ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন : গুরুত্ব পায় পরিবেশ ও জলজ সম্পদ রক্ষার ইস্যু কক্সবাজারে সাংবাদিকদের ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় র‍্যালি ও পথসভা দশ মিনিটেই পুড়ে ছাই ব্যবসায়ী কাইছারের শেষ সম্বল দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য খুলল যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার পথ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস : প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার থেকে ফেরা হলো না, লোহাগাড়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

সীমান্তের আরএসও’র গুলির পর বৈঠার আঘাতে রক্তাক্ত স্থানীয় যুবক

বিকেল সীমান্তসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় মাছ ধরতে যান মো. তারেক। এ সময় সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া সশস্ত্র সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অরগানাইজেশন (আরএসও) সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। যদিও গুলি তার শরীরে লাগেনি। পরে কাছে এসে নৌকার বৈঠা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তসংলগ্ন ফাইশ্শাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

তবে এব্যাপারে কিছু জানেন না দাবি করেছেন উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

আহত তারেক পালংখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আঞ্জুমানপাড়া এলাকার আবদুস সালামের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা তারেককে উদ্ধার করে দ্রুত উখিয়ার কোটবাজারের অরিজিন হাসপাতালে নিয়ে যান। বিকেল ৫টার দিকে জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তিনি বাড়ি চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক দরবেশ আলী।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, “আগে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বা ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনা শোনা যেত। এখন সরাসরি অস্ত্রধারীরা সাধারণ মানুষকে হামলা করছে। আমরা খুব আতঙ্কে আছি।”

এব্যাপারে জানতে চাইলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী। তার ভাষ্য, “সম্প্রতি আঞ্জুমান পাড়ার সীমান্তঘেঁষা এলাকা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিতদের নিষ্ক্রিয়তার ফল এটি।”

তার দাবি, সীমান্ত এলাকায় টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন : গুরুত্ব পায় পরিবেশ ও জলজ সম্পদ রক্ষার ইস্যু

সীমান্তের আরএসও’র গুলির পর বৈঠার আঘাতে রক্তাক্ত স্থানীয় যুবক

আপডেট সময় : ১১:৫৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

বিকেল সীমান্তসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় মাছ ধরতে যান মো. তারেক। এ সময় সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া সশস্ত্র সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অরগানাইজেশন (আরএসও) সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। যদিও গুলি তার শরীরে লাগেনি। পরে কাছে এসে নৌকার বৈঠা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তসংলগ্ন ফাইশ্শাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

তবে এব্যাপারে কিছু জানেন না দাবি করেছেন উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

আহত তারেক পালংখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আঞ্জুমানপাড়া এলাকার আবদুস সালামের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা তারেককে উদ্ধার করে দ্রুত উখিয়ার কোটবাজারের অরিজিন হাসপাতালে নিয়ে যান। বিকেল ৫টার দিকে জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তিনি বাড়ি চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক দরবেশ আলী।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, “আগে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বা ছোটখাটো সংঘর্ষের ঘটনা শোনা যেত। এখন সরাসরি অস্ত্রধারীরা সাধারণ মানুষকে হামলা করছে। আমরা খুব আতঙ্কে আছি।”

এব্যাপারে জানতে চাইলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী। তার ভাষ্য, “সম্প্রতি আঞ্জুমান পাড়ার সীমান্তঘেঁষা এলাকা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিতদের নিষ্ক্রিয়তার ফল এটি।”

তার দাবি, সীমান্ত এলাকায় টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।