ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশসহ বিভিন্ন অপরাধে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিদপ্তরের দেড় লাখ টাকা জরিমানা অক্টোবরের মধ্যে চালু হবে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর: বিমানমন্ত্রী মিয়ানমারে বৌদ্ধ বিহারে বিমান হামলায় নিহত ১৪ রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত গত ১৭ বছর ধরে সংবাদমাধ্যমের হাত বাঁধা ছিল: তথ্যমন্ত্রী বঙ্গভবনে উঠলেন রাষ্ট্রপতি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার টেকনাফে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ : কখন চালু হবে? সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, ব্যর্থতায় কঠোর ব্যবস্থার হুশিয়ারি পেকুয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ, থানায় জিডি আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের কোটি টাকা লুট, ক্ষোভে উত্তাল উখিয়ার পালংখালী উচ্চতর প্রশিক্ষণে কক্সবাজারের জনপ্রিয় দন্ত চিকিৎসক ডা. মহিবুর রহমান তৌহিদের থাইল্যান্ড যাত্রা গ্যালারি মাতিয়ে মাঠে জয়ের গল্প লিখল টেকনাফ চকরিয়ায় অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার কক্সবাজারের রামুতে ২ কোটি টাকার ইয়াবাসহ আটক ১

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর/ অবশেষে জেটি ও টার্মিনালসহ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু

চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার একবছর পর অবশেষে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের জেটি ও টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। আজ রবিবার (৩ মে) থেকে এই নির্মাণযজ্ঞ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার বিষয়টি ঢাকাপোস্টকে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো–অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) সহযোগিতায় প্রায় ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির প্যাকেজ-১ বাস্তবায়নের কাজ পেয়েছে জাপানভিত্তিক দুই নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পেন্টা ওশান এবং টোয়া কর্পোরেশন। গতবছরের এপ্রিলে সংস্থা দুটির সাথে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি সম্পাদন করা হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, জাপান থেকে আনা বিশালাকারের বিশেষায়িত একটি ড্রেজার দিয়ে ড্রেজিং করে ২৫ কোটি ঘনফুটের বেশি মাটি ও বালি উত্তোলন করা হবে, যা দিয়ে প্রকল্প এলাকা ভরাট করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য বেশ কিছু মাটি সংরক্ষণ করা হবে।

বিশাল এই প্রকল্পের মাধ্যমে দুটি জেটি, টার্মিনাল এবং ব্যাকইয়ার্ড ফ্যাসিলিটি গড়ে তোলা হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান দুটি যৌথভাবে আগামী ৪ বছরের মধ্যে ৪৬০ মিটার দীর্ঘ একটি কন্টেনার জেটি এবং ৩০০ মিটার দীর্ঘ মাল্টিপারপাস জেটি নির্মাণ করবে।

মহেশখালীর ১ হাজার ৩০ একর জায়গায় বহুল প্রত্যাশার মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে, পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে ২৪ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম
বলেন, ‘ প্যাকেজ-১ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরে ২০২৯ সালে ১১ লাখ এবং ২০৪১ সালে ২৬ লাখ টিইইউএস কন্টেনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।’

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৯ সালে প্রকল্পের কাজ শেষ করার মাধ্যমে ২০৩০ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে এই গভীর সমুদ্রবন্দর পরিচালিত হবে বলে আশা করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশসহ বিভিন্ন অপরাধে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিদপ্তরের দেড় লাখ টাকা জরিমানা

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর/ অবশেষে জেটি ও টার্মিনালসহ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু

আপডেট সময় : ০২:১৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার একবছর পর অবশেষে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের জেটি ও টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। আজ রবিবার (৩ মে) থেকে এই নির্মাণযজ্ঞ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার বিষয়টি ঢাকাপোস্টকে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো–অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) সহযোগিতায় প্রায় ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির প্যাকেজ-১ বাস্তবায়নের কাজ পেয়েছে জাপানভিত্তিক দুই নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পেন্টা ওশান এবং টোয়া কর্পোরেশন। গতবছরের এপ্রিলে সংস্থা দুটির সাথে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি সম্পাদন করা হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, জাপান থেকে আনা বিশালাকারের বিশেষায়িত একটি ড্রেজার দিয়ে ড্রেজিং করে ২৫ কোটি ঘনফুটের বেশি মাটি ও বালি উত্তোলন করা হবে, যা দিয়ে প্রকল্প এলাকা ভরাট করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য বেশ কিছু মাটি সংরক্ষণ করা হবে।

বিশাল এই প্রকল্পের মাধ্যমে দুটি জেটি, টার্মিনাল এবং ব্যাকইয়ার্ড ফ্যাসিলিটি গড়ে তোলা হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান দুটি যৌথভাবে আগামী ৪ বছরের মধ্যে ৪৬০ মিটার দীর্ঘ একটি কন্টেনার জেটি এবং ৩০০ মিটার দীর্ঘ মাল্টিপারপাস জেটি নির্মাণ করবে।

মহেশখালীর ১ হাজার ৩০ একর জায়গায় বহুল প্রত্যাশার মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে, পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে ২৪ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম
বলেন, ‘ প্যাকেজ-১ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরে ২০২৯ সালে ১১ লাখ এবং ২০৪১ সালে ২৬ লাখ টিইইউএস কন্টেনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে।’

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৯ সালে প্রকল্পের কাজ শেষ করার মাধ্যমে ২০৩০ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে এই গভীর সমুদ্রবন্দর পরিচালিত হবে বলে আশা করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।