ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অসহিষ্ণু সমাজের আয়নায় আমরা রোনালদো বললেন, মেসিই সর্বকালের সেরা হজের খরচ কমাতে উদ্যোগ নেওয়া হবে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের সমঝোতার পরই হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল ইরানের ১১ জাহাজ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী শিশু ওয়াহিদ হ-ত্যা: বিক্ষোভে ফুঁসছে চকরিয়া, আসামিদের পক্ষে দাঁড়াবে না আইনজীবীরা কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত মিয়ানমার-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেবে বাংলাদেশ: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়াবা পাচারের সময় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ঈদগাঁওয়ের যুবকের মৃত্যু, আহত ১ কুতুবদিয়ায় জামায়াত আমীর আনোয়ারী – ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা পালন করতে হবে” চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যার রায় : ১ মাসের মধ্যে ফাঁসি কার্যকর চায় পরিবার আপত্তিকর ভিডিও প্রচারের অভিযোগে কক্সবাজার সিটি কলেজের শিক্ষার্থী বহিষ্কার জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী মেসিকে কি লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল

ভালোবাসার সপ্তাহে টেডি ডে পালন করা হয় কেন?

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:১৬:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 527

ভালোবাসার সপ্তাহের চতুর্থ দিনটি হচ্ছে টেডি ডে। প্রেমিক-প্রেমিকা বা কাপলরা একে অন্যকে টেডি বিয়ার উপহার দেন। তবে কখনো কি মনে হয়েছে আপনার যে, কেন টেডি বিয়ার পুতুলের জন্য ভালোবাসা দিবসে একটা দিন রাখা হলো, অন্য কোনো পুতুল নয় কেন?

টেডি ডে’র সঙ্গে অনেকটাই জড়িয়ে আছে টেডির গল্প। টেডি উপহার হিসেবে খুব বেশি দিন বিখ্যাত হয়নি। গত শতক থেকে এটি উপহার হিসেবে জনপ্রিয় হয়। কিন্তু তার পেছনে আছে এক গল্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেই গল্পের নায়ক।

বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশ শতকের গোড়ার দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট একবার শিকারে যান। তখন রুজভেল্টের সহকারীরা একটি কালো ভালুক ধরে গাছের সঙ্গে বেঁধে দেয়। সেটিকে গুলি করার জন্য সঙ্গীরা পরামর্শ দেন প্রেসিডেন্টকে। তবে রুজভেল্ট বিষয়টিকে একেবারেই পছন্দ করেননি।

ভাল্লুককে দেখে মত বদলে ফেলেন তিনি। এরপর ভাল্লুকটিকে ছেড়ে দেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি। থিওডোরের এই ঘটনার কথা সঙ্গে সঙ্গে রটে যায়। একজন রাজনৈতিক কার্টুনিস্ট ক্লিফোর্ড বেরিম্যান রুজভেল্টের এ ঘটনাটি সংবাদপত্রে পড়েন। তিনি ওই ঘটনার একটি ব্যঙ্গচিত্র আঁকেন। বেরিম্যানের কার্টুনটি ওয়াশিংটন পোস্টে ১৬ নভেম্বর ১৯০২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

এরপর ব্যবসায়ী মরিস মিচটম ও তার স্ত্রী রোজ ভালুকের মতো একটি খেলনা তৈরি করেন এ ব্যঙ্গচিত্র দেখে। আর সেটি রাষ্ট্রপতির জন্য উৎসর্গ করেন। তারা এটিকে ‘টেডির বিয়ার’ হিসেবে তখন নামকরণ করেন।

রুজভেল্টের নাম ব্যবহারের যখন অনুমতি পান মিচটম; তখন টেডি বিয়ার প্রচুর জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এদিকে ব্যবসায়ে লাভবান হয়ে রাশিয়ান ব্যবসায়ী মিচটম শিগগির আইডিয়াল টয় সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যা মিচটমের মৃত্যুর পরে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম পুতুল তৈরির প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

টেডির চেহারার মধ্যে আছে এক নিষ্পাপ আদুরে ভাব। যে কারণে ব্যক্তিগত সম্পর্কে জায়গা করে নিল উপহার। কিশোরী, তরুণীদের মধ্যে টেডি প্রেম অচিরে বাড়তে থাকে। আর সেই থেকে প্রেমের একটি মিষ্টি উপহার টেডি। টেডি ডে’র সেই উপহারের জন্য বরাদ্দ একটি দিন। এদিন চাইলে সঙ্গী রং-বেরঙের টেডি উপহার দিতে পারেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অসহিষ্ণু সমাজের আয়নায় আমরা

ভালোবাসার সপ্তাহে টেডি ডে পালন করা হয় কেন?

আপডেট সময় : ০৮:১৬:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ভালোবাসার সপ্তাহের চতুর্থ দিনটি হচ্ছে টেডি ডে। প্রেমিক-প্রেমিকা বা কাপলরা একে অন্যকে টেডি বিয়ার উপহার দেন। তবে কখনো কি মনে হয়েছে আপনার যে, কেন টেডি বিয়ার পুতুলের জন্য ভালোবাসা দিবসে একটা দিন রাখা হলো, অন্য কোনো পুতুল নয় কেন?

টেডি ডে’র সঙ্গে অনেকটাই জড়িয়ে আছে টেডির গল্প। টেডি উপহার হিসেবে খুব বেশি দিন বিখ্যাত হয়নি। গত শতক থেকে এটি উপহার হিসেবে জনপ্রিয় হয়। কিন্তু তার পেছনে আছে এক গল্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেই গল্পের নায়ক।

বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশ শতকের গোড়ার দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট একবার শিকারে যান। তখন রুজভেল্টের সহকারীরা একটি কালো ভালুক ধরে গাছের সঙ্গে বেঁধে দেয়। সেটিকে গুলি করার জন্য সঙ্গীরা পরামর্শ দেন প্রেসিডেন্টকে। তবে রুজভেল্ট বিষয়টিকে একেবারেই পছন্দ করেননি।

ভাল্লুককে দেখে মত বদলে ফেলেন তিনি। এরপর ভাল্লুকটিকে ছেড়ে দেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি। থিওডোরের এই ঘটনার কথা সঙ্গে সঙ্গে রটে যায়। একজন রাজনৈতিক কার্টুনিস্ট ক্লিফোর্ড বেরিম্যান রুজভেল্টের এ ঘটনাটি সংবাদপত্রে পড়েন। তিনি ওই ঘটনার একটি ব্যঙ্গচিত্র আঁকেন। বেরিম্যানের কার্টুনটি ওয়াশিংটন পোস্টে ১৬ নভেম্বর ১৯০২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

এরপর ব্যবসায়ী মরিস মিচটম ও তার স্ত্রী রোজ ভালুকের মতো একটি খেলনা তৈরি করেন এ ব্যঙ্গচিত্র দেখে। আর সেটি রাষ্ট্রপতির জন্য উৎসর্গ করেন। তারা এটিকে ‘টেডির বিয়ার’ হিসেবে তখন নামকরণ করেন।

রুজভেল্টের নাম ব্যবহারের যখন অনুমতি পান মিচটম; তখন টেডি বিয়ার প্রচুর জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এদিকে ব্যবসায়ে লাভবান হয়ে রাশিয়ান ব্যবসায়ী মিচটম শিগগির আইডিয়াল টয় সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যা মিচটমের মৃত্যুর পরে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম পুতুল তৈরির প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।

টেডির চেহারার মধ্যে আছে এক নিষ্পাপ আদুরে ভাব। যে কারণে ব্যক্তিগত সম্পর্কে জায়গা করে নিল উপহার। কিশোরী, তরুণীদের মধ্যে টেডি প্রেম অচিরে বাড়তে থাকে। আর সেই থেকে প্রেমের একটি মিষ্টি উপহার টেডি। টেডি ডে’র সেই উপহারের জন্য বরাদ্দ একটি দিন। এদিন চাইলে সঙ্গী রং-বেরঙের টেডি উপহার দিতে পারেন।