ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে হুইল চেয়ার,ট্রলি সরবরাহ এবং দালালের দৌরাত্ম বন্ধের নির্দেশ রমজান মাসের অমূল্য রত্ন রোজাদারের দোয়া মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে? ওপেন হার্ট সার্জারি শেষে ঘরে ফিরলেন অভিনেতা ‘আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল’ হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ: জিনিয়া শারমিন রিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ রামুতে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন, দাম্পত্যকলহ নাকি পরকীয়া?  নিজেরসহ পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রকাশ করলেন আসিফ মাহমুদ ‘সুপ্রভাত কক্সবাজার’-এর ইফতার ও শুভেচ্ছা আড্ডা অনুষ্ঠিত পোকখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় ফরিদুল আলম ফরিদ উখিয়ায় অস্ত্রসহ ৫ রোহিঙ্গা ডাকাত আটক ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কলাতলী গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন খেজুর কেন ইফতারে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী?

পায়ে হেঁটে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পৌঁছালো ঢাবি স্কাউট গ্রুপের ৪ শিক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের ৪ জনের একটি টীম ১৫০ কিমি পায়ে হেঁটে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের পৌঁছেছে। “প্রেসিডেন্ট’স রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড” অর্জনের লক্ষ্যে ৫ দিনে পায়ে হেঁটে পরিভ্রমণ করে তারা। রোভারিংয়ের সর্বোচ্চ সম্মান এই অ্যাওয়ার্ড অর্জনের একটি ধাপ হলো “পরিভ্রমণকারী ব্যাজ”। এটি অর্জনের জন্য রোভারদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পায়ে হেঁটে ১৫০ কিমি, বা সাইকেলযোগে ৫০০ কিমি, অথবা নৌকাযোগে ২৫০ কিমি ভ্রমণ করতে হয়।

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভার স্কাউট দলের চার সদস্য আহসান উল্লাহ (টীম লিডার), সারতাজ সাহাদৎ, জয়নাল আবেদীন, এবং শাহজাহান সম্রাট কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এর মাধ্যমে পরিভ্রমণ শেষ করেন।

১৩ ডিসেম্বর পরিভ্রমণ পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথমদিন চট্টগ্রাম কলেজ থেকে ৩৪ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে সরকারি গাছবাড়িয়া কলেজে পৌঁছেন তারা। দ্বিতীয় দিন সরকারি গাছবাড়িয়া কলেজ, চন্দনাইশ থেকে ২৮ কিলোমিটার অতিক্রম করে লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদে পৌঁছে, তৃতীয় দিন লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদ থেকে ৩১ কিলোমিটার হেঁটে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ এবং চতুর্থ দিন চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ থেকে ২৮ কিলোমিটার ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদে পৌঁছেন তারা। সর্বশেষ পঞ্চম দিন ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদ থেকে ৩০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে চূড়ান্ত গন্তব্য কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছে। প্রথিমধ্যে তারা সরকারি দফতরগুলোতে দফতর প্রধানদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং জনসচেতনতায় সমসাময়িক ইস্যু, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করেন।

টিম লিডার আহসান উল্লাহ বলেন, স্কাউটিংয়ের সবচেয়ে অ্যাডভেঞ্চারাস ও এক্সাসাইটিং অংশ এই পরিভ্রমণ। আমরা সাধারণত, পাহাড়ি এলাকা, ঐতিহাসিক স্থান, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর এলাকাকেই বেছে নিই। পরিভ্রমণের মাধ্যমে আমরা তাঁদের জীবনাচার সম্পর্কে ধারণা অর্জন করি। এবার আমি আমার জন্মভূমি মাটি ও মানুষের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জীবনাচার সম্পর্কে জানতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রোডটি বেঁছে নিয়েছি। এর মাধ্যমের আমরা আমাদের অভিষ্ট্য লক্ষ্য রোভারিংয়ের সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে আমরা মাটি ও মানুষের গর্বিত করতে পারবো বলে আশাকরি।

উল্লেখ্য আহসান উল্লাহ কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা এবং জয়নাল আবেদীন টেকনাফ উপজেলার কৃতি সন্তান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পায়ে হেঁটে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পৌঁছালো ঢাবি স্কাউট গ্রুপের ৪ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের ৪ জনের একটি টীম ১৫০ কিমি পায়ে হেঁটে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের পৌঁছেছে। “প্রেসিডেন্ট’স রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড” অর্জনের লক্ষ্যে ৫ দিনে পায়ে হেঁটে পরিভ্রমণ করে তারা। রোভারিংয়ের সর্বোচ্চ সম্মান এই অ্যাওয়ার্ড অর্জনের একটি ধাপ হলো “পরিভ্রমণকারী ব্যাজ”। এটি অর্জনের জন্য রোভারদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পায়ে হেঁটে ১৫০ কিমি, বা সাইকেলযোগে ৫০০ কিমি, অথবা নৌকাযোগে ২৫০ কিমি ভ্রমণ করতে হয়।

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভার স্কাউট দলের চার সদস্য আহসান উল্লাহ (টীম লিডার), সারতাজ সাহাদৎ, জয়নাল আবেদীন, এবং শাহজাহান সম্রাট কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এর মাধ্যমে পরিভ্রমণ শেষ করেন।

১৩ ডিসেম্বর পরিভ্রমণ পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথমদিন চট্টগ্রাম কলেজ থেকে ৩৪ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে সরকারি গাছবাড়িয়া কলেজে পৌঁছেন তারা। দ্বিতীয় দিন সরকারি গাছবাড়িয়া কলেজ, চন্দনাইশ থেকে ২৮ কিলোমিটার অতিক্রম করে লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদে পৌঁছে, তৃতীয় দিন লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদ থেকে ৩১ কিলোমিটার হেঁটে চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ এবং চতুর্থ দিন চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ থেকে ২৮ কিলোমিটার ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদে পৌঁছেন তারা। সর্বশেষ পঞ্চম দিন ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদ থেকে ৩০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে চূড়ান্ত গন্তব্য কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছে। প্রথিমধ্যে তারা সরকারি দফতরগুলোতে দফতর প্রধানদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং জনসচেতনতায় সমসাময়িক ইস্যু, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করেন।

টিম লিডার আহসান উল্লাহ বলেন, স্কাউটিংয়ের সবচেয়ে অ্যাডভেঞ্চারাস ও এক্সাসাইটিং অংশ এই পরিভ্রমণ। আমরা সাধারণত, পাহাড়ি এলাকা, ঐতিহাসিক স্থান, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর এলাকাকেই বেছে নিই। পরিভ্রমণের মাধ্যমে আমরা তাঁদের জীবনাচার সম্পর্কে ধারণা অর্জন করি। এবার আমি আমার জন্মভূমি মাটি ও মানুষের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জীবনাচার সম্পর্কে জানতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রোডটি বেঁছে নিয়েছি। এর মাধ্যমের আমরা আমাদের অভিষ্ট্য লক্ষ্য রোভারিংয়ের সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে আমরা মাটি ও মানুষের গর্বিত করতে পারবো বলে আশাকরি।

উল্লেখ্য আহসান উল্লাহ কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা এবং জয়নাল আবেদীন টেকনাফ উপজেলার কৃতি সন্তান।