ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের স্বীকৃতি: জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে ফিচারড SURGE Bangladesh শহরের কুতুবদিয়া পাড়ার আলোচিত রোজিনাকে আটক করেছে পুলিশ বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি সাবেক বিসিবি সভাপতির টেকনাফে সড়কের দুই পাশে কলেমা লেখা সাদা পতাকা আ’র’কা’ন আ’র্মি প্রধানের বাংলাদেশে চিকিৎসা নেওয়ার খবর কতটুকু সত্য? মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রোজিনা গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা জামায়াত আমীরের উদ্যোগে মুক্ত হলো হাসপাতাল বিলের জন্য আটকে থাকা রিয়াজের মরদেহ মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২১ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সবুজ উদ্যোগ -কক্সবাজারে ১ হাজার গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ মহেশখালীতে বাচ্চুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী দুই হত্যা চেষ্টা মামলার পলাতক আসামি অহিদুল গ্রেপ্তার  কক্সবাজার সদর থানায় শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ড, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে আগুন ​”ব্লাড ক্যান্সারে মারা যাওয়া টেকনাফের শিক্ষার্থী রিয়াজের মরদেহ আটকে আছে হাসপাতালে, সাহায্যের আবেদন ইনানী সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে যুবক নিখোঁজ- উদ্ধার অভিযান অব্যাহত

কক্সবাজারে নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে বুদ্ধ পূর্ণিমা

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কক্সবাজারো পালিত হয়েছে বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা। মহামতি বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব ও মহাপরিনির্বাণ লাভের এদিনটি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে অতি তাৎপর্যপূর্ণ।

শুক্রবার বিকেলে শহরের বৌদ্ধ মন্দির সড়ক থেকে একটি বর্ণাঢ্য শান্তি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাবলিক লাইব্রেরীর শহীদ দৌলত ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নেন, বৌদ্ধ ভিক্ষু, নারী-পুরুষসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ।।

পরে শহীদ সুভাষ হলে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। সকালে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত বৌদ্ধ বিহারগুলোতেও ছিল নানা আয়োজন। দিবসের শুরুতে ধর্মীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বুদ্ধ পূজা, সংঘদানসহ নানা কর্মসূচি উদযাপিত হয়।

কক্সবাজার জেলা সম্মিলিত বৌদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদ ২০২৬ খ্রি. এর সভাপতি কে.শ্রী জ্যোতিসেন মহাথের বলেন, বৌদ্ধদের কাছে এই দিনটি মহা গৌরবের।কেননা এই তিথিতে গৌতম বুদ্ধ জন্ম, বুদ্ধত্বলাভ ও পরিনির্বাণ লাভ করেন। যার কারনে দিনটি স্মরনীয় করে রাখতে করা হয়েছে নানান আয়োজন।

উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কানন বড়ুয়া বিশাল বলেন, গৌতম বুদ্ধ সারাজীবন মানুষের মঙ্গল,সুখশান্তির কথা বলে গেছেন। এছাড়া দুঃখ থেকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। এমন মহামানবের জন্ম,বুদ্ধত্বলাভ ও পরিনির্বাণ একই তিথিতে হওয়াতে সবচেয়ে প্রাধান্য পেয়েছে এই দিনটি।

দিনটি উপলক্ষে রামুর ঐতিহাসিক রাংকূট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহারে অনুষ্ঠিত হয় ৮৪ হাজার ধর্মস্কন্দ পূজা। এছাড়াও রামু,উখিয়া,টেকনাফ,চকরিয়া,মহেশখালী,সহ বিভিন্ন উপজেলায় বুদ্ধপূজা ও সংঘদানের আয়োজন করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের স্বীকৃতি: জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে ফিচারড SURGE Bangladesh

কক্সবাজারে নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে বুদ্ধ পূর্ণিমা

আপডেট সময় : ১২:৩৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কক্সবাজারো পালিত হয়েছে বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা। মহামতি বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব ও মহাপরিনির্বাণ লাভের এদিনটি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে অতি তাৎপর্যপূর্ণ।

শুক্রবার বিকেলে শহরের বৌদ্ধ মন্দির সড়ক থেকে একটি বর্ণাঢ্য শান্তি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাবলিক লাইব্রেরীর শহীদ দৌলত ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নেন, বৌদ্ধ ভিক্ষু, নারী-পুরুষসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ।।

পরে শহীদ সুভাষ হলে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। সকালে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত বৌদ্ধ বিহারগুলোতেও ছিল নানা আয়োজন। দিবসের শুরুতে ধর্মীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বুদ্ধ পূজা, সংঘদানসহ নানা কর্মসূচি উদযাপিত হয়।

কক্সবাজার জেলা সম্মিলিত বৌদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদ ২০২৬ খ্রি. এর সভাপতি কে.শ্রী জ্যোতিসেন মহাথের বলেন, বৌদ্ধদের কাছে এই দিনটি মহা গৌরবের।কেননা এই তিথিতে গৌতম বুদ্ধ জন্ম, বুদ্ধত্বলাভ ও পরিনির্বাণ লাভ করেন। যার কারনে দিনটি স্মরনীয় করে রাখতে করা হয়েছে নানান আয়োজন।

উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কানন বড়ুয়া বিশাল বলেন, গৌতম বুদ্ধ সারাজীবন মানুষের মঙ্গল,সুখশান্তির কথা বলে গেছেন। এছাড়া দুঃখ থেকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। এমন মহামানবের জন্ম,বুদ্ধত্বলাভ ও পরিনির্বাণ একই তিথিতে হওয়াতে সবচেয়ে প্রাধান্য পেয়েছে এই দিনটি।

দিনটি উপলক্ষে রামুর ঐতিহাসিক রাংকূট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহারে অনুষ্ঠিত হয় ৮৪ হাজার ধর্মস্কন্দ পূজা। এছাড়াও রামু,উখিয়া,টেকনাফ,চকরিয়া,মহেশখালী,সহ বিভিন্ন উপজেলায় বুদ্ধপূজা ও সংঘদানের আয়োজন করা হয়।