ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার থেকে ফেরা হলো না, লোহাগাড়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি উজানটিয়া বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে বসানো হচ্ছে জিও ব্যাগ, এলাকাজুড়ে স্বস্তি সভাপতির ‘না’,সেক্রেটারির ‘হ্যাঁ’ : মিলনায়তনে সীরাতুন্নবী (সা:) মাহফিল আয়োজন নিয়ে আইনজীবী সমিতির বিতর্ক কক্সবাজার সৈকতে স্থাপনা নির্মাণ: ডিসিসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা কক্সবাজারে জমি রেজিস্ট্রেশনে ডিসির অনুমতি বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর চিঠি উখিয়ার বরেণ্য আলেম আলিম উদ্দিন পীরের জানাযা সম্পন্ন চিরকুট পাঠালেই পুলিশ পৌঁছাবে ঠিকানায়: উখিয়ায় অপরাধ দমনে নতুন উদ্যোগ পুলিশী হেফাজতে থাকা সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধুরী অসুস্থ : চমেকে প্রেরণ টেকনাফের বাহারছড়ায় ৫০ লিটার দেশীয় মদসহ আটক ১ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেয়ার গুঞ্জন কতোটা সত্য!

কক্সবাজারের আলোচিত খোরশেদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শুরু থেকেই আলোচনায় থাকা সমন্বয়ক তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে নানা মাধ্যমে। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে তথ্য নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাংবাদিকদের যাতায়াতও বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাদিম আলী জানিয়েছেন, তারিনকে হেফাজতে নেওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

খোরশেদ হত্যা মামলার পর থেকেই নিহতের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ও প্রধান সাক্ষী হিসেবে পরিচিত তারিনকে ঘিরে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিহতের পরিবার এবং মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি তাকে হত্যাকাণ্ডের “মাস্টারমাইন্ড” হিসেবে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত সেই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার পর জেলা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সুপার প্রকাশ্যেই তারিনকে নির্দোষ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ড ঘিরে রহস্য আরও গভীর হয়েছে।

দীর্ঘ দেড় মাস পার হলেও হত্যার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী কিংবা ঘটনার নেপথ্যের মূল রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এর মধ্যেই নতুন করে তারিনকে ঘিরে পুলিশি তৎপরতার গুঞ্জন জনমনে কৌতূহল তৈরি করেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

 

ট্যাগ :

কক্সবাজার থেকে ফেরা হলো না, লোহাগাড়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত

তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেয়ার গুঞ্জন কতোটা সত্য!

আপডেট সময় : ০৯:১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

কক্সবাজারের আলোচিত খোরশেদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শুরু থেকেই আলোচনায় থাকা সমন্বয়ক তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে নানা মাধ্যমে। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে বিষয়টি নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।

মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে তথ্য নিশ্চিত করতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাংবাদিকদের যাতায়াতও বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাদিম আলী জানিয়েছেন, তারিনকে হেফাজতে নেওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

খোরশেদ হত্যা মামলার পর থেকেই নিহতের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ও প্রধান সাক্ষী হিসেবে পরিচিত তারিনকে ঘিরে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিহতের পরিবার এবং মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি তাকে হত্যাকাণ্ডের “মাস্টারমাইন্ড” হিসেবে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত সেই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার পর জেলা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সুপার প্রকাশ্যেই তারিনকে নির্দোষ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ড ঘিরে রহস্য আরও গভীর হয়েছে।

দীর্ঘ দেড় মাস পার হলেও হত্যার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী কিংবা ঘটনার নেপথ্যের মূল রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এর মধ্যেই নতুন করে তারিনকে ঘিরে পুলিশি তৎপরতার গুঞ্জন জনমনে কৌতূহল তৈরি করেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি।