ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ ২০ হাজার টাকায় আড়াই মাসের শিশু কেনার চেষ্টা, পুলিশ হেফাজতে পর্যটক দম্পতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: ছাত্রদলের রাজনীতি ও স্বপ্নময় বাংলাদেশের অভিযাত্রা পূর্ব সীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের আত্মপ্রকাশ সভাপতি মাঈনুদ্দিন, সম্পাদক হুমায়ুন সেন্টমার্টিনে সালিশ বৈঠকে সাবেক মেম্বারের নেতৃত্বে হামলা : আহত বর্তমান মেম্বার শিল্পী ইয়াসির আরাফাত-এর দ্বিতীয় একক চিত্রপ্রদর্শনী শুরু ৩০ মে টেকনাফে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের নতুন এসপি মোঃ মারুফাত হোসাইন: এসপি নিহাদ হেডকোয়ার্টারে টেকনাফ সাবরাংয়ে সংঘর্ষের বলি কিশোর ইব্রাহিম, আটক ১ ঈদের আনন্দের মধ্যেই সড়কে ঝরল ১৬ প্রাণ ভারতে কারাভোগ শেষে ঈদের দিন দেশে ফিরেছেন ৩৬ বাংলাদেশি যুবক মিয়ানমারে পণ্য পাচারকে কেন্দ্র করে হোয়াইক্যংয়ের দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ কোরবানির বরাদ্দ: কাগজে মাংস, নাকি মানুষের ঘরে? সোনারপাড়ার সাদাবালি রিসোর্টে আগুন: শত্রুতা বলছে মালিক পক্ষ উখিয়ার ওসি কি সত্যিই বদলি? ১২ দিনেও নেই সেই ‘মা’ হত্যা মামলার অগ্রগতি

২০২৬ সালে ধরাছোঁয়ার বাইরে যেতে পারে স্বর্ণের দাম

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • 821

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আগামী কয়েক বছরের মধ্যে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ব্যাংক অব আমেরিকা। প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মধ্যে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫,০০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। ওই সময় স্বর্ণের গড় দাম দাঁড়াতে পারে প্রায় ৪,৪০০ ডলার।

বর্তমানে স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের দামে সামান্য পতন দেখা গেলেও, বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি কেবল অস্থায়ী। দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণের দাম বাড়তেই থাকবে বলে তাদের ধারণা। কয়েক বছর আগেও যেখানে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা, সেখানে এখন তা ২ লাখ টাকার বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই মূল্যপতন স্বর্ণে নতুন করে বিনিয়োগের একটি সুযোগ হতে পারে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান বলেন, “আমেরিকার চলমান অর্থনৈতিক শাটডাউন ও ডলার সংকটের কারণে অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের পরিবর্তে স্বর্ণ কিনছে। এতে দামে বড় ধরনের উত্থান দেখা গিয়েছিল। পরে বড় বড় বিনিয়োগ তহবিলগুলো মুনাফা তুলে নেওয়ায় সাময়িক পতন হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববাজারের অস্থিরতা কমলে দামও কিছুটা স্থিতিশীল হবে। তবে এক লাখ বা দেড় লাখ টাকায় আর নামার সম্ভাবনা নেই। স্বর্ণ এখন এমন এক ভারসাম্যপূর্ণ দামে থাকবে, যেখানে ক্রেতারা আবারও বাজারে ফিরতে পারবেন।”

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে ১৪.৫৮ টন সোনা রয়েছে, যা গত চার বছর ধরে অপরিবর্তিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বর্ণের এই রিজার্ভ আরও বাড়ানো গেলে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বৈদেশিক মুদ্রার নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

২০২৬ সালে ধরাছোঁয়ার বাইরে যেতে পারে স্বর্ণের দাম

আপডেট সময় : ০৩:১১:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আগামী কয়েক বছরের মধ্যে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ব্যাংক অব আমেরিকা। প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মধ্যে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫,০০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। ওই সময় স্বর্ণের গড় দাম দাঁড়াতে পারে প্রায় ৪,৪০০ ডলার।

বর্তমানে স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের দামে সামান্য পতন দেখা গেলেও, বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি কেবল অস্থায়ী। দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণের দাম বাড়তেই থাকবে বলে তাদের ধারণা। কয়েক বছর আগেও যেখানে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা, সেখানে এখন তা ২ লাখ টাকার বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই মূল্যপতন স্বর্ণে নতুন করে বিনিয়োগের একটি সুযোগ হতে পারে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান বলেন, “আমেরিকার চলমান অর্থনৈতিক শাটডাউন ও ডলার সংকটের কারণে অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের পরিবর্তে স্বর্ণ কিনছে। এতে দামে বড় ধরনের উত্থান দেখা গিয়েছিল। পরে বড় বড় বিনিয়োগ তহবিলগুলো মুনাফা তুলে নেওয়ায় সাময়িক পতন হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববাজারের অস্থিরতা কমলে দামও কিছুটা স্থিতিশীল হবে। তবে এক লাখ বা দেড় লাখ টাকায় আর নামার সম্ভাবনা নেই। স্বর্ণ এখন এমন এক ভারসাম্যপূর্ণ দামে থাকবে, যেখানে ক্রেতারা আবারও বাজারে ফিরতে পারবেন।”

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে ১৪.৫৮ টন সোনা রয়েছে, যা গত চার বছর ধরে অপরিবর্তিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বর্ণের এই রিজার্ভ আরও বাড়ানো গেলে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বৈদেশিক মুদ্রার নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।