শীতে জবুথবু কক্সবাজার। রাত বাড়ার সাথে বাড়ে শীতের প্রভাব। ভোর বেলায় বেশী বাড়ে ঠান্ডা।
কক্সবাজার জেলার শীতের তীব্রতা কতটুকু তার পরিসংখ্যান বের করতে গিয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া পরিদপ্তর, কক্সবাজার আবহাওয়া দপ্তরসহ বিশ্বের কয়েকটি নাম করা ওয়েবসাইট এবং গুগল ওয়েদার আপডেটে একেক জায়গায় একেকরকম তাপমাত্রার তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে বিশ্বাসযোগ্য এবং স্থানীয়ভাবে আবহাওয়া দপ্তরের সাথে যোগযোগ ও যাচাই করে যে প্রাপ্ত তথ্য বলছে কক্সবাজার জেলার চকরিয়াতে বুধবার রাতের তাপামাত্রা ১২ ডিক্রি,যা ছিলো জেলার বুধবার দিবাগত রাতে সবচেয়ে বেশী শীতের রেকর্ড।
তবে টেকনাফ ছিলো আজকে দেশের সবচেয়ে উষ্ণ উপজেলা। দিনের বেলায় টেকনাফের তাপমাত্রা ছিলো ২৭ ডিক্রি সেলসিয়াস। রাতে তা নেমেছে ১৬ ডিগ্রিতে। তাতেও রাতে জেলায় সবচেয়ে শীত কম টেকনাফ উপজেলায়।
শীত কম পড়লেও রাতে টেকনাফে হীম শীতল বাতাস বইছে। কুয়াশার উপস্থিতি নেই তেমন। ভোরের দিকে আরো কমতে পারে তাপমাত্রা।
অন্যদিকে জেলার অন্যান্য উপজেলা গুলোতে তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিক্রিতে ছিলো।
দেশের পশ্চিম অঞ্চলে শীতের দাপট বেশী। ৪৪ টি জেলায় চলছে শৈত্যপ্রবাহ। তবে কক্সবাজার আবহাওয়া দপ্তরের সহকারি আবহাওয়াবিদ বলছেন, জেলায় শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা নেই। তিনি বলছেন, দিনের বেলায় সূর্যের তাপ থাকলে রাতে শীতের প্রভাব কমে। যদি সূর্যের তাপ না থাকে তবে শীতের তীব্রতা বাড়ে।
আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে এই হাড়কাঁপানো শীত কমতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া দপ্তর।
নোমান অরুপ 


















