ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করল পুলিশ ট্রাম্পের নেভি-ব্লু স্যুট তৈরি নারায়ণগঞ্জের আদমজীতে সাগরে ১৩ অক্টোবরের মধ্যে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস শখের মাছ চাষে বিষ প্রয়োগ, লাখ টাকার ক্ষতি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের মৃত্যু হোয়াইক্যংয়ে ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে চালক নিহত, নারীসহ আহত ৫ আজ মহালয়া, দেবীপক্ষের সূচনায় শারদীয় দুর্গোৎসবের শুরু কক্সবাজারে বিপাকে সেই টুকু দ্য আগলি, স্কুটিতেও গুণেছেন ১৮ হাজার জরিমানা! সৌদি আরবে মৃত্যুর তিন সপ্তাহ পর দেশে এলো মনছুর আলমের মরদেহ, সকাল ১১টায় জানাজা গোমাতলী ভূমিহীন কৃষি সমবায় সমিতির নির্বাচন ঘিরে ইউএনওর ৮ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তিতে ৯ অক্টোবরের সংবাদ! কক্সবাজারের সমালোচনা হোক, অপপ্রচার নয় রামুতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার যৌতুকের বলি চকরিয়ার গৃহবধূ মরিয়ম অপপ্রচার দিয়ে সত্যকে আড়াল করা যাবে না-কচ্ছপিয়ার বিএনপি নেতা আবছার “কথা”আর কথা বলবে না

খুটাখালীতে জমি বিরোধ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

৮ই ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইং তারিখ শনিবারে Theterritorialnews.com-TTN এবং CHAKARIA EXPRESS নামক অনলাইন পোর্টালে খুটাখালীতে জমি বিরোধ নিয়ে যে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে তা আমার দৃষ্টিঘোচর হয়। প্রচারিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন।

মূলত দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরে মূলঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে অন্যায়ভাবে আমার পৈত্রিক সম্পত্তি দখলে নেওয়ার জন্য সাজ্জাদুল হক কে জড়িয়ে এই মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে।

মূলত জমির প্রকৃত মালিক আমার বাবা চাচারা যতাক্রমে নজীর আহমদ, কবির আহমদ, আবদু সোবহান সর্ব পিতা: নছরত আলী। তারই ধারাবাহিকতায় আমারা পৈতৃক সূত্রে এম আরা, আর এস, বিএস খতিয়ানের রেকর্ড মূলে এই লবন মাঠের মালিক হয়ে বিগত ৪০ বছরের অধিক সময় ধরে এই লবন মাঠ ভোগ দখল করে আসছে। এই ২ কানি তথা ৮০ শতক জমি ২০০৬ সাল থেকে আজ পর্যন্ত আমার চাষা শফিকুল ইসলাম চাষ করে আসছে। তবে গত তিন বছর আগে আওয়ামী সন্ত্রাসী এবং গুন্ডা বাহিনীকে ব্যবহার করে আমার চাষাকে মারধর এবং হুমকি ধমকি দিয়ে আমাদের পারিবারিক এই জমি চাষ করতে না দিয়ে ৪ লক্ষ টাকার অধিক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। এবং আমার পরিবারকে এই জমি থেকে অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করেছে। ৫ই আগস্টের পর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরে এই বছর আমার পরিবার দখলদার ভুমিদস্যু “আবু বক্কর, পিতা: হাজী নমিউদ্দীন এর কাছ থেকে হারানো লবনের মাঠ উদ্ধার করলে সে সার্থ হাসিলের উদ্দ্যোাশ্যে এই মিথ্যা ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট নিউজ প্রচার করায়। যা শতভাগ মিথ্যা, অসত্য এবং কাল্পনিক। মূলত আমাদের কে অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করতে না পেরে এই প্তারণা ও চলনার আশ্রয় নিয়েছে এই দখলদার আবু বক্কর এবং তার পেইড করা আওয়ামী সন্ত্রাসী এবং ভূমিদস্যুরা। গত চার বছর আগেও ঠিক এই কাজটি করেছিলো আওয়ামীলীগের সনৃতৃরাসীদের ব্যবহার করে। এমনকি গতকালকে আমার চাষা লবন বিক্রি করতে গেলে এই ভুমিদস্যু গং সদস্য লবনের দালাল মোস্তাক লবন ক্রেতা এবং চাষাকে হুমকি ধমকি দিয়ে ভয় দেখিয়ে লবন বিক্রি করতে বাধা দেয়।

হাস্যকর বিষয় হলো এই ভিডিও এর সাথে ঘটনার কোন মিল নেই। ভিডিওর কাউকে চিনিও জানিওনা। সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একটা ভিডিও।

কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি, চকরিয়া কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল জনাব আবু তাহের সাহেবও এই জমির মালিক।
উল্লেখ্য যে বহলতলী মৌজার ১৬৩ নং এই খতিয়ানের রেকর্ড অনুযায়ী আমারা বাবারা সর্বমোট ৩৫ কানি জায়গার মালিক। দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমরা বর্তমানে ভোগ দখলে আছি ১১ কানি জমিতে। এই ১১ কানি থেকে সংবদ্ধ ভূমিদস্যুরা এই ২ কানি তথা ৮০ শতক জমিও কেড়ে নেওয়ার জন্য পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এই ভিত্তিহীন সংবাদ সোশাল মিডিয়াতে প্রচার করিয়েছে।

