ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্ন কর্মসূচি রামুতে প্রিতম শর্মা নামের কিশোরকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার, আদালতে জামিন ফেসবুক থেকে ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত সরাতে বাধ্য করতে আইন করবে সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনে পেকুয়ায় প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত মাদকের থেকেও ভয়াবহ: মানব পাচারের অন্ধকার বাস্তবতা চকরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক ও শিশুসহ নিহত ২, আহত ২০ ১৩ বছর নিখোঁজ মানসিক ভারসাম্যহীন আব্দুল খালেক সর্দার, সন্ধান চায় পরিবার বিশ্ব মহাসাগর দিবসে ইনানী সৈকতে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচ্ছন্নতা অভিযান বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে আছেন মেসি পাহাড়তলীতে দুই খুনের পর পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন জিয়া, অবশেষে ধরা ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন দ্বিতীয়বারের মতো হচ্ছে ‘গোল্ডেন সিল্ক রোড মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডস বাংলাদেশ ২০২৬’ যুদ্ধবিরতি চুক্তি না হলে ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত করা হবে না: ডোনাল্ড ট্রাম্প ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত টেকনাফে অস্ত্রের মুখে চালককে জিম্মি করে টমটম ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা

বাংলাদেশে সরকার গঠনের ন্যূনতম নীতিগত শর্ত দু’টি বিষয়ে আপসহীনতা দাবি করে; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান এবং নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

যে কোনো রাজনৈতিক শক্তি যদি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করে, বিকৃত করে বা তার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তবে সে শক্তি গণতান্ত্রিক বৈধতা অর্জনে ব্যর্থ হবে। একইভাবে, যে রাজনীতি নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক সমঅধিকারকে সীমিত করে, তা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বাংলাদেশের সংবিধান, রাষ্ট্রচিন্তা এবং গণরায়; তিনটিই এই বিষয়ে স্পষ্ট। মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার কোনো দলীয় ইস্যু নয়; এগুলো রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। এই ভিত্তিকে অস্বীকার করে সাময়িক রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হলেও টেকসই সরকার গঠন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্রের বাস্তবতা এখন পরিষ্কার; ক্ষমতা অর্জনের প্রশ্নে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের মৌলিক মূল্যবোধে কোনো আপস নেই।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্ন কর্মসূচি

মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে সরকার গঠনের ন্যূনতম নীতিগত শর্ত দু’টি বিষয়ে আপসহীনতা দাবি করে; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান এবং নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

যে কোনো রাজনৈতিক শক্তি যদি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করে, বিকৃত করে বা তার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তবে সে শক্তি গণতান্ত্রিক বৈধতা অর্জনে ব্যর্থ হবে। একইভাবে, যে রাজনীতি নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক সমঅধিকারকে সীমিত করে, তা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বাংলাদেশের সংবিধান, রাষ্ট্রচিন্তা এবং গণরায়; তিনটিই এই বিষয়ে স্পষ্ট। মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার কোনো দলীয় ইস্যু নয়; এগুলো রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। এই ভিত্তিকে অস্বীকার করে সাময়িক রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হলেও টেকসই সরকার গঠন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্রের বাস্তবতা এখন পরিষ্কার; ক্ষমতা অর্জনের প্রশ্নে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের মৌলিক মূল্যবোধে কোনো আপস নেই।