ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২ বছর পর পর্দা উঠলো পর্যটন মেলার, তারকামানের হোটেলে বিশেষ ছাড় কুতুবদিয়া থানা কাবাডি দলের জার্সি উন্মোচন কক্সবাজারে চোরাই মালামালসহ গ্রেপ্তার ২ কবি অমিত চৌধুরী কে পাওয়া গেছে : মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার কক্সবাজারে প্রাক্তন এডিসি আশরাফুল আফসার আর নেই টেকনাফে এসআরবির অভিযান: মালয়েশিয়া পাচারের হাত থেকে ১৭ ভিকটিম উদ্ধার উখিয়ায় স্থানীয় যুবককে অপহরণের চেষ্টা : অস্ত্রসহ দুই রোহিঙ্গা যুবক আটক কবি অমিত চৌধুরী নিখোঁজ : সন্ধান চায় পরিবার পদুয়ার মাঠে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ : পেকুয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে লোহাগাড়ার জয় রেইনবো নেশন গড়ে তুলে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ নির্মাণই সরকারের লক্ষ্য-পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু কক্সবাজারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম পরিদর্শনে বিসিবির পরিচালক সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ বিজিবির কে-নাইন স্কোয়াডের সহায়তায় ৫২ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মহেশখালীর সোলাইমানের মৃত্যু লামায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবার পেল ঘর নির্মাণ ও গৃহস্থালি সামগ্রী মাদক ও সীমান্ত অপরাধ রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন, কক্সবাজারকে করা হবে আধুনিক পর্যটন নগরী-পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু

সোনাদিয়া দ্বীপে বেজার ইকো-ট্যুরিজম পার্কের কার্যক্রম স্থগিত

হাইকোর্ট

কক্সবাজারের মহেশখালীতে সোনাদিয়া দ্বীপে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলার শর্তে সরকারের অনুকূলে ৯ হাজার ৪৬৭ একর জমির বরাদ্দ স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। মাত্র ১ হাজার ১ টাকা সেলামিতে বেজাকে এ বরাদ্দ দিয়েছিল জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আইনজীবী হাসানুল বান্না আদেশের বিষয়টি জানিয়েছেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। এর আগে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এ বিষয়ে রিট দায়ের করে।

সোনাদিয়া দ্বীপের ৯ হাজার ৪৬৭ একর জমি ইকো পার্ক নির্মাণের জন্য দেওয়া হয় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষকে। এটি দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে মনে করেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী। তিনি জানান, কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার এ দ্বীপেই গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম ইকো-ট্যুরিজম পার্ক।

পরিকল্পিত ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তুলতে তৈরি করা হচ্ছে মাস্টারপ্ল্যান। মাহিন্দ্র ইঞ্জিনিয়ারিং নামে ভারতের একটি প্রতিষ্ঠান এই মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ করছে।
একসময় সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলার চিন্তা করা হলেও তা থেকে সরে এসে ইকো-ট্যুরিজমের মাধ্যমে দ্বীপটিকে অর্থনৈতিক জোন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ অনুযায়ী এ দ্বীপের পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এমন কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। দ্বীপটিতে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটাতে দ্বীপবাসীর সম্পৃক্ততায় কমিউনিটিভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজমের সুযোগ রয়েছে। তবে মাস্টারপ্ল্যানে দীর্ঘমেয়াদের পর্যটন পরিকল্পনায় সোনাদিয়াকে কীভাবে সাজানো হচ্ছে তার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে বলে জানিয়েছিলেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

২ বছর পর পর্দা উঠলো পর্যটন মেলার, তারকামানের হোটেলে বিশেষ ছাড়

সোনাদিয়া দ্বীপে বেজার ইকো-ট্যুরিজম পার্কের কার্যক্রম স্থগিত

আপডেট সময় : ১১:৫৮:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪

কক্সবাজারের মহেশখালীতে সোনাদিয়া দ্বীপে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলার শর্তে সরকারের অনুকূলে ৯ হাজার ৪৬৭ একর জমির বরাদ্দ স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। মাত্র ১ হাজার ১ টাকা সেলামিতে বেজাকে এ বরাদ্দ দিয়েছিল জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আইনজীবী হাসানুল বান্না আদেশের বিষয়টি জানিয়েছেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন। এর আগে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এ বিষয়ে রিট দায়ের করে।

সোনাদিয়া দ্বীপের ৯ হাজার ৪৬৭ একর জমি ইকো পার্ক নির্মাণের জন্য দেওয়া হয় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষকে। এটি দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে মনে করেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী। তিনি জানান, কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার এ দ্বীপেই গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম ইকো-ট্যুরিজম পার্ক।

পরিকল্পিত ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তুলতে তৈরি করা হচ্ছে মাস্টারপ্ল্যান। মাহিন্দ্র ইঞ্জিনিয়ারিং নামে ভারতের একটি প্রতিষ্ঠান এই মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ করছে।
একসময় সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলার চিন্তা করা হলেও তা থেকে সরে এসে ইকো-ট্যুরিজমের মাধ্যমে দ্বীপটিকে অর্থনৈতিক জোন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ অনুযায়ী এ দ্বীপের পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এমন কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। দ্বীপটিতে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটাতে দ্বীপবাসীর সম্পৃক্ততায় কমিউনিটিভিত্তিক ইকো-ট্যুরিজমের সুযোগ রয়েছে। তবে মাস্টারপ্ল্যানে দীর্ঘমেয়াদের পর্যটন পরিকল্পনায় সোনাদিয়াকে কীভাবে সাজানো হচ্ছে তার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে বলে জানিয়েছিলেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান।