ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন : গুরুত্ব পায় পরিবেশ ও জলজ সম্পদ রক্ষার ইস্যু কক্সবাজারে সাংবাদিকদের ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় র‍্যালি ও পথসভা দশ মিনিটেই পুড়ে ছাই ব্যবসায়ী কাইছারের শেষ সম্বল দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য খুলল যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার পথ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস : প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার থেকে ফেরা হলো না, লোহাগাড়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলিতে এআরও নেতা হালিম নিহত

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অজ্ঞাতনামা সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের গুলিতে এক এআরও নেতা নিহত এবং আরও দুজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ক্যাম্প-৭ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন এলাকায় সংঘটিত এই হামলার জন্য প্রাথমিকভাবে আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মি (আরসা) সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের সন্দেহ করা হচ্ছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮/ইস্ট (বালুখালী) থেকে কয়েকজন মোটরসাইকেলে নিজ নিজ শেডে ফিরছিলেন। পথে ক্যাম্প-৮/ইস্টের এ/৩২ পয়েন্ট ও ক্যাম্প-৭ এর মধ্যবর্তী তরজার ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা অস্ত্রধারীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কেফায়েত উল্লাহ হালিম। যিনি ক্যাম্পভিত্তিক একটি সশস্ত্র গ্রুপ এআরও এর নেতা হিসেবে পরিচিত। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মোহাম্মদ উল্লাহ (৩৭) ও নুর মোহাম্মদ (৩২)। তাদের প্রথমে স্থানীয় ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরে কুতুপালংয়ের এমএসএফ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের একটি মোবাইল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানিয়েছে, হামলার পরপরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ধরনের সশস্ত্র হামলার ঘটনা নতুন করে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, বিভিন্ন সশস্ত্র গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে, যা সাধারণ শরণার্থীদের জন্য ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারাবাহিক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এই হত্যাকাণ্ড পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হলেও স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন : গুরুত্ব পায় পরিবেশ ও জলজ সম্পদ রক্ষার ইস্যু

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলিতে এআরও নেতা হালিম নিহত

আপডেট সময় : ০৯:০৮:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অজ্ঞাতনামা সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের গুলিতে এক এআরও নেতা নিহত এবং আরও দুজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ক্যাম্প-৭ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন এলাকায় সংঘটিত এই হামলার জন্য প্রাথমিকভাবে আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মি (আরসা) সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের সন্দেহ করা হচ্ছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮/ইস্ট (বালুখালী) থেকে কয়েকজন মোটরসাইকেলে নিজ নিজ শেডে ফিরছিলেন। পথে ক্যাম্প-৮/ইস্টের এ/৩২ পয়েন্ট ও ক্যাম্প-৭ এর মধ্যবর্তী তরজার ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা অস্ত্রধারীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কেফায়েত উল্লাহ হালিম। যিনি ক্যাম্পভিত্তিক একটি সশস্ত্র গ্রুপ এআরও এর নেতা হিসেবে পরিচিত। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মোহাম্মদ উল্লাহ (৩৭) ও নুর মোহাম্মদ (৩২)। তাদের প্রথমে স্থানীয় ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরে কুতুপালংয়ের এমএসএফ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের একটি মোবাইল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানিয়েছে, হামলার পরপরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ধরনের সশস্ত্র হামলার ঘটনা নতুন করে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, বিভিন্ন সশস্ত্র গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে, যা সাধারণ শরণার্থীদের জন্য ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারাবাহিক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এই হত্যাকাণ্ড পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হলেও স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।