ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে, সৃজনশীল হোক: শিক্ষামন্ত্রী গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তে ১১ স্কাইডাইভার ও পাইলট নিহত চকরিয়ার দুই মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ, ‎সন্ধান চায় পরিবার বেনজীর আহমদকে দেশে ফেরানো হবে কোন প্রক্রিয়ায়? ইসলামী ব্যাংকের পুরো বোর্ড ভেঙে দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার নাম করে আনছিলো ইয়াবা : আটক  যুবদল নেতা, দল থেকে বহিস্কার কক্সবাজারে দুইশ কিলোমিটার ড্রাইভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ১৫ বছর পরও স্মৃতিতে অমলিন নেতা শাহ আলম সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবান্ধব শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে- এমপি কাজল সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার আত্মসমর্পণ করতে আদালতে আসছেন এমপি আমির হামজা একই পরিবারের ৪ সদস্যের আত্মহত্যা ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার নিজ বাড়ি থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা

বাংলাদেশে সরকার গঠনের ন্যূনতম নীতিগত শর্ত দু’টি বিষয়ে আপসহীনতা দাবি করে; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান এবং নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

যে কোনো রাজনৈতিক শক্তি যদি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করে, বিকৃত করে বা তার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তবে সে শক্তি গণতান্ত্রিক বৈধতা অর্জনে ব্যর্থ হবে। একইভাবে, যে রাজনীতি নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক সমঅধিকারকে সীমিত করে, তা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বাংলাদেশের সংবিধান, রাষ্ট্রচিন্তা এবং গণরায়; তিনটিই এই বিষয়ে স্পষ্ট। মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার কোনো দলীয় ইস্যু নয়; এগুলো রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। এই ভিত্তিকে অস্বীকার করে সাময়িক রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হলেও টেকসই সরকার গঠন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্রের বাস্তবতা এখন পরিষ্কার; ক্ষমতা অর্জনের প্রশ্নে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের মৌলিক মূল্যবোধে কোনো আপস নেই।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে, সৃজনশীল হোক: শিক্ষামন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে সরকার গঠনের ন্যূনতম নীতিগত শর্ত দু’টি বিষয়ে আপসহীনতা দাবি করে; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান এবং নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

যে কোনো রাজনৈতিক শক্তি যদি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করে, বিকৃত করে বা তার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তবে সে শক্তি গণতান্ত্রিক বৈধতা অর্জনে ব্যর্থ হবে। একইভাবে, যে রাজনীতি নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক সমঅধিকারকে সীমিত করে, তা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বাংলাদেশের সংবিধান, রাষ্ট্রচিন্তা এবং গণরায়; তিনটিই এই বিষয়ে স্পষ্ট। মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার কোনো দলীয় ইস্যু নয়; এগুলো রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। এই ভিত্তিকে অস্বীকার করে সাময়িক রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হলেও টেকসই সরকার গঠন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্রের বাস্তবতা এখন পরিষ্কার; ক্ষমতা অর্জনের প্রশ্নে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের মৌলিক মূল্যবোধে কোনো আপস নেই।