জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর শুভেচ্ছা দূত ও জনপ্রিয় গায়ক-অভিনেতা তাহসান খান কক্সবাজার সফরে এসে ১০ পদের ঐতিহ্যবাহী রাখাইন ও বার্মিজ খাবার উপভোগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরের জনপ্রিয় রাখাইন ও বার্মিজ খাবারের রেস্টুরেন্ট ফালং জি-তে তিনি নৈশভোজে অংশ নেন। এর আগে একই দিন তিনি ইউএনএইচসিআরের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। সফরকালে রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুত জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে তাহসান খান ফালং জি রেস্টুরেন্টে এসে রাখাইন ও বার্মিজ ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবারের স্বাদ নেন।
রেস্টুরেন্টটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়ানজ্য রাখাইন জানান, তাহসান খান মোট ১০ পদের খাবার অর্ডার করেন। খাবারের তালিকায় ছিল চিংড়ি লাকসু, স্কুইড লাকসু, চা পাতা লাকসু, বালাচাও, ভাপা ইলিশ, ভাপা কোরাল, পাহাড়ি মুরগি, তোজা, চাপিলা ফ্রাই এবং চিংড়ি মাসালা।
ওয়ানজ্য রাখাইন বলেন, “আমাদের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। প্রিয় শিল্পী তাহসান খানের উপস্থিতি ফালং জির পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। তাঁর আন্তরিকতা, বিনয় ও সরলতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “মঞ্চ থেকে পর্দা নিজের অসাধারণ কাজের মাধ্যমে তিনি কোটি ভক্তকে অনুপ্রাণিত করেছেন। আজ তাঁর এই আগমন আমাদেরও অনুপ্রাণিত করেছে। ফালং জিকে বেছে নেওয়ার জন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও তাঁকে আবার স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় থাকব।”
তাহসান খানের এ সফর এবং স্থানীয় রাখাইন-বার্মিজ খাবারের প্রতি তাঁর আগ্রহ কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিকে নতুনভাবে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আব্দুর রশিদ মানিক 



















