ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার সরকারি কলেজ অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের কমিটি : সভাপতি মুন্না, সম্পাদক রেজাউল সুমাইয়ার মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেফতার আরিফ-সোহেল কে কারাগারে প্রেরণ উখিয়াকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে চকরিয়া রাতে ইয়াবাসহ আটক, পরদিন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আটক হওয়া ব্যক্তি হারলেও উখিয়া দলের যে দৃশ্য হৃদয় ছুঁয়েছে সবার কক্সবাজারে জেন্ডার সংবেদনশীলতা বিষয়ে দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণ আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু রামুতে ভোক্তা অধিকার অভিযান : ২৭ হাজার টাকা জরিমানা স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ভোটার এলাকা পরিবর্তন করা যাবে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বালিয়াড়িতে নির্মাণকাজ ৮ সপ্তাহ বন্ধ রাখার নির্দেশ চলতি মাসে একাধিক লঘুচাপের আশঙ্কা, হতে পারে স্বল্পমেয়াদি বন্যা কক্সবাজার সিটি কর্পোরেশনে যুক্ত হবে খুরুশকুল, পিএমখালী,দ: মিঠাছড়ি, খুনিয়া পালং পুরো ইউনিয়ন আর ঝিলংজার কিছু অংশ সাহিত্যিকা পল্লীতে গোলাগুলির ঘটনায় আবুল মনসুর লুদুকে আটক করেছে পুলিশ সাহিত্যিকা পল্লীতে দুই পক্ষের গোলাগুলি, যুবক গুলিবিদ্ধ সুমাইয়ার মৃত্যুর ঘটনায় আলোচিত আরিফ-সোহেল বিমানবন্দরে আটক

শিশু আয়াত হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদন্ড

চট্টগ্রামের আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবির মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

বুধবারে চট্টগ্রাম মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন জানান, মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। য প্রধান আসামি আবিরকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর বিকেলে বাসার পাশের একটি মক্তবে পড়তে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। পরে পরিবার জানতে পারে, সে মক্তবে পৌঁছায়নি। নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্তে উঠে আসে, পরিবারের পরিচিত ও তাদের বাসার ভাড়াটিয়া মো. আবির মিয়া মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করেন। পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করে সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেন। গ্রেপ্তারের পর ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আবির হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।

তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে আবিরসহ তার ১৭ বছর বয়সী এক সহযোগীকে আসামি করা হয়। কিশোর হওয়ায় দ্বিতীয় আসামির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে আবির কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে কিশোর আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।

মামলার বাদী ও আয়াতের বাবা সোহেল রানা বলেন, আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আদালতের রায়ে আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।

সূত্র- আমার দেশ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার সরকারি কলেজ অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের কমিটি : সভাপতি মুন্না, সম্পাদক রেজাউল

শিশু আয়াত হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদন্ড

আপডেট সময় : ০৩:২৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবির মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

বুধবারে চট্টগ্রাম মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন জানান, মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। য প্রধান আসামি আবিরকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর বিকেলে বাসার পাশের একটি মক্তবে পড়তে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। পরে পরিবার জানতে পারে, সে মক্তবে পৌঁছায়নি। নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্তে উঠে আসে, পরিবারের পরিচিত ও তাদের বাসার ভাড়াটিয়া মো. আবির মিয়া মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করেন। পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করে সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেন। গ্রেপ্তারের পর ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আবির হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।

তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে আবিরসহ তার ১৭ বছর বয়সী এক সহযোগীকে আসামি করা হয়। কিশোর হওয়ায় দ্বিতীয় আসামির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে আবির কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে কিশোর আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।

মামলার বাদী ও আয়াতের বাবা সোহেল রানা বলেন, আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আদালতের রায়ে আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।

সূত্র- আমার দেশ।