ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংকটেও বিদ্যুৎ গিলছে টমটম-ইজিবাইক স্লোগান, সুবিধা ও বাস্তবতার রাজনীতি নিখোঁজ সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কারচুপির অভিযোগে হামিদুর রহমানের মামলা: কক্সবাজার-২ আসনের নির্বাচনী নথি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ শুভেচ্ছা দূত হিসেবে ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে তাহসানের চুক্তি নবায়ন ঈদগড়ের ইউপি সদস্য অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি চকরিয়ায় বেড়িবাঁধ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার অভাব ও অন্ধকার ভবিষ্যৎ রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ঠেলে দিচ্ছে ‘ভাগ্যের জুয়ায়’ টেকনাফের হ্নীলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে ছাই ১০-১২টি বসতবাড়ি কক্সবাজার শহরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ সাত বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় ১৮ কেজি গাঁজা স্ত্রীর পাতা ফাঁদে অপহরণ, অপহৃতদের হাতে প্রাণ গেল তিন অপহরণকারীর কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজে উশো-কারাতে ক্লাবের উদ্বোধন

মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা

বাংলাদেশে সরকার গঠনের ন্যূনতম নীতিগত শর্ত দু’টি বিষয়ে আপসহীনতা দাবি করে; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান এবং নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

যে কোনো রাজনৈতিক শক্তি যদি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করে, বিকৃত করে বা তার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তবে সে শক্তি গণতান্ত্রিক বৈধতা অর্জনে ব্যর্থ হবে। একইভাবে, যে রাজনীতি নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক সমঅধিকারকে সীমিত করে, তা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বাংলাদেশের সংবিধান, রাষ্ট্রচিন্তা এবং গণরায়; তিনটিই এই বিষয়ে স্পষ্ট। মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার কোনো দলীয় ইস্যু নয়; এগুলো রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। এই ভিত্তিকে অস্বীকার করে সাময়িক রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হলেও টেকসই সরকার গঠন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্রের বাস্তবতা এখন পরিষ্কার; ক্ষমতা অর্জনের প্রশ্নে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের মৌলিক মূল্যবোধে কোনো আপস নেই।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংকটেও বিদ্যুৎ গিলছে টমটম-ইজিবাইক

মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে সরকার গঠনের ন্যূনতম নীতিগত শর্ত দু’টি বিষয়ে আপসহীনতা দাবি করে; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান এবং নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

যে কোনো রাজনৈতিক শক্তি যদি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করে, বিকৃত করে বা তার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তবে সে শক্তি গণতান্ত্রিক বৈধতা অর্জনে ব্যর্থ হবে। একইভাবে, যে রাজনীতি নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক সমঅধিকারকে সীমিত করে, তা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বাংলাদেশের সংবিধান, রাষ্ট্রচিন্তা এবং গণরায়; তিনটিই এই বিষয়ে স্পষ্ট। মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার কোনো দলীয় ইস্যু নয়; এগুলো রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। এই ভিত্তিকে অস্বীকার করে সাময়িক রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হলেও টেকসই সরকার গঠন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্রের বাস্তবতা এখন পরিষ্কার; ক্ষমতা অর্জনের প্রশ্নে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের মৌলিক মূল্যবোধে কোনো আপস নেই।