ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের স্পেশাল মিডিয়েটর হিসাবে নিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট মোঃ শাহা আলম রাজা পালংয়ের প্রয়াত জননেতা শেখ শাহাবুদ্দিনের সহধর্মিণীর মৃত্যু : জানাজা বুধবার পেকুয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে পুড়লো আমজাদের ড্রাম ট্রাক জেলা পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নাইক্ষ্যংছড়ি বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন সাবেক চেয়ারম্যান তোফাইল কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব মগনামায় সরকারি খালে ৫৮টি অবৈধ বাঁধ ও জাল অপসারণ নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা : পাহাড়ধসের আশংকা সেন্টমার্টিনে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক মহেশখালী চ্যানেলে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই বালু উত্তোলন, ৫০ লাখ টাকা জরিমানা সমিতিপাড়ায় কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার পলাতক আসামি বেলাল গ্রেপ্তার কক্সবাজারে বাধ্যতামূলক মামলা পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু নভেম্বরে : আয়োজক বাংলাদেশ দীর্ঘ ১৯ বছর আগেই নিষ্পত্তি হওয়া বিষয়কে ঘিরে নতুন অপপ্রচার: অধ্যক্ষের প্রতিবাদ

ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও মুহিবুল্লা হত্যায় জড়িত ছিলো আরসা কমান্ডার লালু: অস্ত্রসহ গ্রেফতার

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-এর সক্রিয় কমান্ডার জাহিদ হোসেন প্রকাশ লালুকে (৪০) আটক করেছে সেনাবাহিনী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ (ওয়েস্ট) এলাকায় রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে আটককৃত লালুর কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

​গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, আটককৃত লালু দীর্ঘদিন ধরে আরসা প্রধান হাফেজ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আরসার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্যতম হোতা।

২০২১ সালে রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড, ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ান হত্যা এবং ক্যাম্প-১৮-এর মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে শিক্ষক-ছাত্রসহ ৬ জনকে হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও সে পরিচিত।

​সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ স্থানীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই গ্রেফতারি অভিযান দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। আটককৃত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের স্পেশাল মিডিয়েটর হিসাবে নিয়োগ পেলেন অ্যাডভোকেট মোঃ শাহা আলম

ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও মুহিবুল্লা হত্যায় জড়িত ছিলো আরসা কমান্ডার লালু: অস্ত্রসহ গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-এর সক্রিয় কমান্ডার জাহিদ হোসেন প্রকাশ লালুকে (৪০) আটক করেছে সেনাবাহিনী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ (ওয়েস্ট) এলাকায় রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে আটককৃত লালুর কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

​গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, আটককৃত লালু দীর্ঘদিন ধরে আরসা প্রধান হাফেজ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আরসার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্যতম হোতা।

২০২১ সালে রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড, ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ান হত্যা এবং ক্যাম্প-১৮-এর মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে শিক্ষক-ছাত্রসহ ৬ জনকে হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও সে পরিচিত।

​সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ স্থানীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই গ্রেফতারি অভিযান দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। আটককৃত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।