ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আইভী কক্সবাজার রেল স্টেশনের নিরাপত্তা কর্মীরাই বিক্রি করছেন টিকেট পালংখালী সীমান্তে আরএসওর গুলি, ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার ভাবীর ঘাড়ে দা’র কোপ, দেবর ও শাশুড়ি আটক মাঝরাতে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল হোয়াইক্যং, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটালেন বাসিন্দারা টেকনাফে শ্রমিক দল সভাপতির ওপর হামলা পুত্রবধূকে জিম্মি করে আইনজীবী সমিতির সভাপতির বাড়িতে ডাকাতি তরুণদের নেতৃত্ব ও মানবিকতা গঠনে পেকুয়া মুক্ত স্কাউট গ্রুপের বার্ষিক ক্যাম্প টেকনাফে ৪ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার মধ্যরাতের ছুরিকাঘাতে আহত আসিফের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু, নিহত বেড়ে ২ ভিকটিমের পরিচয় ফাঁসের অভিযোগে চকরিয়া থানার ওসিকে আইনি নোটিশ শহরের শীর্ষ ছিনতাইকারী জিয়া গ্রেফতার দীর্ঘ বিরতির পর চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে কক্সবাজারে ফিরছে সিনেমা, ৫-৬ জুন প্রদর্শিত হবে ৬ টি সিনেমা স্বামীর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে সড়কে ঝরলো স্ত্রীসহ দু’জনের প্রাণ

তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেয়ার গুঞ্জন কতোটা সত্য!

কক্সবাজারের আলোচিত খোরশেদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শুরু থেকেই আলোচনায় থাকা সমন্বয়ক তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে নানা মাধ্যমে। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে তথ্য নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাংবাদিকদের যাতায়াতও বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাদিম আলী জানিয়েছেন, তারিনকে হেফাজতে নেওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

খোরশেদ হত্যা মামলার পর থেকেই নিহতের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ও প্রধান সাক্ষী হিসেবে পরিচিত তারিনকে ঘিরে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিহতের পরিবার এবং মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি তাকে হত্যাকাণ্ডের “মাস্টারমাইন্ড” হিসেবে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত সেই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার পর জেলা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সুপার প্রকাশ্যেই তারিনকে নির্দোষ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ড ঘিরে রহস্য আরও গভীর হয়েছে।

দীর্ঘ দেড় মাস পার হলেও হত্যার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী কিংবা ঘটনার নেপথ্যের মূল রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এর মধ্যেই নতুন করে তারিনকে ঘিরে পুলিশি তৎপরতার গুঞ্জন জনমনে কৌতূহল তৈরি করেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈন্যদের স্মৃতির খোঁজে কক্সবাজারে জাপানি প্রতিনিধি দল

তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেয়ার গুঞ্জন কতোটা সত্য!

আপডেট সময় : ০৯:১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

কক্সবাজারের আলোচিত খোরশেদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শুরু থেকেই আলোচনায় থাকা সমন্বয়ক তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে নানা মাধ্যমে। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে তথ্য নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাংবাদিকদের যাতায়াতও বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাদিম আলী জানিয়েছেন, তারিনকে হেফাজতে নেওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

খোরশেদ হত্যা মামলার পর থেকেই নিহতের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ও প্রধান সাক্ষী হিসেবে পরিচিত তারিনকে ঘিরে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিহতের পরিবার এবং মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি তাকে হত্যাকাণ্ডের “মাস্টারমাইন্ড” হিসেবে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত সেই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার পর জেলা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সুপার প্রকাশ্যেই তারিনকে নির্দোষ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ড ঘিরে রহস্য আরও গভীর হয়েছে।

দীর্ঘ দেড় মাস পার হলেও হত্যার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী কিংবা ঘটনার নেপথ্যের মূল রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এর মধ্যেই নতুন করে তারিনকে ঘিরে পুলিশি তৎপরতার গুঞ্জন জনমনে কৌতূহল তৈরি করেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।