কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সোনাদিয়া দ্বীপের ভূমি উদ্ধারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোনাদিয়া দ্বীপের প্যারাবন ধ্বংস করে চিংড়ী ঘের তৈরী, অবৈধভাবে নির্মিত বাঁধ ও স্লুইসগেট উচ্ছেদে নামবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেয়া হয়েছে।
সোনাদিয়া দ্বীপ ও সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে নির্মিত বাঁধ এবং অবৈধ দখলদারদের তৈরি স্লুইসগেট দ্রুত অপসারণের কাজ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। গত ৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী এই প্রস্তাবে অনুমোদন প্রদান করেন।
সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৪ শাখা থেকে উপসম্পাদক উম্মে কুলসুম ফেরদৌসী স্বাক্ষরিত এক সরকারি চিঠিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
স্ট্রেনদেনিং ক্যাপাসিটি অফ এমওইএফসিসি,ডিওই এন্ড বিএফডি ফর ন্যাচারাল রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইমপ্রুভড ক্লাইমেট রিসিলিয়ান্স প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী এই ভূমি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।
মন্ত্রনালয়ের চিঠি প্রেরণের তথ্য জানা গেলেও, কবে থেকে নৌবাহিনী এ কার্যক্রম শুরু করবে তা জানা যায়নি।
জানা গেছে, সোনাদিয়ার ৭ হাজার একর জমি অবৈধভাবে দখল করে ৮২ টি চিংড়ি ঘের তৈরী করা হয়েছে।
এদিকে প্যারাবন রক্ষায় সরকারের এ উদ্যোগ কে স্বাগত জানিয়েছে পরিবেশবাদীরা। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন,বাপার কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক করিম উল্লাহ কলিম বলেন, “সোনাদিয়ার প্রাণ প্রকৃতি রক্ষায় দখলদারদের উচ্ছেদে নৌবাহিনীকে দায়িত্ব দেয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করছি।”
তিনি বলেন, কাল বিলম্ব না করে দ্রুত দখল উচ্ছেদে নৌবাহিনীর কাজ শুরু করা দরকার এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া দরকার।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















