ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতার পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত গর্জনিয়ার সিজান দাখিলে জিপিএ ৫ পাওয়ায় মক্কা প্রাদেশিক বিএনপি পরিবারের অভিনন্দন এসএসসিতে ১২৪৭ নম্বর পেয়ে ফাউজিয়া আফিয়া করিম কক্সবাজার জেলায় চতুর্থ ইপসা’র উদ্যোগে মানবপাচার প্রতিরোধ বিষয়ক পরামর্শ সভা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ, বিলবোর্ড ৭টায় টিটিএনে সংবাদ প্রকাশের পর লোহাগাড়ায় সড়ক দখলকরে ছাগলের বাজার বসানো ইজারাদারকে জরিমানা ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন এসএসসিতে পেকুয়ার সেরা মাহাথিরের পুলিশে রদবদল, বিদায় নিচ্ছেন কক্সবাজারের এসপি? রামু থেকে অটোরিকশা ভাড়া করে ছিনতাই : রক্তাক্ত অবস্থায় চালককে পেকুয়া থেকে উদ্ধার  লোহাগাড়ার পদুয়ায় সড়ক দখল করে ছাগলের বাজার, মহাসড়কে তীব্র যানজট কক্সবাজার আদালতে গোলাগুলি, আত্মসমর্পণ করে কারাগারে বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী এসএসসিতে কক্সবাজারে সেরা মুনতাকা সাইবা,বিজ্ঞান, ব্যবসা ও মানবিক বিভাগে সেরা যারা আবারও রিমান্ডে ডেভিড ইমন সার ছি’নতাইয়ে আলোচিত সেই কামাল মেম্বারের ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ হারালো দুই বন্ধু ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে : তথ্যমন্ত্রী

সুরা নিসায় আল্লাহর জিকিরের গুরুত্ব নিয়ে যা বলা হয়েছে

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
  • 998

জিকির অর্থ স্মরণ করা, মনে করা। সাধারণত, জিকির বলতে আল্লাহর স্মরণকে বুঝানো হয়। একজন মুসলিমের জন্য আল্লাহর জিকির অনেক গুরুত্ব বহন করে।

জিকির বা আল্লাহর স্মরণ একটি ফজিলতপূর্ণ আমল। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করবে যাতে তোমরা সফলতা অর্জন কর। (সুরা আনফাল, আয়াত : ৪৫) আরও বর্ণিত হয়েছে, ‘যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়, জেনে রাখ আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ শান্তি পায়। -(সুরা রাদ, আয়াত : ২৮)

এই আয়াতগুলোতে জিকিরের ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। অপরদিকে পবিত্র কোরআনের সুরা নিসায় আল্লাহ তায়ালা জিকিরের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। নামাজ ছাড়া অন্য সময়গুলোতে দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে জিকির করার অর্থাৎ তাকে স্মরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্ণিত হয়েছে—

فَاِذَا قَضَیۡتُمُ الصَّلٰوۃَ فَاذۡكُرُوا اللّٰهَ قِیٰمًا وَّ قُعُوۡدًا وَّ عَلٰی جُنُوۡبِكُمۡ ۚ فَاِذَا اطۡمَاۡنَنۡتُمۡ فَاَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ ۚ اِنَّ الصَّلٰوۃَ كَانَتۡ عَلَی الۡمُؤۡمِنِیۡنَ كِتٰبًا مَّوۡقُوۡتًا

যখন তোমরা নামাজ আদায় করে নেবে, তখন দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করবে, অতঃপর যখন তোমরা নিরাপদ হবে তখন (যথানিয়মে) নামাজ কায়িম করবে। নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ কায়িম করা মুমিনদের জন্য অবশ্য কর্তব্য। (সুরা নিসা, আয়াত : ১০৩)

এই আয়াতে যথাসময়ে নামাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ থেকে বুঝা যায় যে, কোন শরয়ী অপারগতা ছাড়া নামাজ কাজা করা উচিত নয়। নামাজের পর অন্য সময়গুলোতে আল্লাহর জিকির করতে বলা হয়েছে।

জিকিরের গুরুত্ব সম্পর্কে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন—

আল্লাহ তায়ালা যখনই কোনো ফরজ তার বান্দাদের উপর অবধারিত করে দিয়েছেন তখনই সেটার একটা সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তারপর যারা সেটা করতে সক্ষম হবে না তাদেরকে ভিন্ন পথ বাতলে দিয়েছেন। এর ব্যতিক্রম হচ্ছে, আল্লাহর জিকির। এই জিকির এর ব্যাপারে যতক্ষণ কেউ সুস্থ বিবেকসম্পন্ন থাকে, ততক্ষণ আল্লাহ তায়ালা কাউকে অপারগতা আপত্তি পেশ করার সুযোগ দেননি। সর্বাবস্থায় তাকে জিকির করতে হবে। রাত-দিন, জল-স্থল, চালিয়ে যেতে হবে। এ আয়াতের এটাই ভাষ্য। (তাবারী, আত-তাফসীরুস সহীহ)

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুতুবদিয়ায় আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতার পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

সুরা নিসায় আল্লাহর জিকিরের গুরুত্ব নিয়ে যা বলা হয়েছে

আপডেট সময় : ০২:১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

জিকির অর্থ স্মরণ করা, মনে করা। সাধারণত, জিকির বলতে আল্লাহর স্মরণকে বুঝানো হয়। একজন মুসলিমের জন্য আল্লাহর জিকির অনেক গুরুত্ব বহন করে।

জিকির বা আল্লাহর স্মরণ একটি ফজিলতপূর্ণ আমল। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করবে যাতে তোমরা সফলতা অর্জন কর। (সুরা আনফাল, আয়াত : ৪৫) আরও বর্ণিত হয়েছে, ‘যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়, জেনে রাখ আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ শান্তি পায়। -(সুরা রাদ, আয়াত : ২৮)

এই আয়াতগুলোতে জিকিরের ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। অপরদিকে পবিত্র কোরআনের সুরা নিসায় আল্লাহ তায়ালা জিকিরের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। নামাজ ছাড়া অন্য সময়গুলোতে দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে জিকির করার অর্থাৎ তাকে স্মরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্ণিত হয়েছে—

فَاِذَا قَضَیۡتُمُ الصَّلٰوۃَ فَاذۡكُرُوا اللّٰهَ قِیٰمًا وَّ قُعُوۡدًا وَّ عَلٰی جُنُوۡبِكُمۡ ۚ فَاِذَا اطۡمَاۡنَنۡتُمۡ فَاَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ ۚ اِنَّ الصَّلٰوۃَ كَانَتۡ عَلَی الۡمُؤۡمِنِیۡنَ كِتٰبًا مَّوۡقُوۡتًا

যখন তোমরা নামাজ আদায় করে নেবে, তখন দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করবে, অতঃপর যখন তোমরা নিরাপদ হবে তখন (যথানিয়মে) নামাজ কায়িম করবে। নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ কায়িম করা মুমিনদের জন্য অবশ্য কর্তব্য। (সুরা নিসা, আয়াত : ১০৩)

এই আয়াতে যথাসময়ে নামাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ থেকে বুঝা যায় যে, কোন শরয়ী অপারগতা ছাড়া নামাজ কাজা করা উচিত নয়। নামাজের পর অন্য সময়গুলোতে আল্লাহর জিকির করতে বলা হয়েছে।

জিকিরের গুরুত্ব সম্পর্কে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন—

আল্লাহ তায়ালা যখনই কোনো ফরজ তার বান্দাদের উপর অবধারিত করে দিয়েছেন তখনই সেটার একটা সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তারপর যারা সেটা করতে সক্ষম হবে না তাদেরকে ভিন্ন পথ বাতলে দিয়েছেন। এর ব্যতিক্রম হচ্ছে, আল্লাহর জিকির। এই জিকির এর ব্যাপারে যতক্ষণ কেউ সুস্থ বিবেকসম্পন্ন থাকে, ততক্ষণ আল্লাহ তায়ালা কাউকে অপারগতা আপত্তি পেশ করার সুযোগ দেননি। সর্বাবস্থায় তাকে জিকির করতে হবে। রাত-দিন, জল-স্থল, চালিয়ে যেতে হবে। এ আয়াতের এটাই ভাষ্য। (তাবারী, আত-তাফসীরুস সহীহ)

সূত্র: ঢাকা পোস্ট