ঢাকা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাহিত্যিকা পল্লীতে গোলাগুলির ঘটনায় আবুল মনসুর লুদুকে আটক করেছে পুলিশ সাহিত্যিকা পল্লীতে দুই পক্ষের গোলাগুলি, যুবক গুলিবিদ্ধ সুমাইয়ার মৃত্যুর ঘটনায় আলোচিত আরিফ-সোহেল বিমানবন্দরে আটক হ্নীলা স্টেশনের অগ্নিকাণ্ডে ওয়ালটন-ভিশন শোরুমসহ পুড়ে ছাই ৮ দোকান; আহত অন্তত ২০ টেকনাফের হ্নীলা স্টেশনে জামাল কমপ্লেক্সে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে নেপালের বন্যার্তদের পাশে কাঠমান্ডুর রোহিঙ্গারা, নিজেদের সংকটের মধ্যেও মানবিক সহায়তা চিঠি দিবসে নিঃসঙ্গ পড়ে আছে কক্সবাজারের ডাকবাক্স : নেই ডাকপিয়নের আনাগোনা মায়ের কোলে ফিরল চার মাস বয়সী মাহি, ৩ অপহরণকারী গ্রেফতার চাম্বি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হলেন সাংবাদিক ইলিয়াছ পেকুয়ায় মাছে বিষ প্রয়োগ করে বিক্রির অভিযোগে আটক ১ কক্সবাজারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন : গুরুত্ব পায় পরিবেশ ও জলজ সম্পদ রক্ষার ইস্যু কক্সবাজারে সাংবাদিকদের ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় র‍্যালি ও পথসভা দশ মিনিটেই পুড়ে ছাই ব্যবসায়ী কাইছারের শেষ সম্বল দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী

বিজয়া দশমীতে বিদায়ের সুর

পাঁচ দিনের শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা আজ বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীর মাধ্যমে শেষ হচ্ছে। সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভক্ত-অনুরাগীরা ভিড় জমিয়েছেন পুষ্পাঞ্জলি দিতে। দেবী দুর্গাকে সিঁদুর পরানোর পর নারীরা হাসি-আনন্দে মেতে ওঠেন সিঁদুর খেলায়। চারপাশে উচ্ছ্বাসের আবহ হলেও ভক্তদের চোখেমুখে ভর করেছে বিদায়ের সুর।

দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুরের পর থেকে শুরু হবে ভাসান যাত্রা। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে একে একে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।

বিসর্জন ঘিরে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। লাবণী পয়েন্ট ও আশপাশ এলাকায় সকাল থেকেই সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অবস্থান নিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তারা জানিয়েছে, পর্যটকের ভিড়ের পাশাপাশি ভাসানযাত্রায় অংশ নেওয়া হাজারো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শঙ্কর পাল মিঠু বলেন, “এবার জেলায় মোট ৩১৭টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজা শুরুর দিন থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত সবকিছু শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”

“প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা পাওয়ায় এবারের পূজা নিরাপদ পরিবেশে আয়োজন করা গেছে” বলেন উদয় শঙ্কর।

ভক্ত-অনুরাগীদের মনেও বিদায়ের বেদনা। গোলদিঘির পাড়ের ইন্দ্রসেন পুজা মণ্ডপে পুষ্পাঞ্জলি নিতে আসা ভক্ত অনুপম দেবনাথ বললেন, “মা দুর্গা আসেন, আনন্দ দেন, আবার বিদায় নেন। বিদায় দিতে কষ্ট হয়, তবে আগামী বছর আবার আসবেন এই আশাতেই আমরা তাঁকে বিদায় জানাই।”

প্রতিমা বিসর্জনের সময় ঢাক-ঢোলের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর উল্লাসে ভরপুর থাকবে পুরো সমুদ্রসৈকত। হাজারো মানুষ দেবীর প্রতি প্রার্থনা জানাবেন মঙ্গল কামনায়। এরপরই শেষ হবে বছরের সবচেয়ে বড় এই হিন্দু ধর্মীয় উৎসব।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্যিকা পল্লীতে গোলাগুলির ঘটনায় আবুল মনসুর লুদুকে আটক করেছে পুলিশ

বিজয়া দশমীতে বিদায়ের সুর

আপডেট সময় : ০১:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

পাঁচ দিনের শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা আজ বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীর মাধ্যমে শেষ হচ্ছে। সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ভক্ত-অনুরাগীরা ভিড় জমিয়েছেন পুষ্পাঞ্জলি দিতে। দেবী দুর্গাকে সিঁদুর পরানোর পর নারীরা হাসি-আনন্দে মেতে ওঠেন সিঁদুর খেলায়। চারপাশে উচ্ছ্বাসের আবহ হলেও ভক্তদের চোখেমুখে ভর করেছে বিদায়ের সুর।

দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুরের পর থেকে শুরু হবে ভাসান যাত্রা। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে একে একে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।

বিসর্জন ঘিরে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। লাবণী পয়েন্ট ও আশপাশ এলাকায় সকাল থেকেই সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অবস্থান নিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তারা জানিয়েছে, পর্যটকের ভিড়ের পাশাপাশি ভাসানযাত্রায় অংশ নেওয়া হাজারো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শঙ্কর পাল মিঠু বলেন, “এবার জেলায় মোট ৩১৭টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজা শুরুর দিন থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত সবকিছু শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”

“প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা পাওয়ায় এবারের পূজা নিরাপদ পরিবেশে আয়োজন করা গেছে” বলেন উদয় শঙ্কর।

ভক্ত-অনুরাগীদের মনেও বিদায়ের বেদনা। গোলদিঘির পাড়ের ইন্দ্রসেন পুজা মণ্ডপে পুষ্পাঞ্জলি নিতে আসা ভক্ত অনুপম দেবনাথ বললেন, “মা দুর্গা আসেন, আনন্দ দেন, আবার বিদায় নেন। বিদায় দিতে কষ্ট হয়, তবে আগামী বছর আবার আসবেন এই আশাতেই আমরা তাঁকে বিদায় জানাই।”

প্রতিমা বিসর্জনের সময় ঢাক-ঢোলের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি আর উল্লাসে ভরপুর থাকবে পুরো সমুদ্রসৈকত। হাজারো মানুষ দেবীর প্রতি প্রার্থনা জানাবেন মঙ্গল কামনায়। এরপরই শেষ হবে বছরের সবচেয়ে বড় এই হিন্দু ধর্মীয় উৎসব।