কক্সবাজারে গভীর রাতে হঠাৎ কালবৈশাখীর প্রভাব দেখা গেছে। রাত প্রায় ৩টা থেকে শুরু হওয়া দমকা হাওয়ার সঙ্গে ছিল হালকা বৃষ্টি, তবে বাতাসের তীব্রতা ছিল অনেক বেশি।
শহরের বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই ঝড়ো হাওয়ার গতি বেড়ে যায়, এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক তৈরি হয়। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয়রা পোস্ট দিয়ে জানাচ্ছেন- বৃষ্টি কম হলেও বাতাস ছিল বেশ তীব্র।
এদিকে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ওসমান সরোয়ার টিপু এক জরুরি সতর্কবার্তায় এলাকাবাসীকে অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে পাহাড়ের চূড়া ও কিনারায় অবস্থানকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে নেমে আসার অনুরোধ করেন তিনি।
অন্যদিকে, ইমরানুল হাসান আরফাত নামে একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, কক্সবাজারে মারাত্মক বাতাস ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে পাহাড়ি জনপদের বাসিন্দাদের পাহাড় ধসের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড় কাটা অব্যাহত থাকায় দুর্বল মাটি যে কোনো সময় ধসে পড়তে পারে।
এছাড়া রায়হান রিজভি নামে একজন নিজের পোস্টে লিখেছেন, “কক্সবাজারে মধ্যরাতে প্রচণ্ড বাতাস! আল্লাহ পাক সবাইকে হেফাজত করুক।”
সাংবাদিক এস এন হানিফ লিখেছেন, কালবৈশাখীর দাপটে ঝড়ো হাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন না ধরায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পূর্বাভাসে মার্চের শেষের দিকে সারাদেশে কালবৈশাখী ঝড়ের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছিল।
এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 


















