ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেরিন ড্রাইভে ২ দফা পাহাড়ধস উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে আবারো এক শিশুর মৃত্যু কলাতলীতে পাহাড় ধসে ৫ বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত : আহত ৩ মেরিন ড্রাইভে মিনিট্রাক উল্টে আহত ৮ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় এমপি স্বপ্না- গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে এখন গণতন্ত্র চর্চা হচ্ছে টেকনাফে র‍্যাবের অভিযান: অপহৃত ৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার, গ্রেফতার ১ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনের দুই বছর: শহীদ ওয়াসিমের কবরে প্রশাসনের শ্রদ্ধা বাংলাদেশ আর কখনো তাবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত হবে না: প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১’র মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের আর ২৪’র গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বাধীনতা রক্ষার: প্রধানমন্ত্রী শহীদদের আকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন বাস্তবে রূপ পায়নি : নাহিদ ইসলাম জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ইতিহাসের নতুন পর্যায় সৃষ্টি করেছে: ড. ইউনূস কক্সবাজারে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধার্ঘ্য, দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি থাইংখালীতে জমিদখলের চেষ্টা, ১৪৪ ধারায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার আদেশ আদালতের

“বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত, তাই মানুষের প্রতি দায় আছে”- কক্সবাজারে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেছেন, “বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত, তাই মানুষের প্রতি দায় আছে।” সে কারণেই সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, শুরুতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও এখন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। তিনি বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের দায়িত্ব এবং ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সভায় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কোথাও স্লুইসগেট বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো.আ:মান্নানের সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল ও পুলিশ সুপার এম এন সাজেদুর রহমান বিশেষ অথিতির বক্তব্য রাখেন।

জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বন্যায় জেলার ৭০টি ইউনিয়নের প্রায় ৪৯ শতাংশ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩১ জন। এখনও প্রায় ১ হাজার ৬০০ মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ হাজার ৬১৩টি বসতবাড়ি, ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ২ হাজার ৪৪ কিলোমিটার সড়ক এবং ধসে পড়েছে ৭৯টি সেতু ও কালভার্ট।

এদিকে আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ৪ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত কক্সবাজারে ৮২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। যদিও জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে, তবুও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ পুরোপুরি কাটেনি। স্থানীয়রা দ্রুত পুনর্বাসন, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি বন্যা প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মেরিন ড্রাইভে ২ দফা পাহাড়ধস

“বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত, তাই মানুষের প্রতি দায় আছে”- কক্সবাজারে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম

আপডেট সময় : ১১:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেছেন, “বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত, তাই মানুষের প্রতি দায় আছে।” সে কারণেই সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, শুরুতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও এখন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার। তিনি বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের দায়িত্ব এবং ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সভায় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কোথাও স্লুইসগেট বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো.আ:মান্নানের সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল ও পুলিশ সুপার এম এন সাজেদুর রহমান বিশেষ অথিতির বক্তব্য রাখেন।

জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বন্যায় জেলার ৭০টি ইউনিয়নের প্রায় ৪৯ শতাংশ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩১ জন। এখনও প্রায় ১ হাজার ৬০০ মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ হাজার ৬১৩টি বসতবাড়ি, ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ২ হাজার ৪৪ কিলোমিটার সড়ক এবং ধসে পড়েছে ৭৯টি সেতু ও কালভার্ট।

এদিকে আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ৪ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত কক্সবাজারে ৮২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। যদিও জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে, তবুও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ পুরোপুরি কাটেনি। স্থানীয়রা দ্রুত পুনর্বাসন, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি বন্যা প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।