ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন, ক্ষতি প্রায় ১২ লাখ টাকা কক্সবাজারে ১২ ঘন্টার সফরে ১১ কর্মসূচীতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজের দোকানে ফাঁসিতে ঝুলেছে মুজিব: পরকিয়া ও টাকার লেনদেন বলছে স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভা করার দাবি জানালেন ছাত্রনেতা বাসেত মির্জা বৃহত্তর মনোহরখালী ঐক্য পরিষদের জার্সি উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সফর, ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বকাপে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে দুঃসংবাদ দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করল মেক্সিকো কউকের নতুন চেয়ারম্যান পেকুয়ার প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ মাতাবেন বাংলাদেশি তারকা সঞ্জয় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত নেতার অপপ্রচারে কক্সবাজার যুবদলের ব্যাখ্যা

রেন্ট বাইকের সাথে জড়িয়ে আছে কক্সবাজারের হাজারো মানুষ: তাদের পেটে লাথি দিবেন না- নয়ন

রেন্ট-এ-বাইক এখন আর কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং অসংখ্য বেকার তরুণের জীবনযুদ্ধের প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে।

বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত, সেখানে এই মোটরসাইকেল ভাড়ার ব্যবসা অনেক অভাবী পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।

কক্সবাজারের হাজারো মানুষ এই পেশার ওপর নির্ভর করে তাদের সংসার চালাচ্ছে। তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার আহবান জানিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বার্তা পাঠিয়েছেন রেন্ট বাইক মালিক নয়ন।

​তার দাবি, অসংখ্য শিক্ষিত ও স্বল্পশিক্ষিত যুবক ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে বা জমানো শেষ সম্বল দিয়ে বাইক কিনে ভাড়া দিচ্ছেন কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের। এতে করে পযটকেরাও স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়ায় আর রেন্ট বাইকের মালিকেরাও ভাড়ার টাকা পেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে জিবনযাপন করে। এর চেয়ে বেশী কিছু না। তবে নিয়ম ও সুরক্ষা মেনে বাইক ভাড়া দিলেও হঠাৎ দূর্ঘটনা বা অনাকাংখিত ঘটনা ঘটে যায়, এতে করে বাইক মালিক ও পর্যটক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তিনি বলেন, প্রতিদিন শতশত বাইক ভাড়া দেয়া হয়, সে তুলনায় এক্সিডেন্টের হার অনেক অনেক কম। তবুও সবার কামনা কোনো দূর্ঘটনা না হোক।

কিন্তু অনিচ্ছাকৃত দূর্ঘটনা হলেই রেন্ট বাইকের বিরুদ্ধে একটা পক্ষ মাঠে নামে, নানান অপপ্রচার শুরু করে।

অথচ এর মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ দিয়ে শতশত সন্তানদের পড়াশোনা, পরিবারের চিকিৎসা এবং বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ভরণপোষণ চলছে। অনেক পরিবার যারা একসময় চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিনাতিপাত করত, আজ এই বাইক ভাড়ার মাধ্যমেই তারা সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার পথ খুঁজে পেয়েছে।

​কোনো কঠোর নিয়ম বা বাধানিষেধ যেন এই খেটে খাওয়া মানুষের পেটে লাথি মারার কারণ না হয়। যদি এই আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়, তবে হাজারো মানুষ রাতারাতি বেকার হয়ে পড়বে এবং চরম মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে শত শত পরিবার।
তাই এই সাধারণ মেহনতি মানুষের জীবন-জীবিকার স্বার্থে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখার জন্য সকল রেন্ট বাইক মালিকের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন রেন্ট ব্যবসায়ী নয়ন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন, ক্ষতি প্রায় ১২ লাখ টাকা

রেন্ট বাইকের সাথে জড়িয়ে আছে কক্সবাজারের হাজারো মানুষ: তাদের পেটে লাথি দিবেন না- নয়ন

আপডেট সময় : ০১:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

রেন্ট-এ-বাইক এখন আর কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং অসংখ্য বেকার তরুণের জীবনযুদ্ধের প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে।

বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত, সেখানে এই মোটরসাইকেল ভাড়ার ব্যবসা অনেক অভাবী পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।

কক্সবাজারের হাজারো মানুষ এই পেশার ওপর নির্ভর করে তাদের সংসার চালাচ্ছে। তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার আহবান জানিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বার্তা পাঠিয়েছেন রেন্ট বাইক মালিক নয়ন।

​তার দাবি, অসংখ্য শিক্ষিত ও স্বল্পশিক্ষিত যুবক ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে বা জমানো শেষ সম্বল দিয়ে বাইক কিনে ভাড়া দিচ্ছেন কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের। এতে করে পযটকেরাও স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়ায় আর রেন্ট বাইকের মালিকেরাও ভাড়ার টাকা পেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে জিবনযাপন করে। এর চেয়ে বেশী কিছু না। তবে নিয়ম ও সুরক্ষা মেনে বাইক ভাড়া দিলেও হঠাৎ দূর্ঘটনা বা অনাকাংখিত ঘটনা ঘটে যায়, এতে করে বাইক মালিক ও পর্যটক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তিনি বলেন, প্রতিদিন শতশত বাইক ভাড়া দেয়া হয়, সে তুলনায় এক্সিডেন্টের হার অনেক অনেক কম। তবুও সবার কামনা কোনো দূর্ঘটনা না হোক।

কিন্তু অনিচ্ছাকৃত দূর্ঘটনা হলেই রেন্ট বাইকের বিরুদ্ধে একটা পক্ষ মাঠে নামে, নানান অপপ্রচার শুরু করে।

অথচ এর মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ দিয়ে শতশত সন্তানদের পড়াশোনা, পরিবারের চিকিৎসা এবং বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ভরণপোষণ চলছে। অনেক পরিবার যারা একসময় চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিনাতিপাত করত, আজ এই বাইক ভাড়ার মাধ্যমেই তারা সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার পথ খুঁজে পেয়েছে।

​কোনো কঠোর নিয়ম বা বাধানিষেধ যেন এই খেটে খাওয়া মানুষের পেটে লাথি মারার কারণ না হয়। যদি এই আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়, তবে হাজারো মানুষ রাতারাতি বেকার হয়ে পড়বে এবং চরম মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে শত শত পরিবার।
তাই এই সাধারণ মেহনতি মানুষের জীবন-জীবিকার স্বার্থে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখার জন্য সকল রেন্ট বাইক মালিকের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন রেন্ট ব্যবসায়ী নয়ন।