কক্সবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আশেক উল্লাহ রফিকের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনের অভিযোগে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ রোববার দুদকের কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এ মামলাটি করা হয়েছে। দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ আল মাহমুদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি নথিভুক্ত করেছেন কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক অনিক বড়ুয়া বাবু।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শাখাওয়াত হোসেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আশেক উল্লাহ নিজের বৈধ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৩ কোটি ৮৮ লাখ ৭৭ হাজার ১৩৯ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন ও দখলে রেখে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
মামলায়, তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৬ কোটি ২৩ লাখ ২৭ হাজার ৬৭৯ টাকা। এর মধ্যে বৈধ উৎস থেকে অর্জিত আয় ২ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা।
সাবেক এই সংসদ সদস্যের নামে পাঁচটি ব্যাংকে ১৪টি হিসাবে দীর্ঘ সময়ে জমা হয়েছে ৪১ কোটি ১ লাখ ১৩ হাজার ৬২৫ টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে ৩৪ কোটি ১৫ লাখ ২৩ হাজার ৬৯৭ টাকা। সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে ৭৫ কোটি ৪৬ লাখ ৩৭ হাজার ৩২২ টাকা।
দুদক সূত্র জানায়, একই অনুসন্ধানে অভিযোগ–সংশ্লিষ্ট আশেক উল্লাহ রফিকের স্ত্রী সাহেদা নাসরীনের বৈধ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫৭ লাখ ৫২ হাজার ৩০৬ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। তার নামে–বেনামে আরও সম্পদ থাকতে পারে মর্মে প্রাথমিক তথ্য পায় অনুসন্ধান টিম। এ ঘটনায় দুদক আইন, ২০০৪–এর ২৬(১) ধারায় তার কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সুত্র: সমকাল
টিটিএন ডেস্ক : 





















