বকসু পরিবারের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও ইছালে সওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ মার্চ চকরিয়ার হারবাং নোয়াপাড়া নিজ বাড়ির আঙিনায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
দীর্ঘদিন পর গুষ্টির সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক হৃদয়গ্রাহী মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সূচনা করা হয়। পরবর্তীতে মরহুম আত্মীয় স্বজনদের রূহের মাগফিরাত কামনায় ইছালে সওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় সম্মানিত আলেমগণ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করেন এবং দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। তারা পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় রাখা, ইসলামী মূল্যবোধ চর্চা এবং পারস্পরিক সহমর্মিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মাহফিলে বকসু পরিবারের সকল স্তরের সদস্য—প্রবীণ, নবীন ও শিশু-কিশোরদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। দীর্ঘ সময় পর একত্রিত হয়ে আত্মীয়স্বজনেরা আনন্দ-আবেগ ও স্মৃতিচারণে মেতে ওঠেন, যা পুরো পরিবেশকে করে তোলে উষ্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ।
অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং পরিবারের মৃত সদস্যদের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও এ ধরনের পারিবারিক আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
বকসু পরিবারের এই ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন পারিবারিক ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ধর্মীয় মূল্যবোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে সবার কাছে প্রশংসিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক সৈয়দুল আবরাবের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক শামসুল ইসলাম, রাজনীতিবিদ রফিকুল আহসান বুলবুল। অনুষ্ঠান সবার পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান নুরুল আনোয়ার মুন্না।
বকসু পরিবারের মধ্য উপস্থিতি ছিলেন, , বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল আহমেদ, ছৈয়দ আহমেদ, ডাক্তার নূর ইসলাম, রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক সেলিম উদ্দিন বাচ্চু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, ইকতিয়ার, খালেদ, গালিব, তৌফিক, আকিব, নবী হোসেন, ইমাম হোসেন, দিদার, ইয়াসির, নাবিল, রুবেল, আশেক, মাসুক, জুপনসহ অনেকেই।
সাংবাদ বিজ্ঞপ্তি: 
























