ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ১২৯ বার পেছাল নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক ভয়াবহ বন্যায় নেপাল-চীনের ১৫০০ মানুষ নিখোঁজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ কক্সবাজার প্রেসক্লাবে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে ৭০০ পরিবারের মাঝে তবারুক বিতরণ ২৪ বছর ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত পেকুয়ার নন্দীরপাড়া স্টেশন সড়ক ভেসে এলো নিখোঁজ আলবার্টের মরদেহ : জীবিত উদ্ধার নিউজিল্যান্ডের নাগরিকেরা কোস্টগার্ডের হেফাজতে উখিয়া সীমান্তে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ১ পুলিশ বাহিনীকে রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব ইসলামাবাদে হাসপাতালে আগুন, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ওয়ান শুটারগানসহ যুবক আটক পালংখালী খালে মাছ ধরতে গিয়ে দুই রোহিঙ্গা শিশু নিখোঁজ, একজনের মরদেহ উদ্ধার

গণভোট ঘিরে সামাজিকমাধ্যমে ‘হ্যাঁ–না’ ক্যাম্পেইন

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:৩০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • 547

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট ইস্যুতে গত কয়েকদিন ধরেই দেশের জাতীয় রাজনীতিতে চলছে নানা আলোচনা। দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল বিএনপিসহ কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের দিনে গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অপরদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসালামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোটের দাবিতে অনড়।

এমন পরিস্থিতিতে এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গণভোট ইস্যুতে “হ্যাঁ-না” ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে “হ্যাঁ” ও “না” লেখা পোস্টে ভরে গেছে ফেসবুক, ইনস্ট্রাগ্রামের মতো সোশ্যালমিডিয়া প্ল্যাটফর্মের নিউজফিড।

যারা জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট চান তারা “হ্যাঁ” লেখা পোস্টার শেয়ার করছেন। আর যারা জাতীয় নির্বাচনের দিন বা তার পরে গণভোট চান তারা “না” লেখা পোস্টার শেয়ার করছেন।

বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে প্রথমে “না” ক্যাম্পেইন শুরু হয়। এরপর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে পাল্টা “না” ক্যাম্পেইন শুরু হয়। মুহূর্তেই এই “হ্যাঁ-না” ক্যাম্পেইন ভাইরাল হয়ে যায়।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রদলের অফিসিয়াল ফেসবুক থেকে ‘না’ লেখা ফটোকার্ড শেযার করা হয়। একই ফটোকার্ড পোস্ট করেছেন ছাত্রদলের ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘হ্যাঁ’ লিখে পোস্ট করা হয়।
এরপর ভোরের দিকে ছাত্রদলের ভেরিফায়েড পেজে আরকেটি ফটোকার্ড শেয়ার করা হয়। সেখানে চারটি পয়েন্টে লেখা রয়েছে, ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ সংবিধান থেকে বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্রকে- ‘‘না”; স্বাক্ষরের পর জুলাই সনদ পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রকে- ‘‘না”; জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটকে- ‘‘না” এবং শত শহীদের রক্তে কেনা জুলাই কারো বাপের ‘‘না”।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নে অবিলম্বে সরকারি আদেশ জারি করে একটি গণভোট আয়োজনের সুপারিশ করেছে।

গণভোটের ব্যালটে দেওয়ার জন্য কমিশনের সুপারিশে বলা হয়েছে, “আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং ইহার তফসিল-১ এ সন্নিবেশিত সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবসমূহের প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করিতেছেন?”

“হ্যাঁ” কিংবা “না” এর মাধ্যমে জণগণ এ বিষয়ে তাদের সম্মতি জানাবেন।

কমিশন তাদের সুপারিশে বলেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ একইসঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও জাতীয় সংসদ হিসেবে কার্যকর থাকবে। তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্যকর থাকবে ২৭০ দিন।

এ বিষয়ে বিকল্প প্রস্তাবে কমিশন বলেছে, যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ ২৭০ দিনের মধ্যে তাদের দায়িত্ব সম্পাদন করতে না পারে, তাহলে গণভোটে পাশ হওয়া বিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে প্রতিস্থাপিত হবে।

সূত্র:বাংলা ট্রিবিউন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ১২৯ বার পেছাল

গণভোট ঘিরে সামাজিকমাধ্যমে ‘হ্যাঁ–না’ ক্যাম্পেইন

আপডেট সময় : ০৫:৩০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট ইস্যুতে গত কয়েকদিন ধরেই দেশের জাতীয় রাজনীতিতে চলছে নানা আলোচনা। দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল বিএনপিসহ কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের দিনে গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অপরদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসালামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোটের দাবিতে অনড়।

এমন পরিস্থিতিতে এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গণভোট ইস্যুতে “হ্যাঁ-না” ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে “হ্যাঁ” ও “না” লেখা পোস্টে ভরে গেছে ফেসবুক, ইনস্ট্রাগ্রামের মতো সোশ্যালমিডিয়া প্ল্যাটফর্মের নিউজফিড।

যারা জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট চান তারা “হ্যাঁ” লেখা পোস্টার শেয়ার করছেন। আর যারা জাতীয় নির্বাচনের দিন বা তার পরে গণভোট চান তারা “না” লেখা পোস্টার শেয়ার করছেন।

বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে প্রথমে “না” ক্যাম্পেইন শুরু হয়। এরপর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে পাল্টা “না” ক্যাম্পেইন শুরু হয়। মুহূর্তেই এই “হ্যাঁ-না” ক্যাম্পেইন ভাইরাল হয়ে যায়।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রদলের অফিসিয়াল ফেসবুক থেকে ‘না’ লেখা ফটোকার্ড শেযার করা হয়। একই ফটোকার্ড পোস্ট করেছেন ছাত্রদলের ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘হ্যাঁ’ লিখে পোস্ট করা হয়।
এরপর ভোরের দিকে ছাত্রদলের ভেরিফায়েড পেজে আরকেটি ফটোকার্ড শেয়ার করা হয়। সেখানে চারটি পয়েন্টে লেখা রয়েছে, ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ সংবিধান থেকে বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্রকে- ‘‘না”; স্বাক্ষরের পর জুলাই সনদ পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রকে- ‘‘না”; জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটকে- ‘‘না” এবং শত শহীদের রক্তে কেনা জুলাই কারো বাপের ‘‘না”।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নে অবিলম্বে সরকারি আদেশ জারি করে একটি গণভোট আয়োজনের সুপারিশ করেছে।

গণভোটের ব্যালটে দেওয়ার জন্য কমিশনের সুপারিশে বলা হয়েছে, “আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং ইহার তফসিল-১ এ সন্নিবেশিত সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবসমূহের প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করিতেছেন?”

“হ্যাঁ” কিংবা “না” এর মাধ্যমে জণগণ এ বিষয়ে তাদের সম্মতি জানাবেন।

কমিশন তাদের সুপারিশে বলেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ একইসঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও জাতীয় সংসদ হিসেবে কার্যকর থাকবে। তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্যকর থাকবে ২৭০ দিন।

এ বিষয়ে বিকল্প প্রস্তাবে কমিশন বলেছে, যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ ২৭০ দিনের মধ্যে তাদের দায়িত্ব সম্পাদন করতে না পারে, তাহলে গণভোটে পাশ হওয়া বিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে প্রতিস্থাপিত হবে।

সূত্র:বাংলা ট্রিবিউন