ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে আরো সচেতন হতে হবে -প্রেসক্লাবে মতবিনিয়ময় কালে প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান পেকুয়াকে পৌর শহর ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ রামুতে ভদন্ত ছেকাচারা মহাথের’র ২ দিন ব্যাপী অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান শুরু বৃহস্পতিবার রামুতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত উখিয়ায় সরকারি কর্মচারী হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সালাহউদ্দিন আহমদের পিতামাতা ও শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত করলো জেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ শিশু ধর্ষণ মামলায় কক্সবাজারে ১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বরিশালে নিখোঁজ, ৪ দিন পর স্কুলছাত্র কক্সবাজারে উদ্ধার উখিয়ায় সাজাপ্রাপ্ত রোহিঙ্গা গ্রেফতার এডভোকেট এস এ এম রফিক উল্লাহ’র ৪২ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ  যুদ্ধ পরিস্থিতিতে চাপা পড়ছে রোহিঙ্গা সংকট: শামা ওয়াবেদ রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও মানবিক করার নির্দেশনা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলি, নবি হোসেনের ছোট ভাই নিহত  উখিয়ার চিত্রশিল্পী ও খেলাঘরিয়ান ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর সপ্তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ টেকনাফে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

সুদানে নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহবাহী ফ্লাইটটি অবতরণ করে।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় জনের মৃত্যু হয় এবং ৯ জন আহত হন।

আহত সবার চিকিৎসা চলছে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে। তাদের কয়েকজন এরই মধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বাকিরা সবাই শঙ্কামুক্ত। বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী কর্তৃক ড্রোন হামলাটি চালিয়েছিল ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে।

সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ছয় শান্তিরক্ষী হলেন– নাটোরের করপোরাল মো. মাসুদ রানা, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম ও সৈনিক শান্ত মন্ডল, রাজবাড়ীর সৈনিক শামীম রেজা, কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং গাইবান্ধার বাসিন্দা লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া।

আহত শান্তিরক্ষীরা হলেন– কুষ্টিয়ার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কর্নেল খোন্দকার খালেকুজ্জামান, দিনাজপুরের সার্জেন্ট মো. মোস্তাকিম হোসেন, ঢাকার করপোরাল আফরোজা পারভিন ইতি, বরগুনার ল্যান্স করপোরাল মহিবুল ইসলাম, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মেজবাউল কবির, রংপুরের সৈনিক উম্মে হানি আক্তার, মানিকগঞ্জের সৈনিক চুমকি আক্তার এবং নোয়াখালীর সৈনিক মো. মানাজির আহসান।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের বিপুল অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। সুদানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অসাধারণ পেশাদারিত্ব, সাহস আর আত্মত্যাগ দেখলো বিশ্ববাসী। আহত আট জনের মধ্যে তিন জন নারী সৈন্য। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে সর্বোচ্চসংখ্যক শান্তিরক্ষী পাঠানো ১১৯টি দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে বাংলাদেশ। বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের যাত্রা শুরু হয়।

সূত্র :বাংলা ট্রিবিউন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিকদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে আরো সচেতন হতে হবে -প্রেসক্লাবে মতবিনিয়ময় কালে প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান

সুদানে নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

আপডেট সময় : ০১:০০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহবাহী ফ্লাইটটি অবতরণ করে।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় জনের মৃত্যু হয় এবং ৯ জন আহত হন।

আহত সবার চিকিৎসা চলছে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে। তাদের কয়েকজন এরই মধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বাকিরা সবাই শঙ্কামুক্ত। বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী কর্তৃক ড্রোন হামলাটি চালিয়েছিল ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে।

সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ছয় শান্তিরক্ষী হলেন– নাটোরের করপোরাল মো. মাসুদ রানা, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম ও সৈনিক শান্ত মন্ডল, রাজবাড়ীর সৈনিক শামীম রেজা, কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং গাইবান্ধার বাসিন্দা লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া।

আহত শান্তিরক্ষীরা হলেন– কুষ্টিয়ার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কর্নেল খোন্দকার খালেকুজ্জামান, দিনাজপুরের সার্জেন্ট মো. মোস্তাকিম হোসেন, ঢাকার করপোরাল আফরোজা পারভিন ইতি, বরগুনার ল্যান্স করপোরাল মহিবুল ইসলাম, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মেজবাউল কবির, রংপুরের সৈনিক উম্মে হানি আক্তার, মানিকগঞ্জের সৈনিক চুমকি আক্তার এবং নোয়াখালীর সৈনিক মো. মানাজির আহসান।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের বিপুল অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। সুদানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অসাধারণ পেশাদারিত্ব, সাহস আর আত্মত্যাগ দেখলো বিশ্ববাসী। আহত আট জনের মধ্যে তিন জন নারী সৈন্য। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে সর্বোচ্চসংখ্যক শান্তিরক্ষী পাঠানো ১১৯টি দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে বাংলাদেশ। বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের যাত্রা শুরু হয়।

সূত্র :বাংলা ট্রিবিউন