ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়িতে সম্প্রীতি বজায় রাখার আহবান মন্ত্রী সাচিং প্রুর ভদ্রপল্লিতে আর ভদ্রতা নেই কক্সবাজারে ৩ দিনের পর্যটন মেলা শুরু হচ্ছে শুক্রবার : যা যা থাকছে টেকনাফে নারীকে বিবস্ত্র করে মারধর ও চুল কেটে দেয়ার অভিযোগ, আটক ২ কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৭ নিখোঁজের ১৫ ঘন্টা পর উদ্ধার হওয়া রামুর স্কুল ছাত্র শাহীনের জানাজা সম্পন্ন জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাবকে স্বাগত জানালো আশ্রিত রোহিঙ্গারা পেকুয়ায় মাছ ব্যবসায়ী- আড়ৎদার দ্বন্দ্ব, মাছ বিক্রি বন্ধ কাউন্সিলর একরাম হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের অভিযোগ গঠনের শুনানি ২৭ সেপ্টেম্বর বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিদের গোলাগুলি : টেকনাফ সীমান্তে ১ লাখ ৪৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার বিমান বাহিনীর ১৩২ তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্সের সনদপত্র বিতরণ মাদকই অপরাধের বড় কারণ, নির্মূলে কাজ করছে সরকার: পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জনের ২য় শাহাদাত বার্ষিকীতে সেনাবাহিনীর শ্রদ্ধাঞ্জলি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক-জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত
কলাম

মিয়ানমার সীমান্তে ‘কোলাবরেটিভ ফোর্স’ সময়ের দাবি

মিয়ানমারে চলমান মাল্টিফ্রন্ট যুদ্ধের ভয়াবহতা দিন দিন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সরকারের উচিত সকল রাজনৈতিক অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত একটি জরুরি (ইমার্জেন্সি) বৈঠক আহ্বান করা।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মধ্যে বর্ডার লিটারেসি ও আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে পরিবার ও সমাজকে আরও সতর্ক হতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সীমান্তে নিরীহ নাগরিক হত্যাকাণ্ড কাম্য নয়।

বান্দরবানের ঘুমধুম এলাকা এবং উখিয়া–টেকনাফ অঞ্চলে সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কোলাবরেটিভ ফোর্স গঠন করে কার্যকরভাবে কাজ করা প্রয়োজন। জান্তা সরকার গেরিলা যুদ্ধে দুর্বল হলেও তারা বিমান হামলার (এয়ার স্ট্রাইক) পথ বেছে নিতে পারে—এ ক্ষেত্রে আমাদের আকাশসীমা ও বিমানবাহিনীর নিরাপত্তা কতটা প্রস্তুত, সে বিষয়েও গভীরভাবে ভাবতে হবে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রেক্ষাপটে যেন কোনোভাবেই নিরীহ বাংলাদেশিরা ভিক্টিম না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও একাধিক মাল্টিফ্রন্ট চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান—একদিকে নির্বাচন, অন্যদিকে ফ্যাসিবাদী প্রবণতা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এক্টরের চাপ।

এ অবস্থায় সীমান্ত এলাকার রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ও কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করা অত্যাবশ্যক। আবেগতাড়িত বা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ প্রতিটি কথাই রাষ্ট্রের অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

লেখক : সাংবাদিক ও এনসিপি মনোনীত প্রার্থী বান্দরবান-৩০০

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাইক্ষ্যংছড়িতে সম্প্রীতি বজায় রাখার আহবান মন্ত্রী সাচিং প্রুর

কলাম

মিয়ানমার সীমান্তে ‘কোলাবরেটিভ ফোর্স’ সময়ের দাবি

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমারে চলমান মাল্টিফ্রন্ট যুদ্ধের ভয়াবহতা দিন দিন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সরকারের উচিত সকল রাজনৈতিক অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত একটি জরুরি (ইমার্জেন্সি) বৈঠক আহ্বান করা।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মধ্যে বর্ডার লিটারেসি ও আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে পরিবার ও সমাজকে আরও সতর্ক হতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সীমান্তে নিরীহ নাগরিক হত্যাকাণ্ড কাম্য নয়।

বান্দরবানের ঘুমধুম এলাকা এবং উখিয়া–টেকনাফ অঞ্চলে সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কোলাবরেটিভ ফোর্স গঠন করে কার্যকরভাবে কাজ করা প্রয়োজন। জান্তা সরকার গেরিলা যুদ্ধে দুর্বল হলেও তারা বিমান হামলার (এয়ার স্ট্রাইক) পথ বেছে নিতে পারে—এ ক্ষেত্রে আমাদের আকাশসীমা ও বিমানবাহিনীর নিরাপত্তা কতটা প্রস্তুত, সে বিষয়েও গভীরভাবে ভাবতে হবে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রেক্ষাপটে যেন কোনোভাবেই নিরীহ বাংলাদেশিরা ভিক্টিম না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও একাধিক মাল্টিফ্রন্ট চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান—একদিকে নির্বাচন, অন্যদিকে ফ্যাসিবাদী প্রবণতা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এক্টরের চাপ।

এ অবস্থায় সীমান্ত এলাকার রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ও কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করা অত্যাবশ্যক। আবেগতাড়িত বা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ প্রতিটি কথাই রাষ্ট্রের অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

লেখক : সাংবাদিক ও এনসিপি মনোনীত প্রার্থী বান্দরবান-৩০০