প্রখর রোদে দুই দলের লড়াই দেখতে মাঠে ছিল দর্শকদের উপচেপড়া ভিড়। পুরো ম্যাচজুড়ে দর্শকপূর্ণ গ্যালারি থেকে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ও করতালিতে মুখর ছিল পুরো মাঠ। সেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে টাইব্রেকারে মাতামুহুরি উপজেলা ফুটবল দলকে হারিয়ে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে উখিয়া উপজেলা খেলোয়াড় সমিতি ফুটবল দল।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকাল ৩ টায় অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেললেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত সময়ের খেলা।
পরে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ চলে যায় টাইব্রেকারে। সেখানে উখিয়া উপজেলা দলের খেলোয়াড়রা ঠান্ডা মাথায় নিজেদের শটগুলো কাজে লাগিয়ে জয় নিশ্চিত করেন।
অন্যদিকে মাতামুহুরি উপজেলার খেলোয়াড়দেরও চেষ্টার কমতি ছিল না। তবে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে উখিয়ার গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় তাদের সেমিফাইনালের স্বপ্ন ভেঙে যায়।
উখিয়ার গোলরক্ষক হিরু দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখান। মাতামুহুরি উপজেলার সৈনিক ও বেলালের নেওয়া বল সেইভ করে দেন হিরু। তাঁর অসাধারণ দুটি সেইভেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় উখিয়ার। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে মাতামুহুরিকে হারিয়ে উখিয়া উপজেলা দল সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে।
জয়ের পর উখিয়ার খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। দলের হয়ে পুরো ম্যাচে আকিব, দেলোয়ার ও সেরু চমৎকার খেলা প্রদর্শন করেন। মাঠজুড়ে তাদের দারুণ পারফরম্যান্সে উখিয়ার আক্রমণভাগ ছিল বেশ সক্রিয়।
এ জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে আরো একধাপ এগিয়ে গেল উখিয়া। আগামী ২ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩ টায় চকরিয়া উপজেলার সাথে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে উখিয়া উপজেলা।
খেলা শেষে উখিয়া উপজেলার গোলকিপার হিরু সিকদারের হাতে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরস্কার তুলে দেন আয়োজক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।
খেলা পরিচালনা করেন, প্রধান রেফারী পলাশ কান্তি দে,
সহকারী রেফারী সুমন কান্তি দে, কানন শর্মা ও আহমদ কবির। ম্যাচ কমিশনার ছিলেন সুবীর বড়ুয়া ভুলু।
৩১ আগস্ট (সোমবার) বিকাল ৩ টায় প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে টেকনাফ উপজেলা বনাম রামু উপজেলা খেলোয়াড় সমিতি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















