ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন আলোচনায় কারা?  / উখিয়ায় ৬ বছর ধরে ‘মেয়াদউর্ত্তীণ’ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি  চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা, জড়িতদের শাস্তি দাবি অভিযুক্ত ডিবি কার্যালয়ে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে র‍্যাব ​টেকনাফে তরুণদের কারিগরি দক্ষতা মেলা ও ট্যালেন্ট হান্ট অনুষ্ঠিত কুতুবদিয়ায় ভূমি বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা সম্পন্ন চকরিয়ায় পৃথক ঘটনায় একদিনে তিনজনের মৃত্যু রামিসার বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী ঈদগাঁওতে ৩টি কামানের গোলা উদ্ধার শিশু রামিসার বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে জেলা তথ্য অফিসের প্রচার কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিং  ক্যারিয়ারের ৭টি ফাইনালেই অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন এমি মার্টিনেজ লামায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ভস্মীভূত, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় আড়াই লাখ টাকা লামায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ভস্মীভূত, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় আড়াই লাখ টাকা খুটাখালীতে ইয়াবার চালান নিয়ে পালাতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু উখিয়ায় মহাসড়কে পশু হাট, শর্ত লঙ্ঘন করে অনুমোদন দিলেন ইউএনও!

“এত সহজ নয় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন”

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে মিয়ানমার রাজি হয়েছে বলে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে রাখাইন রাজ্যের বেশিরভাগ অঞ্চল এখন মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। এই কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এত সহজ নয় বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে জানানোর পর থেকে বিষয়টি নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গারাও এ বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত দিচ্ছেন।

ক্যাম্প-১-এ বসবাসরত রোহিঙ্গা মোহাম্মদ হোসেন বলেন, তারা রোহিঙ্গা হিসেবে স্বীকৃতি ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন চান। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে, যখন তাদের দেশে ভয়াবহ সংঘর্ষ চলছে এবং তাদের আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ভাই-বোনরা মহা বিপদে রয়েছেন, তখন তিনি নিশ্চিত নন কীভাবে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

আরেকজন রোহিঙ্গ মাওলানা আবদুল হামিদ বলেন, “আমরা অনেক খুশি যে বাংলাদেশ সরকার আমাদের নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছে। তবে আমরা বাংলাদেশ সরকারের দয়ায় বেঁচে থাকতে চাই না, আমরা মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন চাই। কারণ আমাদের জীবন এই ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে আটকে আছে। বর্তমানে জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই রাখাইন রাজ্যে, তাহলে প্রত্যাবাসন কীভাবে সম্ভব?”

দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ও মিয়ানমারের সংঘর্ষ নিয়ে কাজ করা সাংবাদিক তানভীরুল মিরাজ রিপন টিটিএন-কে বলেন, “রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এত সহজ বিষয় নয়। আমি এর বিরোধিতা করছি। প্রথমত, রাখাইনে মিয়ানমার জান্তার কোনো অস্তিত্ব নেই। বিশেষ করে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত বুথিডং, রাথিডংসহ এলাকাগুলো শতভাগ আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন বাংলাদেশ যদি মিয়ানমার মিলিটারির সঙ্গে এ ধরনের আলোচনা চালিয়ে একটি জনপ্রিয় বক্তব্য তৈরি করতে চায়, তাহলে এটি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান হবে না। ২০২৩ সালে, যখন মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর আমন্ত্রণে একদল রোহিঙ্গাকে রাখাইন পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তখন তারা টেকনাফ জেটিতে ফিরে এসে বলেছিলেন যে সেখানে তাদের জন্য নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তারা সেখানে যেতে রাজি নন। এই কারণে আমি বলছি, এটি বাংলাদেশকে বিভ্রান্ত করার একটি কৌশল মাত্র।”

