ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সীমান্তে গুলিবিদ্ধ আফনানের অপারেশন চলছে চমেকে চকরিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধুরী পিতার মৃত্যু,দুপুর ২টায় জানাযা মিয়ানমার সীমান্তে ‘কোলাবরেটিভ ফোর্স’ সময়ের দাবি মিয়ানমারে সংঘাত: দিনভর উত্তপ্ত টেকনাফ সীমান্ত, শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৩ : আটক ৫৩ কলাতলী সমুদ্র এলাকায় অস্ত্রসহ ১৯ ডাকাত আটক, গুলিবিদ্ধ ডাকাতের মৃত্যু চকরিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযান: অস্ত্রসহ আটক-১ বাতিল হতে পারে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, যা জানালেন ডিজি টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশু চমেকের আইসিইউতে, অবস্থা আশংকাজনক মহেশখালীতে মা ও শিশুপুত্রের মৃত্যু, আত্মহত্যা না হত্যা! সীমান্তের ওপারে সংঘাত / এপারে ৫৩ রোহিঙ্গা বিদ্রোহী আটক বিএনপি-জামায়াত প্রার্থী জনতার পাশে, সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি কক্সবাজারে ধর্ষণ মামলায় ১ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত শিশুটি মারা যায়নি মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফে শিশু নিহত আরাকান আর্মির উপর জান্তার বিমান হামলা: প্রকম্পিত এপারের সীমান্ত এলাকা
কলাম

মিয়ানমার সীমান্তে ‘কোলাবরেটিভ ফোর্স’ সময়ের দাবি

মিয়ানমারে চলমান মাল্টিফ্রন্ট যুদ্ধের ভয়াবহতা দিন দিন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সরকারের উচিত সকল রাজনৈতিক অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত একটি জরুরি (ইমার্জেন্সি) বৈঠক আহ্বান করা।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মধ্যে বর্ডার লিটারেসি ও আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে পরিবার ও সমাজকে আরও সতর্ক হতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সীমান্তে নিরীহ নাগরিক হত্যাকাণ্ড কাম্য নয়।

বান্দরবানের ঘুমধুম এলাকা এবং উখিয়া–টেকনাফ অঞ্চলে সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কোলাবরেটিভ ফোর্স গঠন করে কার্যকরভাবে কাজ করা প্রয়োজন। জান্তা সরকার গেরিলা যুদ্ধে দুর্বল হলেও তারা বিমান হামলার (এয়ার স্ট্রাইক) পথ বেছে নিতে পারে—এ ক্ষেত্রে আমাদের আকাশসীমা ও বিমানবাহিনীর নিরাপত্তা কতটা প্রস্তুত, সে বিষয়েও গভীরভাবে ভাবতে হবে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রেক্ষাপটে যেন কোনোভাবেই নিরীহ বাংলাদেশিরা ভিক্টিম না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও একাধিক মাল্টিফ্রন্ট চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান—একদিকে নির্বাচন, অন্যদিকে ফ্যাসিবাদী প্রবণতা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এক্টরের চাপ।

এ অবস্থায় সীমান্ত এলাকার রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ও কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করা অত্যাবশ্যক। আবেগতাড়িত বা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ প্রতিটি কথাই রাষ্ট্রের অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

লেখক : সাংবাদিক ও এনসিপি মনোনীত প্রার্থী বান্দরবান-৩০০

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে গুলিবিদ্ধ আফনানের অপারেশন চলছে চমেকে

This will close in 6 seconds

কলাম

মিয়ানমার সীমান্তে ‘কোলাবরেটিভ ফোর্স’ সময়ের দাবি

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমারে চলমান মাল্টিফ্রন্ট যুদ্ধের ভয়াবহতা দিন দিন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সরকারের উচিত সকল রাজনৈতিক অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত একটি জরুরি (ইমার্জেন্সি) বৈঠক আহ্বান করা।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মধ্যে বর্ডার লিটারেসি ও আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে পরিবার ও সমাজকে আরও সতর্ক হতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সীমান্তে নিরীহ নাগরিক হত্যাকাণ্ড কাম্য নয়।

বান্দরবানের ঘুমধুম এলাকা এবং উখিয়া–টেকনাফ অঞ্চলে সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কোলাবরেটিভ ফোর্স গঠন করে কার্যকরভাবে কাজ করা প্রয়োজন। জান্তা সরকার গেরিলা যুদ্ধে দুর্বল হলেও তারা বিমান হামলার (এয়ার স্ট্রাইক) পথ বেছে নিতে পারে—এ ক্ষেত্রে আমাদের আকাশসীমা ও বিমানবাহিনীর নিরাপত্তা কতটা প্রস্তুত, সে বিষয়েও গভীরভাবে ভাবতে হবে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রেক্ষাপটে যেন কোনোভাবেই নিরীহ বাংলাদেশিরা ভিক্টিম না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও একাধিক মাল্টিফ্রন্ট চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান—একদিকে নির্বাচন, অন্যদিকে ফ্যাসিবাদী প্রবণতা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এক্টরের চাপ।

এ অবস্থায় সীমান্ত এলাকার রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ও কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করা অত্যাবশ্যক। আবেগতাড়িত বা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ প্রতিটি কথাই রাষ্ট্রের অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

লেখক : সাংবাদিক ও এনসিপি মনোনীত প্রার্থী বান্দরবান-৩০০