মহেশখালীর মাতারবাড়িতে মো.সাগর নামের এক ব্যবসায়ির মোবাইল চুরি অভিযোগ উঠেছে রিফাত নামের এক তরুণের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী সাগর অভিযোগ করে বলেন, মোবাইল চুরি হওয়ার পরে তিনি মহেশখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে তদন্তের দায়িত্বে থাকা মহেশখালী থানা ও মাতারবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পের তৎকালিন সহকারি উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) হারুন মিয়ার সহযোগিতায় আধুনিক প্রযুক্তির (ট্র্যাকিংয়ের) মাধ্যমে রিফাত নামের এক তরুণের কাছে মোবাইলটি রয়েছে বলে নিশ্চিত হয় পুলিশ। পরে হারুন মিয়া মাতারবাড়ি ক্যাম্প থেকে বদলি হলে চুরিকৃত মোবাইল উদ্ধার করা হয়নি।
জানতে চাইলে সহকারি উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) হারুন মিয়া জানান, সাধারণ ডায়েরির পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তের মাধ্যমে মোবাইলটি রিফাত নামের এক তরুণের কাছে রয়েছে বলে নিশ্চিত হই। ক্যাম্পে এসে সে মোবাইলটি মালিক’কে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি করেন। তারা উভয়ই পরস্পর ঘনিষ্ঠ আত্মীয় এবং প্রতিবেশি।
অভিযুক্ত রিফাতের কাছে মুঠোফোনে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘আমার কোনো বক্তব্য নেই’ পরে তিনি মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
ভুক্তভোগী সাগর বলেন, মোবাইল ফেরত দেওয়ার কথা বলে রিফাত কয়েক দফায় টাকা নিয়েছেন। এখন ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করছেন। সাগর জানান, মোবাইলে দেশ-বিদেশের তার ব্যবসায়িক পার্টনারদের সাথে ব্যবসায়িক লেনদেন ও গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস রয়েছে। তা জিম্মি করে এই চাঁদা দাবি করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত রিফাত ও তার ভাই আরাফাত ভুক্তভোগী সাগরের ব্যবহারিত ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, উইচ্যাট, মেসেঞ্জার, ইমো এবং ব্যক্তিগত ইমেইল ব্যবহার করে বিভিন্ন ডিভাইসে অবৈধভাবে লগইন করে রাষ্ট্রবিরোধী বা ধর্মীয় উস্কানিমূলক কন্টেন্ট সাগরের নামে ছড়ানোর হুমকি দিচ্ছে। যেকোনো সময় তার নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্র কিংবা ধর্মীয় উস্কানিমূলক কনটেন্ট ছড়িয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হবে বলে দাবি ওই ব্যবসায়ির।
তিনি জানান, রিফাত ও আরাফাতের দ্বারা সাইবার ব্ল্যাকমেইলিং এর শিকার হচ্ছেন তিনি। তার এই মোবাইল চুরির বিষয়ে মহেশখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি রয়েছে, তিনি আইনগত প্রতিকার চান।
বার্তা পরিবেশক: 





















