ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষ, মা-ছেলে গুলিবিদ্ধ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল সারাদেশে ৫ দিন বৃষ্টির আভাস বাংলাদেশ ক্রিকেটে আবারও চোটের মিছিল দেশে ৮০ হাজার আইনজীবী থাকলেও তাদের মান নিয়ে সংশয় রয়েছে: আইনমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া, প্রত্যাবাসন শুরু ২৯ সেপ্টেম্বর পারিবারিক আদালতের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহেদ গ্রেপ্তার খুরুশকুলের মোস্তাক আহমেদ আর নেই শহরের পানশালায় তর্কাতর্কি থেকে ভাঙ্গা কাঁচের বোতলের আঘাতে যুবকের মৃত্যু, আটক ১ সভাপতি পদে হাশেম-ফরিদ আর সাধারণ সম্পাদক পদে ২ আমিনের লড়াই অধ্যক্ষ ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরীর ১৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ কুতুবদিয়ায় অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ হোয়ানকের সাবেক চেয়ারম্যান ফরিদুল আলমের জানাযায় মানুষের ঢল লামাকে জেলা ঘোষণা ও জেলা পরিষদে ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের দাবি জেলাভিত্তিক তদারকি ও সমন্বয়ের জন্যে দায়িত্ব বন্টন : কক্সবাজারের দায়িত্বে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

কিংবদন্তী লালনসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

দেশের কিংবদন্তী লালনসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া দশটায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শিল্পীর বড় ছেলে ইমাম নিমেরি উপল গণমাধ্যমে খবরটি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন লড়াই করে মা আজ রাত ১০টা ১৫ মিনিটে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যু পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে আমরা পারিবারিকভাবে কথা বলছি, জানাজা দাফনসহ যাবতীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে জানিয়ে দেয়া হবে।

দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন ফরিদা পারভীন। কিছুদিন ধরে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, সপ্তাহে দুই দিন তাকে ডায়ালাইসিস করাতে হয়।

গেল সপ্তাহেই শিল্পীর বড় ছেলে জানান, নিয়মিত ডায়ালাইসিসের অংশ হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় মাকে। কিন্তু ডায়ালাইসিসের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তখন চিকিৎসক তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। এর পর থেকে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সবশেষ লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয় বর্ষীয়ান এই শিল্পীকে। গঠন করা হয় মেডিকেল বোর্ড। উপল জানান, বর্তমান সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় নিয়মিত খোঁজ রাখতেন চিকিৎসাধীন ফরিদা পারভীনের। পাশাপাশি বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকেও ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থার নিয়মিত খোঁজ খবর নেয়া হত।

১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারে নজরুলসংগীত দিয়ে সংগীতজীবন শুরু করেন ফরিদা পারভীন। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে পরিচিতি পান তিনি। পরে সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে লালনসংগীতে তালিম নিয়ে ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন লালনসংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তী।

শিশুদের লালন সংগীত শেখানোর জন্য তিনি অচিন পাখি স্কুল নামে একটি গানের স্কুল গড়ে তুলেন।

সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। পরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পান তিনি।

সূত্র: চ্যানেল আই

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কিংবদন্তী লালনসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই

আপডেট সময় : ১১:৩২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দেশের কিংবদন্তী লালনসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া দশটায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শিল্পীর বড় ছেলে ইমাম নিমেরি উপল গণমাধ্যমে খবরটি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন লড়াই করে মা আজ রাত ১০টা ১৫ মিনিটে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যু পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে আমরা পারিবারিকভাবে কথা বলছি, জানাজা দাফনসহ যাবতীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে জানিয়ে দেয়া হবে।

দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন ফরিদা পারভীন। কিছুদিন ধরে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, সপ্তাহে দুই দিন তাকে ডায়ালাইসিস করাতে হয়।

গেল সপ্তাহেই শিল্পীর বড় ছেলে জানান, নিয়মিত ডায়ালাইসিসের অংশ হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় মাকে। কিন্তু ডায়ালাইসিসের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তখন চিকিৎসক তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। এর পর থেকে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সবশেষ লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয় বর্ষীয়ান এই শিল্পীকে। গঠন করা হয় মেডিকেল বোর্ড। উপল জানান, বর্তমান সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় নিয়মিত খোঁজ রাখতেন চিকিৎসাধীন ফরিদা পারভীনের। পাশাপাশি বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকেও ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থার নিয়মিত খোঁজ খবর নেয়া হত।

১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারে নজরুলসংগীত দিয়ে সংগীতজীবন শুরু করেন ফরিদা পারভীন। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গান গেয়ে পরিচিতি পান তিনি। পরে সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে লালনসংগীতে তালিম নিয়ে ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন লালনসংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তী।

শিশুদের লালন সংগীত শেখানোর জন্য তিনি অচিন পাখি স্কুল নামে একটি গানের স্কুল গড়ে তুলেন।

সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। পরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পান তিনি।

সূত্র: চ্যানেল আই