ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয় দেয়া এক নারী আটক নারী ও কিশোরীদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল নিরাপত্তা পরিবেশ গঠনের অঙ্গীকার: টেকনাফে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত মহেশখালীর ধলঘাটার ফাটাঘোনা ও মিলঘোনা উন্মুক্ত নিলামের দাবি, সংঘর্ষের আশঙ্কায় জমির মালিকরা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক আরিফ উদ্দিন সাময়িকভাবে বরখাস্ত : কক্সবাজারেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে অভিযোগ হরমুজ প্রণালি থেকে যেভাবে বের হয়ে এলো বাংলার জয়যাত্রা কক্সবাজারে ৩ দিনের সফরে আসছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ​টেকনাফে দুদকের দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন, চ্যাম্পিয়ন বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি : সভাপতি জিল্লু চৌধুরী ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে মারা গেলেন রিকশাচালক মোহাম্মদ রফিক ২৮ জুন জেলায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল নাইক্ষ্যংছড়ির গহিন জঙ্গল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে কক্সবাজারে বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের প্রতিরোধ মিছিল এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই: শিক্ষামন্ত্রী টেকনাফে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, আহত ৪ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেবে আদালত: তথ্য উপদেষ্টা

রহস্য উদঘাটন: ইয়াবার লেনদেনের জেরে হোয়াইক্যংয়ের সৈয়দ মিয়া হত্যাকান্ড,গ্রেফতার ২

হোয়াইক্যংয়ের চাঞ্চল্যকর সৈয়দ মিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মামলার ২ আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

৩ জানুয়ারী টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সৈয়দ মিয়া হত্যা মামলার আসামী আরফাত (২২)কে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করলে সে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নিজের দোষ স্বীকারসহ হত্যাকান্ডে জড়িত মোঃ ইসমাইল (২৯) সহ অন্যান্য আসামীদের নাম প্রকাশ করে।

আরফাতের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৪ জানুয়ারী হোয়াইক্যং থেকে মোঃ ইসমাইল (২৯) কে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ৫ জানুয়ারী আদালতে প্রেরণ করলে সে লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

জবানবন্দিতে দেয়া তথ্যে জানা যায়, নিহত সৈয়দ মিয়ার সঙ্গে মামলার আসামী নিশানের ইয়াবার লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। তার জের ধরে ৫ ডিসেম্বর রাত সাড়ে দশটার দিকে নিশান, আরফাত, তারেক,ইসমাইলসহ কয়েকজন মিলে নোহা গাড়ীযোগে কক্সবাজার শহর থেকে পালংখালী নিশানের বাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে সৈয়দ মিয়াকে মুখে কস্টেপ পেচিয়ে হাত-পা বেধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। মৃত্যুর পর পালংখালী থেকে হোয়াইক্যংয়ের চাকমারকুল খালের পাড়ে জোবায়েরের জমির পাশে গর্ত খুঁড়ে মাটি চাপা দেয়।

জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলক বিশ্বাস জানান,এ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের ফলে জনমনে স্বস্তি ফিরেছে এবং প্রকৃত অপরাধীরা সনাক্ত হয়েছে। ২ আসামী গ্রেফতার হয়েছে। বাকী আসামীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয় দেয়া এক নারী আটক

রহস্য উদঘাটন: ইয়াবার লেনদেনের জেরে হোয়াইক্যংয়ের সৈয়দ মিয়া হত্যাকান্ড,গ্রেফতার ২

আপডেট সময় : ০২:৫০:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

হোয়াইক্যংয়ের চাঞ্চল্যকর সৈয়দ মিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মামলার ২ আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

৩ জানুয়ারী টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সৈয়দ মিয়া হত্যা মামলার আসামী আরফাত (২২)কে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করলে সে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নিজের দোষ স্বীকারসহ হত্যাকান্ডে জড়িত মোঃ ইসমাইল (২৯) সহ অন্যান্য আসামীদের নাম প্রকাশ করে।

আরফাতের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৪ জানুয়ারী হোয়াইক্যং থেকে মোঃ ইসমাইল (২৯) কে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ৫ জানুয়ারী আদালতে প্রেরণ করলে সে লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

জবানবন্দিতে দেয়া তথ্যে জানা যায়, নিহত সৈয়দ মিয়ার সঙ্গে মামলার আসামী নিশানের ইয়াবার লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। তার জের ধরে ৫ ডিসেম্বর রাত সাড়ে দশটার দিকে নিশান, আরফাত, তারেক,ইসমাইলসহ কয়েকজন মিলে নোহা গাড়ীযোগে কক্সবাজার শহর থেকে পালংখালী নিশানের বাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে সৈয়দ মিয়াকে মুখে কস্টেপ পেচিয়ে হাত-পা বেধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। মৃত্যুর পর পালংখালী থেকে হোয়াইক্যংয়ের চাকমারকুল খালের পাড়ে জোবায়েরের জমির পাশে গর্ত খুঁড়ে মাটি চাপা দেয়।

জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলক বিশ্বাস জানান,এ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের ফলে জনমনে স্বস্তি ফিরেছে এবং প্রকৃত অপরাধীরা সনাক্ত হয়েছে। ২ আসামী গ্রেফতার হয়েছে। বাকী আসামীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।