বুধবারে চট্টগ্রাম মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন জানান, মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। য প্রধান আসামি আবিরকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করছে।
মামলার সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর বিকেলে বাসার পাশের একটি মক্তবে পড়তে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। পরে পরিবার জানতে পারে, সে মক্তবে পৌঁছায়নি। নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
তদন্তে উঠে আসে, পরিবারের পরিচিত ও তাদের বাসার ভাড়াটিয়া মো. আবির মিয়া মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করেন। পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করে সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেন। গ্রেপ্তারের পর ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আবির হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন।
তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে আবিরসহ তার ১৭ বছর বয়সী এক সহযোগীকে আসামি করা হয়। কিশোর হওয়ায় দ্বিতীয় আসামির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে আবির কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে কিশোর আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।
মামলার বাদী ও আয়াতের বাবা সোহেল রানা বলেন, আমার মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আদালতের রায়ে আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।
সূত্র- আমার দেশ।
টিটিএন ডেস্ক: 
























