ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন ৬ বছর পর নিষিদ্ধ অবস্থায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি লোহাগাড়ায় পুকুরে গোসলে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার সদর থানার বিশেষ অভিযান : গ্রেফতার ১৫ রামুতে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও ডাকাত আটক, ৩ জনের কারাদণ্ড মা ইলিশ সংরক্ষণে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী পেকুয়ায় নিজ বিদ্যালয়ে সংবর্ধিত কউক চেয়ারম্যান ও কমেক অধ্যক্ষ উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযান : বালিভর্তি দুই অবৈধ ডাম্পার জব্দ কক্সবাজারে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা জাতীয় পর্যায়ে “সেরা গুণী শিক্ষক” সম্মাননা পেলেন রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল আব্দুর রহিম টেকনাফে এসআরবি ও বিজিবির যৌথ অভিযান : ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার বাস টার্মিনালের স্ট্যান্ড পার্ক হোটেলে আলোচিত কুলসুমা হত্যার প্রধান আসামী ইরফান গ্রেফতার সাগরে মাছ শিকারে বন্ধ : দুঃশ্চিন্তায় জেলেরা পেকুয়ায় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

সীমান্তের আরএসও’র গুলির পর বৈঠার আঘাতে রক্তাক্ত স্থানীয় যুবক

বিকেল সীমান্তসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় মাছ ধরতে যান মো. তারেক। এ সময় সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া সশস্ত্র সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অরগানাইজেশন (আরএসও) সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। যদিও গুলি তার শরীরে লাগেনি। পরে কাছে এসে নৌকার বৈঠা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তসংলগ্ন ফাইশ্শাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

তবে এব্যাপারে কিছু জানেন না দাবি করেছেন উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

আহত তারেক পালংখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আঞ্জুমানপাড়া এলাকার আবদুস সালামের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা তারেককে উদ্ধার করে দ্রুত উখিয়ার কোটবাজারের অরিজিন হাসপাতালে নিয়ে যান। বিকেল ৫টার দিকে জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তিনি বাড়ি চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক দরবেশ আলী।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, “আগে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বা ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনা শোনা যেত। এখন সরাসরি অস্ত্রধারীরা সাধারণ মানুষকে হামলা করছে। আমরা খুব আতঙ্কে আছি।”

এব্যাপারে জানতে চাইলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী। তার ভাষ্য, “সম্প্রতি আঞ্জুমান পাড়ার সীমান্তঘেঁষা এলাকা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিতদের নিষ্ক্রিয়তার ফল এটি।”

তার দাবি, সীমান্ত এলাকায় টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন

সীমান্তের আরএসও’র গুলির পর বৈঠার আঘাতে রক্তাক্ত স্থানীয় যুবক

আপডেট সময় : ১১:৫৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

বিকেল সীমান্তসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় মাছ ধরতে যান মো. তারেক। এ সময় সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া সশস্ত্র সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অরগানাইজেশন (আরএসও) সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। যদিও গুলি তার শরীরে লাগেনি। পরে কাছে এসে নৌকার বৈঠা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তসংলগ্ন ফাইশ্শাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

তবে এব্যাপারে কিছু জানেন না দাবি করেছেন উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

আহত তারেক পালংখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আঞ্জুমানপাড়া এলাকার আবদুস সালামের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা তারেককে উদ্ধার করে দ্রুত উখিয়ার কোটবাজারের অরিজিন হাসপাতালে নিয়ে যান। বিকেল ৫টার দিকে জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তিনি বাড়ি চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক দরবেশ আলী।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, “আগে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বা ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনা শোনা যেত। এখন সরাসরি অস্ত্রধারীরা সাধারণ মানুষকে হামলা করছে। আমরা খুব আতঙ্কে আছি।”

এব্যাপারে জানতে চাইলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী। তার ভাষ্য, “সম্প্রতি আঞ্জুমান পাড়ার সীমান্তঘেঁষা এলাকা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিতদের নিষ্ক্রিয়তার ফল এটি।”

তার দাবি, সীমান্ত এলাকায় টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।