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা আরেক সাংবাদিক সৌরভ দেব বলেন, “বিশ্বাস করুন, এটি সম্ভব নয়, কখনোই সম্ভব নয়। আরাকান অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ কার্যত মিয়ানমারের জান্তার হাতে নেই। ওই ভূখণ্ডের ৯০% এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। এমন পরিস্থিতিতে জান্তা কীভাবে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসন করবে? কোথায় করবে? আরাকান আর্মি কী বসে বসে দেখবে? সব বাদ দিলেও, জাতিসংঘের প্রত্যাবাসন নীতি কী বলে? এমন যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে ‘প্রত্যাবাসন’ করা যায়? জাতিসংঘ কি এটি অনুমোদন দেবে? আইন বিষয়ে আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান অনুযায়ী বলছি—এটি সম্ভব নয়, সম্ভব নয় এবং সম্ভব নয়।”

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম টিটিএন-কে বলেন, “বর্তমানে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়। রাখাইনের পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল, যেখানে নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। সম্প্রতি জাতিসংঘের মহাসচিবও বলেছেন, রাখাইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই প্রত্যাবাসনের কথা বিবেচনা করা হবে। এখন সেখানে রোহিঙ্গাদের বসবাসের জন্য বাড়িঘর নেই। দ্বিতীয়ত, যেসব এলাকায় রোহিঙ্গাদের বসতি ছিল, সেসব এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রত্যাবাসন সম্ভব হবে? কখন, কীভাবে, কার ক্লিয়ারেন্সে তা সম্ভব হবে—এসবই অনিশ্চিত।”

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের সেনাবাহিনী উত্তর রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দমনপীড়ন শুরু করে। সেই দিন থেকে বাংলাদেশের উখিয়া এবং টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে থাকে রোহিঙ্গারা। জাতিসংঘের হিসেব মতে সে সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল সাত লাখের বেশী রোহিঙ্গা। দীর্ঘ আট বছর পর এসে নতুন পুরাতন মিলে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দাঁড়ায় সাড়ে বারো লাখে। তবে, বাস্তবে এর সংখ্যা আরো অনেক বেশী।

বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার চাপ সামাল দেয় বাংলাদেশ। রোহিঙ্গাদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্য নিয়ে অনেকটা এগিয়েছিল দুই দেশ। কিন্তু ওপারে আরাকান আর্মী ও মিয়ানমার জান্তা সরকারের সাথে চলমান যুদ্ধে সে দেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গারাও এখন অনেকটা ঘরছাড়া। পালিয়ে এসে আশ্রয় নিচ্ছে বাংলাদেশে। এতো কিছুর পরও নিরাপদ প্রত্যাবসন হলে নিজ দেশে ফিরতে চান বাংলাদেশে বসবাসকারী রোহিঙ্গারা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন আলোচনায় কারা?  / উখিয়ায় ৬ বছর ধরে ‘মেয়াদউর্ত্তীণ’ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি 

“এত সহজ নয় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন”

আপডেট সময় : ১০:০৮:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে মিয়ানমার রাজি হয়েছে বলে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে রাখাইন রাজ্যের বেশিরভাগ অঞ্চল এখন মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। এই কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এত সহজ নয় বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে জানানোর পর থেকে বিষয়টি নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গারাও এ বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত দিচ্ছেন।

ক্যাম্প-১-এ বসবাসরত রোহিঙ্গা মোহাম্মদ হোসেন বলেন, তারা রোহিঙ্গা হিসেবে স্বীকৃতি ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন চান। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে, যখন তাদের দেশে ভয়াবহ সংঘর্ষ চলছে এবং তাদের আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ভাই-বোনরা মহা বিপদে রয়েছেন, তখন তিনি নিশ্চিত নন কীভাবে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

আরেকজন রোহিঙ্গ মাওলানা আবদুল হামিদ বলেন, “আমরা অনেক খুশি যে বাংলাদেশ সরকার আমাদের নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছে। তবে আমরা বাংলাদেশ সরকারের দয়ায় বেঁচে থাকতে চাই না, আমরা মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন চাই। কারণ আমাদের জীবন এই ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে আটকে আছে। বর্তমানে জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই রাখাইন রাজ্যে, তাহলে প্রত্যাবাসন কীভাবে সম্ভব?”

দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ও মিয়ানমারের সংঘর্ষ নিয়ে কাজ করা সাংবাদিক তানভীরুল মিরাজ রিপন টিটিএন-কে বলেন, “রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এত সহজ বিষয় নয়। আমি এর বিরোধিতা করছি। প্রথমত, রাখাইনে মিয়ানমার জান্তার কোনো অস্তিত্ব নেই। বিশেষ করে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত বুথিডং, রাথিডংসহ এলাকাগুলো শতভাগ আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন বাংলাদেশ যদি মিয়ানমার মিলিটারির সঙ্গে এ ধরনের আলোচনা চালিয়ে একটি জনপ্রিয় বক্তব্য তৈরি করতে চায়, তাহলে এটি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান হবে না। ২০২৩ সালে, যখন মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর আমন্ত্রণে একদল রোহিঙ্গাকে রাখাইন পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তখন তারা টেকনাফ জেটিতে ফিরে এসে বলেছিলেন যে সেখানে তাদের জন্য নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তারা সেখানে যেতে রাজি নন। এই কারণে আমি বলছি, এটি বাংলাদেশকে বিভ্রান্ত করার একটি কৌশল মাত্র।”

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা আরেক সাংবাদিক সৌরভ দেব বলেন, “বিশ্বাস করুন, এটি সম্ভব নয়, কখনোই সম্ভব নয়। আরাকান অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ কার্যত মিয়ানমারের জান্তার হাতে নেই। ওই ভূখণ্ডের ৯০% এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। এমন পরিস্থিতিতে জান্তা কীভাবে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসন করবে? কোথায় করবে? আরাকান আর্মি কী বসে বসে দেখবে? সব বাদ দিলেও, জাতিসংঘের প্রত্যাবাসন নীতি কী বলে? এমন যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে ‘প্রত্যাবাসন’ করা যায়? জাতিসংঘ কি এটি অনুমোদন দেবে? আইন বিষয়ে আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান অনুযায়ী বলছি—এটি সম্ভব নয়, সম্ভব নয় এবং সম্ভব নয়।”

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম টিটিএন-কে বলেন, “বর্তমানে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়। রাখাইনের পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল, যেখানে নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। সম্প্রতি জাতিসংঘের মহাসচিবও বলেছেন, রাখাইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই প্রত্যাবাসনের কথা বিবেচনা করা হবে। এখন সেখানে রোহিঙ্গাদের বসবাসের জন্য বাড়িঘর নেই। দ্বিতীয়ত, যেসব এলাকায় রোহিঙ্গাদের বসতি ছিল, সেসব এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রত্যাবাসন সম্ভব হবে? কখন, কীভাবে, কার ক্লিয়ারেন্সে তা সম্ভব হবে—এসবই অনিশ্চিত।”

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের সেনাবাহিনী উত্তর রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দমনপীড়ন শুরু করে। সেই দিন থেকে বাংলাদেশের উখিয়া এবং টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে থাকে রোহিঙ্গারা। জাতিসংঘের হিসেব মতে সে সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল সাত লাখের বেশী রোহিঙ্গা। দীর্ঘ আট বছর পর এসে নতুন পুরাতন মিলে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দাঁড়ায় সাড়ে বারো লাখে। তবে, বাস্তবে এর সংখ্যা আরো অনেক বেশী।

বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার চাপ সামাল দেয় বাংলাদেশ। রোহিঙ্গাদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্য নিয়ে অনেকটা এগিয়েছিল দুই দেশ। কিন্তু ওপারে আরাকান আর্মী ও মিয়ানমার জান্তা সরকারের সাথে চলমান যুদ্ধে সে দেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গারাও এখন অনেকটা ঘরছাড়া। পালিয়ে এসে আশ্রয় নিচ্ছে বাংলাদেশে। এতো কিছুর পরও নিরাপদ প্রত্যাবসন হলে নিজ দেশে ফিরতে চান বাংলাদেশে বসবাসকারী রোহিঙ্গারা।