আমি এই প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।

এই জমির সাথে সাজ্জাদুল হকের কোন ধরণের সম্পৃক্ততা নাই। মূলত বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট বিবচনায় রেখে অবৈধ বা অন্যায়ভাবে সুযোগ নেওয়ার অপকৌশল হিসেবে সাজ্জাদুল হক কে জড়িয়ে ভিত্তিহীনভাবে এই নিউজ করা হয়। আমি এই জমির মালিক হিসেবে এই প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকরী:
সিরাজুল হক (পৈতৃক সূত্রে রেকর্ডমূলে জমির মালিক)
পিতা: নজীর আহমদ
সাং: পূর্ব নয়া পাড়া, খুটাখালী, চকরিয়া, কক্সবাজার।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করল পুলিশ

খুটাখালীতে জমি বিরোধ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

৮ই ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইং তারিখ শনিবারে Theterritorialnews.com-TTN এবং CHAKARIA EXPRESS নামক অনলাইন পোর্টালে খুটাখালীতে জমি বিরোধ নিয়ে যে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে তা আমার দৃষ্টিঘোচর হয়। প্রচারিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন।

মূলত দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরে মূলঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে অন্যায়ভাবে আমার পৈত্রিক সম্পত্তি দখলে নেওয়ার জন্য সাজ্জাদুল হক কে জড়িয়ে এই মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে।

মূলত জমির প্রকৃত মালিক আমার বাবা চাচারা যতাক্রমে নজীর আহমদ, কবির আহমদ, আবদু সোবহান সর্ব পিতা: নছরত আলী। তারই ধারাবাহিকতায় আমারা পৈতৃক সূত্রে এম আরা, আর এস, বিএস খতিয়ানের রেকর্ড মূলে এই লবন মাঠের মালিক হয়ে বিগত ৪০ বছরের অধিক সময় ধরে এই লবন মাঠ ভোগ দখল করে আসছে। এই ২ কানি তথা ৮০ শতক জমি ২০০৬ সাল থেকে আজ পর্যন্ত আমার চাষা শফিকুল ইসলাম চাষ করে আসছে। তবে গত তিন বছর আগে আওয়ামী সন্ত্রাসী এবং গুন্ডা বাহিনীকে ব্যবহার করে আমার চাষাকে মারধর এবং হুমকি ধমকি দিয়ে আমাদের পারিবারিক এই জমি চাষ করতে না দিয়ে ৪ লক্ষ টাকার অধিক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। এবং আমার পরিবারকে এই জমি থেকে অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করেছে। ৫ই আগস্টের পর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরে এই বছর আমার পরিবার দখলদার ভুমিদস্যু “আবু বক্কর, পিতা: হাজী নমিউদ্দীন এর কাছ থেকে হারানো লবনের মাঠ উদ্ধার করলে সে সার্থ হাসিলের উদ্দ্যোাশ্যে এই মিথ্যা ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট নিউজ প্রচার করায়। যা শতভাগ মিথ্যা, অসত্য এবং কাল্পনিক। মূলত আমাদের কে অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করতে না পেরে এই প্তারণা ও চলনার আশ্রয় নিয়েছে এই দখলদার আবু বক্কর এবং তার পেইড করা আওয়ামী সন্ত্রাসী এবং ভূমিদস্যুরা। গত চার বছর আগেও ঠিক এই কাজটি করেছিলো আওয়ামীলীগের সনৃতৃরাসীদের ব্যবহার করে। এমনকি গতকালকে আমার চাষা লবন বিক্রি করতে গেলে এই ভুমিদস্যু গং সদস্য লবনের দালাল মোস্তাক লবন ক্রেতা এবং চাষাকে হুমকি ধমকি দিয়ে ভয় দেখিয়ে লবন বিক্রি করতে বাধা দেয়।

হাস্যকর বিষয় হলো এই ভিডিও এর সাথে ঘটনার কোন মিল নেই। ভিডিওর কাউকে চিনিও জানিওনা। সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একটা ভিডিও।

কক্সবাজার জেলা বিএনপির সহ সভাপতি, চকরিয়া কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল জনাব আবু তাহের সাহেবও এই জমির মালিক।
উল্লেখ্য যে বহলতলী মৌজার ১৬৩ নং এই খতিয়ানের রেকর্ড অনুযায়ী আমারা বাবারা সর্বমোট ৩৫ কানি জায়গার মালিক। দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমরা বর্তমানে ভোগ দখলে আছি ১১ কানি জমিতে। এই ১১ কানি থেকে সংবদ্ধ ভূমিদস্যুরা এই ২ কানি তথা ৮০ শতক জমিও কেড়ে নেওয়ার জন্য পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এই ভিত্তিহীন সংবাদ সোশাল মিডিয়াতে প্রচার করিয়েছে।

আমি এই প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।

এই জমির সাথে সাজ্জাদুল হকের কোন ধরণের সম্পৃক্ততা নাই। মূলত বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপট বিবচনায় রেখে অবৈধ বা অন্যায়ভাবে সুযোগ নেওয়ার অপকৌশল হিসেবে সাজ্জাদুল হক কে জড়িয়ে ভিত্তিহীনভাবে এই নিউজ করা হয়। আমি এই জমির মালিক হিসেবে এই প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকরী:
সিরাজুল হক (পৈতৃক সূত্রে রেকর্ডমূলে জমির মালিক)
পিতা: নজীর আহমদ
সাং: পূর্ব নয়া পাড়া, খুটাখালী, চকরিয়া, কক্সবাজার।