সব সরকারি বাজারের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধিতে করেছে রেকর্ড। আদালতের নিষেধাজ্ঞায় ১৪৩১ বঙ্গাব্দে এই বাজারটির ইজারা বন্ধ থাকলেও এবার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৫৬ হাজার ৩ শত ৭৩ টাকা।

২০১৫ সালে মাত্র ৮ হাজার ৭ শত ৩৪ টাকা দর থাকা বালুখালী বাজারের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে ২ হাজার ৪৫ গুণ।

প্রতিবারই ইজারার শর্তাবলীতে উল্লেখ থাকে কোনভাবেই বাজারগুলোতে সাব-লিজ দেওয়া যাবে না, বাস্তবে এই চিত্র ভিন্ন।

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইজারা নিয়ে প্রভাবশালীরা কাঁচাবাজার,মাছবাজার সহ নানা অংশে ভাগ করে চড়া মূল্যে বিক্রি করেন ইজারাদাররা।

এই অনিয়মের কারণে নির্ধারিত ইজারার চেয়ে বেশি টাকা আদায় করা হয় বাজারের ব্যবসায়ীদের থেকে , ঘুরেফিরে যার ভুক্তভোগী হতে হয় সাধারণ ভোক্তাদেরই।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ” দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত শর্তাবলি মানতে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এবার প্রথমধাপে দরপত্র বিজ্ঞপ্তিতে শিডিউল বিক্রির শেষ সময় নির্ধারণ করা দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ ২০২৫ এর বেলা ৩ টা ৩০ পর্যন্ত।