ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোর চায় চীন হেরোইন ম্যানেজ হয়ে আটা-ময়দা হয়ে যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালী, মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক হিন্দুরা মন্দিরে মূর্তি বানাবে, মুসলমানরা মসজিদ বানাবে—সমস্যা কোথায়?’ সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান কারা উঠল শেষ বত্রিশে, বাদ পড়ল কারা আজ পবিত্র আশুরা টেকনাফে মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা দেশে মোট গাঁজাখোর ৬১ লাখ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে কাজ করছে সরকার: নাইক্ষ্যংছড়িতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু লামা পৌরসভার ১১ কোটি ২৩ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা গর্জনিয়ার মাঝিরকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি : সভাপতি ফরিদ উদ্দিন রামুর হাইটুপিতে রাখাইন তরুনীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রামুর ২৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট, ব্যাহত পাঠদান

তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেয়ার গুঞ্জন কতোটা সত্য!

কক্সবাজারের আলোচিত খোরশেদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শুরু থেকেই আলোচনায় থাকা সমন্বয়ক তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে নানা মাধ্যমে। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে তথ্য নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাংবাদিকদের যাতায়াতও বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাদিম আলী জানিয়েছেন, তারিনকে হেফাজতে নেওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

খোরশেদ হত্যা মামলার পর থেকেই নিহতের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ও প্রধান সাক্ষী হিসেবে পরিচিত তারিনকে ঘিরে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিহতের পরিবার এবং মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি তাকে হত্যাকাণ্ডের “মাস্টারমাইন্ড” হিসেবে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত সেই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার পর জেলা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সুপার প্রকাশ্যেই তারিনকে নির্দোষ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ড ঘিরে রহস্য আরও গভীর হয়েছে।

দীর্ঘ দেড় মাস পার হলেও হত্যার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী কিংবা ঘটনার নেপথ্যের মূল রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এর মধ্যেই নতুন করে তারিনকে ঘিরে পুলিশি তৎপরতার গুঞ্জন জনমনে কৌতূহল তৈরি করেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেয়ার গুঞ্জন কতোটা সত্য!

আপডেট সময় : ০৯:১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

কক্সবাজারের আলোচিত খোরশেদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শুরু থেকেই আলোচনায় থাকা সমন্বয়ক তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে নানা মাধ্যমে। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে তথ্য নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাংবাদিকদের যাতায়াতও বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাদিম আলী জানিয়েছেন, তারিনকে হেফাজতে নেওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

খোরশেদ হত্যা মামলার পর থেকেই নিহতের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ও প্রধান সাক্ষী হিসেবে পরিচিত তারিনকে ঘিরে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিহতের পরিবার এবং মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি তাকে হত্যাকাণ্ডের “মাস্টারমাইন্ড” হিসেবে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত সেই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার পর জেলা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সুপার প্রকাশ্যেই তারিনকে নির্দোষ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ড ঘিরে রহস্য আরও গভীর হয়েছে।

দীর্ঘ দেড় মাস পার হলেও হত্যার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী কিংবা ঘটনার নেপথ্যের মূল রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এর মধ্যেই নতুন করে তারিনকে ঘিরে পুলিশি তৎপরতার গুঞ্জন জনমনে কৌতূহল তৈরি করেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।