ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন ৪১ জন পেলেন ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক “সন্ত্রাস-চাঁদাবাজিতে উদ্বেগজনক সময় পার করছে দেশবাসী” রামুতে পৃথক অভিযানে ৩২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৩ রোহিঙ্গা সংকট জটিল ও স্পর্শকাতর ইস্যুতে পরিণত হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুতুবদিয়ায় পানিতে পড়ে নিখোঁজ শিশুকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্ত কারাগারে উখিয়ায় সতীনের সঙ্গে বিরোধের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করলেন আইনজীবী ইয়াছির আরাফাত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গভীর রাতে সাগরের মাছ পাচার তথ্য মহাসড়কে বাংলাদেশের ২০ বছরের গৌরবযাত্রা: কক্সবাজার থেকে শুরু হয়েছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের বৈশ্বিক সংযোগ নেইমারের বিশ্বকাপ আক্ষেপ—২০২৬ কি হবে শেষ স্বপ্নপূরণের মঞ্চ? ডিএনএ রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই চার্জশিট: আইনমন্ত্রী স্পোর্টস ও ইভি গাড়ি প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী

সূর্যগ্রহণের পর এবার চন্দ্রগ্রহণ, কখন-কোন সময় দেখে যাবে?

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১১:৫৭:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 276

সাম্প্রতিক সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় দেখা যায়নি। এই মহাজাগতিক ঘটনা থেকে এসব দেশের মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন। এবার পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখার সুযোগ এলো। কম সময়ের জন্য হলেও ওই চন্দ্রগ্রহণ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন বাংলাদেশের মানুষ।

চন্দ্রগ্রহণ কেন হয়?

চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। তার ওপর সূর্যের আলো পড়ে। তার পরেই তাকে দেখা যায়। পৃথিবী চাঁদ এবং সূর্যের মাঝে চলে এলে সূর্যের আলো আর চাঁদে পড়ে না। বদলে পৃথিবীর ছায়া পড়ে চাঁদের উপরে। তখনই হয় চন্দ্রগ্রহণ। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের রঙ হয় লাল। সে কারণে তাকে ‘রক্ত চাঁদ’ (ব্লাড মুন)-ও বলা হয়ে থাকে।

সূর্যগ্রহণ যেমন খালি চোখে দেখা যায় না, চন্দ্রগ্রহণের ক্ষেত্রে সে রকম কোনো সমস্যা নেই। রাতে আকাশে খালি চোখেই উপভোগ করা যায়। চন্দ্রগ্রহণ চলে দীর্ঘ ক্ষণ ধরে।

কখন এবং কোথায় দেখা যাবে?

আগামী ৩ মার্চ পৃথিবীর যে যে দিকে রাত থাকবে, সেখান থেকে দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। বাংলাদেশ থেকে ও ভারত থেকেও দেখা যাবে। তবে কম সময়ের জন্য।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলবে গ্রহণ। সবচেয়ে নাটকীয় পর্যায় চলবে ৫৮ মিনিট ১৫ সেকেন্ড ধরে। সেই সময় আকাশে খালি চোখে তাকালেই দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। তবে পৃথিবীর সব জায়গা থেকে তা দেখা যাবে না। আমেরিকার পশ্চিমের স্টেটগুলোতে সেই গ্রহণ দেখা যাবে ৩ মার্চ ভোর ৪টা ৪ মিনিট থেকে ৫টা ২ মিনিট পর্যন্ত (আমেরিকার সময়)।

ভারতে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ৩ মার্চ বিকাল ৪টা ৫৮ মিনিট থেকে (ভারতীয় সময়)। দেশে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে বিকাল ৫টা ৩২ মিনিটে। খণ্ডগ্রাস দেখা যাবে রাত ৭টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত।

বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু: বিকাল ৫টা ২৮ মিনিট। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ: সন্ধ্যা ৬টা ২ মিনিট। খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ: রাত ৮টা ২৩ মিনিট।

কেন পূর্ণগ্রাসের সময় চাঁদের রঙ লাল হয়?

পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ পুরোপুরি কালো কিন্তু হয় না। বদলে লাল হয়ে ওঠে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল যখন সূর্যের আলো গ্রহণ করে (তার মধ্যে দিয়ে যখন সেই রশ্মি প্রতিসরিত হয়), তখন সূর্যরশ্মির লাল অংশ কম পরিমাণে প্রতিসরিত হয় এবং তা চাঁদের ওপরে গিয়ে পড়ে। অন্য দিকে, সূর্যরশ্মির নীল অংশটি চার দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। তাই চাঁদকে গ্রহণের সময়ে গাঢ় কালচে লাল দেখা যায়। কিন্তু কখনও কালো দেখায় না।

সূত্র:যুগান্তর

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন

সূর্যগ্রহণের পর এবার চন্দ্রগ্রহণ, কখন-কোন সময় দেখে যাবে?

আপডেট সময় : ১১:৫৭:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাম্প্রতিক সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় দেখা যায়নি। এই মহাজাগতিক ঘটনা থেকে এসব দেশের মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন। এবার পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখার সুযোগ এলো। কম সময়ের জন্য হলেও ওই চন্দ্রগ্রহণ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন বাংলাদেশের মানুষ।

চন্দ্রগ্রহণ কেন হয়?

চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। তার ওপর সূর্যের আলো পড়ে। তার পরেই তাকে দেখা যায়। পৃথিবী চাঁদ এবং সূর্যের মাঝে চলে এলে সূর্যের আলো আর চাঁদে পড়ে না। বদলে পৃথিবীর ছায়া পড়ে চাঁদের উপরে। তখনই হয় চন্দ্রগ্রহণ। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের রঙ হয় লাল। সে কারণে তাকে ‘রক্ত চাঁদ’ (ব্লাড মুন)-ও বলা হয়ে থাকে।

সূর্যগ্রহণ যেমন খালি চোখে দেখা যায় না, চন্দ্রগ্রহণের ক্ষেত্রে সে রকম কোনো সমস্যা নেই। রাতে আকাশে খালি চোখেই উপভোগ করা যায়। চন্দ্রগ্রহণ চলে দীর্ঘ ক্ষণ ধরে।

কখন এবং কোথায় দেখা যাবে?

আগামী ৩ মার্চ পৃথিবীর যে যে দিকে রাত থাকবে, সেখান থেকে দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। বাংলাদেশ থেকে ও ভারত থেকেও দেখা যাবে। তবে কম সময়ের জন্য।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলবে গ্রহণ। সবচেয়ে নাটকীয় পর্যায় চলবে ৫৮ মিনিট ১৫ সেকেন্ড ধরে। সেই সময় আকাশে খালি চোখে তাকালেই দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। তবে পৃথিবীর সব জায়গা থেকে তা দেখা যাবে না। আমেরিকার পশ্চিমের স্টেটগুলোতে সেই গ্রহণ দেখা যাবে ৩ মার্চ ভোর ৪টা ৪ মিনিট থেকে ৫টা ২ মিনিট পর্যন্ত (আমেরিকার সময়)।

ভারতে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ৩ মার্চ বিকাল ৪টা ৫৮ মিনিট থেকে (ভারতীয় সময়)। দেশে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে বিকাল ৫টা ৩২ মিনিটে। খণ্ডগ্রাস দেখা যাবে রাত ৭টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত।

বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু: বিকাল ৫টা ২৮ মিনিট। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ: সন্ধ্যা ৬টা ২ মিনিট। খণ্ডগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ: রাত ৮টা ২৩ মিনিট।

কেন পূর্ণগ্রাসের সময় চাঁদের রঙ লাল হয়?

পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ পুরোপুরি কালো কিন্তু হয় না। বদলে লাল হয়ে ওঠে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল যখন সূর্যের আলো গ্রহণ করে (তার মধ্যে দিয়ে যখন সেই রশ্মি প্রতিসরিত হয়), তখন সূর্যরশ্মির লাল অংশ কম পরিমাণে প্রতিসরিত হয় এবং তা চাঁদের ওপরে গিয়ে পড়ে। অন্য দিকে, সূর্যরশ্মির নীল অংশটি চার দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। তাই চাঁদকে গ্রহণের সময়ে গাঢ় কালচে লাল দেখা যায়। কিন্তু কখনও কালো দেখায় না।

সূত্র:যুগান্তর