ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যা কবলিত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত এমপি কাজলের ডিও লেটার: রামুর ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভায় উন্নীত করার উদ্যোগ, স্থানীয় সরকার বিভাগের চিঠি চন্দ্রিমায় আবু বক্কর মার্কেট দখলচেষ্টার মামলায় নুরুল ইসলাম ও আরাফাতের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপহরণ, নির্যাতনের পর রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার তারেক রহমানের নির্দেশনায় কক্সবাজারে কৃষক দলের ত্রাণ বিতরণ সম্পন্ন, উপকৃত ২২০ পরিবার কক্সবাজারে জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় হাজারো ভক্তের অংশগ্রহণ ঝিলংজা ইউনিয়নে পাহাড় ধসে নিহত পরিবারে পাশে সরওয়ার সাইদ মিয়ানমারের উপকূলে দুই নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক রোহিঙ্গার প্রাণহানির আশঙ্কা: জাতিসংঘ ২ দিনের সফরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার আসছেন শুক্রবার বিশ্ব সাপ দিবস আজ লোহাগাড়ায় আসছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিদর্শন করবেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা কক্সবাজারে জুলাই শহিদ দিবস পালিত জননেতা নুরুল আবছারের বাইপাস সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন : আইসিইউতে স্থানান্তর বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের ট্যাকটিক্যাল লড়াই আন্দোলনকারীদের অনেকেই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেয়ার গুঞ্জন কতোটা সত্য!

কক্সবাজারের আলোচিত খোরশেদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শুরু থেকেই আলোচনায় থাকা সমন্বয়ক তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে নানা মাধ্যমে। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে তথ্য নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাংবাদিকদের যাতায়াতও বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাদিম আলী জানিয়েছেন, তারিনকে হেফাজতে নেওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

খোরশেদ হত্যা মামলার পর থেকেই নিহতের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ও প্রধান সাক্ষী হিসেবে পরিচিত তারিনকে ঘিরে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিহতের পরিবার এবং মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি তাকে হত্যাকাণ্ডের “মাস্টারমাইন্ড” হিসেবে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত সেই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার পর জেলা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সুপার প্রকাশ্যেই তারিনকে নির্দোষ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ড ঘিরে রহস্য আরও গভীর হয়েছে।

দীর্ঘ দেড় মাস পার হলেও হত্যার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী কিংবা ঘটনার নেপথ্যের মূল রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এর মধ্যেই নতুন করে তারিনকে ঘিরে পুলিশি তৎপরতার গুঞ্জন জনমনে কৌতূহল তৈরি করেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা কবলিত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত

তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেয়ার গুঞ্জন কতোটা সত্য!

আপডেট সময় : ০৯:১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

কক্সবাজারের আলোচিত খোরশেদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শুরু থেকেই আলোচনায় থাকা সমন্বয়ক তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে নানা মাধ্যমে। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে তথ্য নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাংবাদিকদের যাতায়াতও বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাদিম আলী জানিয়েছেন, তারিনকে হেফাজতে নেওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

খোরশেদ হত্যা মামলার পর থেকেই নিহতের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ও প্রধান সাক্ষী হিসেবে পরিচিত তারিনকে ঘিরে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিহতের পরিবার এবং মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি তাকে হত্যাকাণ্ডের “মাস্টারমাইন্ড” হিসেবে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত সেই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার পর জেলা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সুপার প্রকাশ্যেই তারিনকে নির্দোষ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ড ঘিরে রহস্য আরও গভীর হয়েছে।

দীর্ঘ দেড় মাস পার হলেও হত্যার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী কিংবা ঘটনার নেপথ্যের মূল রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এর মধ্যেই নতুন করে তারিনকে ঘিরে পুলিশি তৎপরতার গুঞ্জন জনমনে কৌতূহল তৈরি করেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।